চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক

দালালরা ডাক্তারদের থেকে বেশি ইনকাম করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সেবা কার্যক্রম বন্ধ রেখে রাজপথে নেমেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশিক্ষণরত ও শিক্ষানবীশ চিকিৎসকেরা। সেবা বন্ধ করে দেওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। গতকাল রোববার সকালে পোস্টগ্রাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি ও ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ যৌথভাবে চমেক হাসপাতালের মূল ফটকে মানববন্ধন করে। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের যৌথ ৪ দাবি হলো- ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন ৩০ হাজার টাকা এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকদের (এফসিপিএস, রেসিডেন্ট ও নন রেসিডেন্ট) বকেয়া ভাতা প্রদান করা। ১২টি প্রাইভেট ইন্সটিটিউটের নন-রেসিডেন্ট ও রেসিডেন্টদের আকস্মিক ভাতা বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ভাতা পুনর্বহাল করা ও অবিলম্বে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রনয়ন করা।
মানববন্ধনে পোস্টগ্রাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসক আল আমিন ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ ধরে আমরা সারাদেশে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছি। সর্বশেষ আমরা কর্মবিরতি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের থাকার কথা ছিল হাসপাতালের ওয়ার্ডে, অথচ আমাদের থাকতে হচ্ছে রাজপথে। আমরা সপ্তাহে সাতদিন, মাসে ৩০দিন, বছরে ৩৬৫ দিন ডিউটি করি। আমাদের নির্দিষ্ট কোনো কর্মঘণ্টা নেই। অথচ আমাদের যে ভাতা দেওয়া হয়, সেটা অমানবিক।
পোস্টগ্রাজুয়েট ট্রেইনি ডাক্তাররা মানবেতর জীবনযাপন করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ (চমেক) হাসপাতালের আনাচে-কানাচে বিভিন্ন ধরনের দালাল আপনারা পাবেন, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল, হাসপাতাল-ক্লিনিকের দালাল। এ দালালরা পর্যন্ত ডাক্তারদের থেকে বেশি ইনকাম করে মাস শেষে। ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আপনারা যেসব মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ দেখেন, তাদের মাসিক বেতন ডাক্তারদের মাসিক বেতনের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
কর্মবিরতির সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানিয়ে আল আমিন বলেন, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। দুই দিনের মধ্যে আমাদের দাবি পূরণ না হলে পোস্ট গ্রাজুয়েট ও ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কেউ হাসপাতালে এবং ওয়ার্ডে ফেরত যাবেন না। আমরা আমাদের দাবিতে অনড় থাকব।
চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ ফয়েজউল্লাহ বলেন, একজন পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেইনি ডাক্তারের ভাতা ২৫ হাজার টাকা। একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভাতা মাত্র ১৫ হাজার টাকা। এ টাকায় কি বর্তমান বাজারে চলা সম্ভব? আবার বলে দিয়েছে, প্রাইভেট প্র্যাকটিস করা যাবে না। তাহলে ২৫ হাজার টাকায় একজন মানুষ কিভাবে নিজে চলবে আর সংসার চালাবে? আবার তাদের ছয় মাসের বেতনও বকেয়া আছে।
‘হাসপাতালে রোগী বেড়েছে, চাপ বেড়েছে, কাজ বেড়েছে, বাজারে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। শুধু বাড়েনি আমাদের বেতন-ভাতা। এজন্য আমরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছি। আট ঘণ্টা থেকে চৌদ্দ ঘণ্টা পর্যন্ত ডিউটি দিয়ে, শুক্রবারও ছুটি নেই, তাহলে কেন ন্যায্য সম্মানি দেওয়া হবে না? আমাদের দাবি হচ্ছে, পোস্ট গ্রাজুয়েটদের ভাতা ৫০ হাজার টাকা এবং ইন্টার্নদের ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। এ দাবিতে আমাদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশনে হাসান চৌধুরী কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ৮ নম্বর শ্রীপুর-খরন্দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী।

রোববার (২৩ আগস্ট ২০২৬) বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক প্রধান উপদেষ্টা ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপির পরামর্শক্রমে মুহাম্মদ হাসান চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্বপ্রাপ্তির পর সংগঠনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী তার মেধা, শ্রম, সাংগঠনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন এবং সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

একই সঙ্গে তাকে সংগঠন-সংশ্লিষ্ট স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি মোঃ পয়গাম আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব প্রদানের বিষয়টি জানানো হয়।

এদিকে, মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় শ্রীপুর-খরন্দ্বীপ ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ