উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু সুবিচারের দাবীতে সাতক্ষীরায় যুবদের নদীবন্ধন

ইব্রাহীম হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেঁচে থাকার অধিকার, চাই জলবায়ু সুবিচার’, জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ বন্ধ করো, ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ চাই, ‘ক্ষতিকারক কৃষি চর্চায় বিনিয়োগ বন্ধ করো’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘ক্লাইমেট জাস্টিস নাউ’ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করাসহ এমন ধরনের নানা স্লোগান এবং নিজেদের তৈরীকৃত ব্যানার, প্লেকার্ড, ফেস্টুন নিয়ে তুমুল বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নদীর পাড়ে নদীবন্ধন করেন শ্যামনগরের যুবরা।সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দাতিনাখালী ওয়াপদা বেড়িঁবাধের ভাঙনকূলে উপকূলীয় অঞ্চলের অর্ধশতাধিক যুব এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী এ নদীবন্ধনে অংশ নেন। বেসরকারি গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক (বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ) এর সহায়তায়, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনজীবি ইয়ুথ টিম ও উপজেলা যুব স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয় কমিটি আয়োজিত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে জলবায়ু সুবিচারের দাবীতে বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটের সাথে সংহতি প্রকাশ করে আয়োজিত এ নদীবন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বনজীবি ইয়ুথ টিম’র সভাপতি মো. শামীম হোসেন।বারসিক’র যুব সংগঠক স.ম. ওসমান গনী সোহাগ এর সঞ্চালনায় নৌবন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সবুজ সংহতির শেফালী বিবি, এসএসএসটি’র আহবায়ক প্রকাশ মন্ডল, যুব স্বেচ্ছাসেবক আব্দুর রহমান, আল-মামুন, মোঃ তাওহিদ হোসেন, জুলেখা আক্তার, তানিয়া পারভীন, শরিফা খাতুন, নাছরিন আক্তার প্রমুখ।এসময় পরিবেশের জন্য হুমকি প্রকল্পগুলো সম্বন্ধে উপজেলা যুব স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয় কমিটি’র কার্যকরী সদস্য শামীম হোসেন বলেন, ‘ভবিষ্যতের জন্য জলবায়ু ও জ্বালানি সুরক্ষিত একটি বাংলাদেশ দেখতে চাই।’ সর্বোচ্চ কার্বন নির্গমনকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও দেশগুলির কাছে অবিলম্বে জীবাশ্ম-তহবিল বন্ধ করাসহ জলবায়ু সংকটের কারণে ঝুঁকিতে থাকা সম্প্রদায়গুলোর জন্য জলবায়ু ক্ষতিপূরণের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশের ক্ষতি করে এমন প্রকল্পগুলো বন্ধ এবং জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ না করে টেকসই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য সরকার ও বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান তিনি।

বারসিক শ্যামনগর রিসোর্স সেন্টার এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) রামকৃষ্ণ জোয়ারদার তার বক্তব্যে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বয়িক পরিবর্তন ঘটছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর লাগামহীন কার্বন নিঃসরণ ও ফসিল ফুয়েলের ব্যবহার, আমাদের মতো নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে দিন দিন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিণত করছে। সবুজ পৃথিবী গড়ে তুলতে বিশ্ব জলবায়ু ধর্মঘট এর সপ্তাহব্যাপী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজকের এ নদীবন্ধন। আমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে জলবায়ু সুবিচার চাইতে হবে। নতুবা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখিন হবে। আসুন আমরা ফসিল ফুয়েলের নানাবিধ ব্যবহার কমিয়ে দিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সকল প্রাণের জন্য একটি বাসযোগ্য সবুজ পৃথিবী বিনির্মাণ করি।

স্থানীয় সমাজকর্মী মোঃ বুলবুল হৃদয় বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ এবং দ্রæত জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। কল-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন খাতে প্রতিনিয়ত যে হারে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার হয়, তার ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া পশ্চিমা বিশ্বের সম্পদশালী দেশগুলো জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। তাদের পুঁজিবাদী মনোভাবের কারণেই পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে।

সবুজ সংহতির কার্যকরী সদস্য ও নারী বনজীবি শেফালী বিবি তার বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে আমরা যারা বনে যাই তারা নানা ধরনের সমস্যায় পড়ি। বিগত বছরের তুলনায় এবছর মধু কম হয়েছে। তাছাড়া বর্ষাকাল না হলেও অতিবৃষ্টি হয়, যেকোন সময় ঝড় হয় তখন বন বিভাগ থেকে পাশ দেয়না, আমরা মাছ-কাঁকড়া ধরতে যেতে পারি না। আমাদের লোনা পানিতে নেমে নদীতে জাল টানতে হয়। মহিলাদের অনকে শারিরীক সমস্যা দেখা দেয়। বেড়িঁবাধ গুলোর করুণ অবস্থা। আমাদের সরকার যদি এখনই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে সামনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

নদীবন্ধনে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু-সংবেদনশীল দেশগুলোকে এখনই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সর্বনাশা সব প্রভাব মোকাবেলা করতে হচ্ছে, এ দিকে দৃষ্টি রেখে যুব স্বেচ্ছাসেবক ও জলবায়ুকর্মীরা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আরও বেশি, আরও উচ্চাকাঙ্খী জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেয়। তারা বৈশ্বিক গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের বড় অংশীদার ধনী দেশগুলোর প্রতি জলবায়ু তহবিলে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি যত দ্রুত সম্ভব পূরণের তাগাদা দেয়; তবে এই অর্থায়নের নামে ‘গ্লোবাল সাউথের’ দেশগুলোর ওপর যেন ঋণ চাপিয়ে দেওয়া না হয় তা নিয়েও সতর্ক করেছে তারা। এমন অর্থায়ন বিপদে থাকা দেশগুলোর ঋণের বোঝা আরও বাড়িয়ে তুলবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের কয়েকটি হাসপাতালের পার্কিংয়ে ক্যান্টিন-ওষুধের দোকান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বেসরকারি হাসপাতাল ল্যানসেটে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এতে দেখা যায়, আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা, পার্কিংয়ের জায়গায় বসেছে ক্যান্টিন ও ওষুধের দোকান, নেই বিকল্প অগ্নিনিরাপত্তা ও নির্গমন ব্যবস্থা। সোমবার (২৪ আগস্ট) বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম তদন্তে যায় সংস্থাটি। শুধু ল্যানসেট নয়, শেভরণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল হিদায়াহ স্কুলেও অভিযান চালিয়েছে সিডিএ। অভিযানে এসব প্রতিষ্ঠানে নকশা ও বিধিবিধান না মানার বিভিন্ন চিত্র উঠে আসে। অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক মাসের সময় দিয়েছে সংস্থাটি।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও নাগরিকরা বলছেন, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা নকশাবহির্ভূত ব্যবহার দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিশেষ করে হাসপাতালের পার্কিং ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জননিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই শুধু অভিযান নয়, নির্ধারিত সময় শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মানছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং জরুরি।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম, হাসপাতালের পার্কিং ব্যবস্থার কারণে যানজট এবং নকশাবহির্ভূত ভবন ব্যবহারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, অনিয়মের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আবাসিক ভবনে পরিচালিত হাসপাতালগুলোকে এক মাসের মধ্যে বিকল্প জায়গায় স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে আবাসিক ভবনে পরিচালিত একটি স্কুলকেও এক মাসের মধ্যে বিকল্প স্থানে যাওয়ার অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর কিছু পার্কিং-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।সিডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, অভিযানের পর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। তবে এসব পরিবর্তন কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা দেখতে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

এদিকে ল্যানসেট হাসপাতালের পরিচালক মহসীন হোসেন বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন আমাদের রয়েছে। মানুষের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। এখানে অনেক কর্মচারীর জীবিকা নির্ভরশীল। আমাদের লাইসেন্সসহ অন্যান্য অনুমোদনও আছে। তবে পার্কিংয়ের জায়গায় কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। সিডিএ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা সরকারের সহযোগী হিসেবে তাদের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা করব।

তিনি আরও বলেন, ভবনটি আবাসিক হিসেবে কীভাবে অনুমোদন পেয়েছে, সেটি ভবন মালিকের বিষয়। আমরা ভাড়াটিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। অতীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেই বিভিন্ন অনুমোদন দিয়েছে। তবে সিডিএ এখন যেসব বিষয় চিহ্নিত করেছে, সেগুলো সমাধানে আমরা সহযোগিতা করব।
সিডিএ জানিয়েছে, এক মাসের সময়সীমা শেষে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় পরিদর্শন করা হবে। নিয়ম না মানলে সিলগালা ও উচ্ছেদসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকের উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা মেডিকেল কলেজের নাক কান গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে মানববন্ধন করেছেন চিকিৎসকরা। শনিবার (২২ আগষ্ট) চমেক প্রাঙ্গণে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন, হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

চমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং ফোরামের চট্টগ্রাম সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কর্মস্থলে একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়। এটি চিকিৎসকদের নিরাপত্তা, হাসপাতালের কর্মপরিবেশ এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের জীবন রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের কর্মস্থলে হামলা, হুমকি ও হয়রানির কারণে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে রোগীসেবায়।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আব্দুর রব, অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, অধ্যাপক ডা. মো. হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক ডা. নুরুল হুদা, অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, ডা. ফয়েজুর রহমান, ডা. নুরুল করিম চৌধুরী ও ডা. ফাহমিদা রশিদ স্বাতী।
বক্তারা অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে হাসপাতালকে নিরাপদ কর্মস্থল হিসেবে নিশ্চিত করতে জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী, সিসিটিভি ও জরুরি নিরাপত্তা সহায়তা ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় একটি বাধ্যতামূলক জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন জারি এবং হাসপাতালের দৃশ্যমান স্থানে নিরাপত্তা ও আচরণবিধি প্রদর্শনেরও দাবি জানান চিকিৎসকরা।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ