জাতীয়করণের দাবি চট্টগ্রামে আনসার সদস্যরা মাঠে

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: জাতীয়করণের দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেছেন আনসার সদস্যরা।রোববার সকালে ইউনিফরম পরিহিত কয়েকশ সাধারণ আনসার সদস্য এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচী চলাকালে সারাদেশে প্রায় ৬০ হাজার সদস্যের এ বাহিনীকে জাতীয়করণের দাবি দীর্ঘদিনের হলেও সরকারের উচ্চ দপ্তরে তোলা হয়নি বলে দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।
এ সময় আনসার সদস্য তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রশিক্ষিত এবং স্মার্টকার্ডধারী। সরকারি বেসরকারি স্থাপনা, দপ্তর সশস্ত্র পাহারা দিই। অথচ তিন বছর পর আমরা বেকার হয়ে যাই। কয়েকমাস বেকার থাকার পর আবার অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজে নেওয়া হয়। অথচ আমাদের চেয়ে কম কাজ করে ব্যাটালিয়ান আনসাররা। এখন থানায় পুলিশ নেই। আমরা নির্দেশনা মেনে থানা পাহারা দিচ্ছি। সড়কে ট্রাফিকের কাজ করছি।
আনসার সদস্য মফিজুল ইসলাম বলেন, আমরা দেশের সেবা করি। কোনো অস্থিরতা চাই না। দেশের সম্পদ রক্ষার্থে কাজ করি। কোনো উপায় না দেখেই এখন এক দফা দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। সারাদেশের অঙ্গীভূত সাধারণ আনসাররা রাস্তায় নেমেছে। আমরা আমাদের দাবি আদায় করে ছাড়বো।
মো. নাছিম মিয়া নামের আরেক সদস্য বলেন, আনসারের মহাপরিচালক জাতিকে নানান মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছেন। যারা ভিডিপি কিংবা গ্রাম পুলিশ, তারা আনসারের সদস্য নয়। প্রতিষ্ঠানটাই আনসার-ভিডিপি নামে। সারাদেশে আমাদের অঙ্গীভূত সাধারণ আনসার রয়েছে ৬০ হাজারের কম। দীর্ঘদিন ধরে আমরা জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু আমাদের দাবিগুলো সরকারের উচ্চদপ্তরে তোলা হয় না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের কয়েকটি হাসপাতালের পার্কিংয়ে ক্যান্টিন-ওষুধের দোকান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বেসরকারি হাসপাতাল ল্যানসেটে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এতে দেখা যায়, আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা, পার্কিংয়ের জায়গায় বসেছে ক্যান্টিন ও ওষুধের দোকান, নেই বিকল্প অগ্নিনিরাপত্তা ও নির্গমন ব্যবস্থা। সোমবার (২৪ আগস্ট) বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম তদন্তে যায় সংস্থাটি। শুধু ল্যানসেট নয়, শেভরণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল হিদায়াহ স্কুলেও অভিযান চালিয়েছে সিডিএ। অভিযানে এসব প্রতিষ্ঠানে নকশা ও বিধিবিধান না মানার বিভিন্ন চিত্র উঠে আসে। অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক মাসের সময় দিয়েছে সংস্থাটি।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও নাগরিকরা বলছেন, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা নকশাবহির্ভূত ব্যবহার দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিশেষ করে হাসপাতালের পার্কিং ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জননিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই শুধু অভিযান নয়, নির্ধারিত সময় শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মানছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং জরুরি।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম, হাসপাতালের পার্কিং ব্যবস্থার কারণে যানজট এবং নকশাবহির্ভূত ভবন ব্যবহারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, অনিয়মের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আবাসিক ভবনে পরিচালিত হাসপাতালগুলোকে এক মাসের মধ্যে বিকল্প জায়গায় স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে আবাসিক ভবনে পরিচালিত একটি স্কুলকেও এক মাসের মধ্যে বিকল্প স্থানে যাওয়ার অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর কিছু পার্কিং-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।সিডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, অভিযানের পর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। তবে এসব পরিবর্তন কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা দেখতে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

এদিকে ল্যানসেট হাসপাতালের পরিচালক মহসীন হোসেন বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন আমাদের রয়েছে। মানুষের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। এখানে অনেক কর্মচারীর জীবিকা নির্ভরশীল। আমাদের লাইসেন্সসহ অন্যান্য অনুমোদনও আছে। তবে পার্কিংয়ের জায়গায় কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। সিডিএ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা সরকারের সহযোগী হিসেবে তাদের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা করব।

তিনি আরও বলেন, ভবনটি আবাসিক হিসেবে কীভাবে অনুমোদন পেয়েছে, সেটি ভবন মালিকের বিষয়। আমরা ভাড়াটিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। অতীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেই বিভিন্ন অনুমোদন দিয়েছে। তবে সিডিএ এখন যেসব বিষয় চিহ্নিত করেছে, সেগুলো সমাধানে আমরা সহযোগিতা করব।
সিডিএ জানিয়েছে, এক মাসের সময়সীমা শেষে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় পরিদর্শন করা হবে। নিয়ম না মানলে সিলগালা ও উচ্ছেদসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকের উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা মেডিকেল কলেজের নাক কান গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে মানববন্ধন করেছেন চিকিৎসকরা। শনিবার (২২ আগষ্ট) চমেক প্রাঙ্গণে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন, হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

চমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং ফোরামের চট্টগ্রাম সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কর্মস্থলে একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়। এটি চিকিৎসকদের নিরাপত্তা, হাসপাতালের কর্মপরিবেশ এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের জীবন রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের কর্মস্থলে হামলা, হুমকি ও হয়রানির কারণে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে রোগীসেবায়।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আব্দুর রব, অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, অধ্যাপক ডা. মো. হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক ডা. নুরুল হুদা, অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, ডা. ফয়েজুর রহমান, ডা. নুরুল করিম চৌধুরী ও ডা. ফাহমিদা রশিদ স্বাতী।
বক্তারা অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে হাসপাতালকে নিরাপদ কর্মস্থল হিসেবে নিশ্চিত করতে জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী, সিসিটিভি ও জরুরি নিরাপত্তা সহায়তা ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় একটি বাধ্যতামূলক জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন জারি এবং হাসপাতালের দৃশ্যমান স্থানে নিরাপত্তা ও আচরণবিধি প্রদর্শনেরও দাবি জানান চিকিৎসকরা।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ