সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার নয় দিন পর ইমতিয়াজ উদ্দিন হৃদয় (২০) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় সে।
নিহত ইমতিয়াজ উদ্দিন লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়াজান মাস্টারপাড়ার মো. লোকমানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বান্দরবান সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন চৌধুরী ইমতিয়াজের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার পর আহত কলেজছাত্রের পরিবারকে মামলা করার জন্য বলা হয়েছিল। তবে রোগী নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা তখন মামলা করতে পারেনি। মঙ্গলবারও তাদের মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি আরও বলেন, দুর্ঘটনার দিনই বাসটি জব্দ করা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে বাসটির চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বান্দরবান সরকারি কলেজে যাচ্ছিলেন ইমতিয়াজ। পথে সাতকানিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা ইউনিয়নের শিশুতল বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঈগল পরিবহনের একটি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পথচারীরা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আইসিইউতে নয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ঈগল পরিবহনের বাসটি সাতকানিয়া অতিক্রম করে লোহাগাড়া এলাকায় গিয়ে মহাসড়কের পাশে রেখে চালক ও হেলপার পালিয়ে যান। পরে দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ বাসটি জব্দ করে।