চট্টগ্রামে এবার দুই হাজার ২৭৪টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানালেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের চট্টগ্রাম জেলা কমিটি এসব তথ্য জানায়।
একই সাথে উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চারটি মনিটরিং দল ও সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ গঠন করেছে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ। এছাড়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে চার দিন সাধারণ ছুটিসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের সভাপতি নিতাই প্রসাদ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক সুগ্রীব মজুমদার দোলন, সাবেক সভাপতি দীলিপ মজুমদার, অধ্যাপক নারায়ণ কুমার চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক জানান, জেলার ১৬ উপজেলা ও পৌরসভায় ১ হাজার ৬৫৫টি সার্বজনীন প্রতিমাপূজা এবং ৬১৯টি ঘটপূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিনে বোয়ালখালীর শ্রীশ্রী চণ্ডীতীর্থ মেধস আশ্রমে মহালয়া উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।সংবাদ সম্মেলনের জানানো হয়, উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে জেলা প্রশাসন, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন সংস্থা ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে পরিষদ। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন করা যায়, সেটিই তাদের প্রত্যাশা।
সংবাদ সম্মেলনে ৮ দফা দাবি পেশ করা হয়। এর মধ্যে দুর্গাপূজায় চার দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা, দেশের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি উদ্যোগে একটি করে মডেল মন্দির নির্মাণ, বোয়ালখালীর চণ্ডীতীর্থ মেধস আশ্রমের উন্নয়ন এবং দক্ষিণ কাট্টলীর রানি রাসমণি বারুণী স্নানঘাট বা ‘সমুদ্রতীর্থ’ সংস্কার ও উন্নয়ন অন্যতম।