
নেত্রকোনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রবেশপথ অবমুক্ত করতে অবৈধভাবে নির্মিত দুটি দোকান ঘর ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই স্থানে একটি দৃষ্টিনন্দন ও প্রশস্ত গেট নির্মাণেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক উপস্থিত থেকে ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, "নেত্রকোনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি মূলত দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। বিগত সরকারের আমলে পৌরসভার মেয়র শহীদ মিনারের প্রবেশপথ দখল করে অবৈধভাবে দুটি দোকান নির্মাণ করেন এবং নিয়মিত ভাড়া আদায় করতেন।"
তিনি আরও বলেন, "২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন সরকারি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে এখানে প্রচুর জনসমাগম হয়। সরু পথ হওয়ার কারণে প্রায়ই অপ্রীতিকর ঠেলাঠেলির ঘটনা ঘটত। জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে শহীদ মিনারের নিরাপত্তা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং সর্বস্তরের মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য অবৈধ স্থাপনা দুটি ভেঙে এখানে একটি দৃষ্টিনন্দন ও প্রশস্ত গেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
নতুন এই গেট নির্মাণকাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সাংবাদিকসহ সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
উচ্ছেদ অভিযানকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নূরু, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শফিকুল কাদের সুজা, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি তাজেজুল ইসলাম ফারাস সুজাত, সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান দুদু, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ফকির, জেলা কৃষক দলের সভাপতি সালাহউদ্দিন খান মিল্কী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ এবং দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মজিবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।