
ঢাকার সাবেক মেয়র, সরকারের সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তি যোদ্ধা জনাব সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ও সংসদ সদস্য ইসরাক হোসেন সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা ফেরাতে ও তরুণ সমাজকে অপরিনাম ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদক বিরোধী অভিযান করতে গিয়ে বৈধ অস্র প্রদর্শন করেছেন। এটাকে অনেকে বড় অপরাধ হিসেবে দেখছেন। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে পদত্যাগ করেছেন। এজন্য তিনি জনমনে প্রসংশিত হয়েছেন।
অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভাইয়া বিমানবন্দরে লাইসেন্সবিহীন ম্যাগজিনসহ ধরা পরার পর প্রধান উপদেষ্টাকে তো দেখিনি এই(মন্ত্রীর মর্যাদাপূর্ণ) উপদেষ্টাকে পদত্যাগের পরামর্শ দিতে কিংবা আইনগত ব্যবস্থা নিতে। ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির জন্য এরই মধ্যে দুদক আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্য প্রমান নিয়ে ফাইল তৈরি করেছেন। ঐদিকে খেয়াল নেই। এখন দেখছি আসিফ মাহমুদ ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে কি কি বলছেন, কি কি বোঝানোর চেষ্টা করছেন। এযেন ঐউক্তিটিকে মনে করিয়ে দেয়।