স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের আলোচনা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, রোগীবান্ধব ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে চট্টগ্রাম প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিকস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।২২ জুন (সোমবার) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সভাকক্ষে সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডা. এ.কে.এম. ফজলুল হক।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ও পার্কভিউ হাসপাতাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ.টি.এম. রেজাউল করিম, অর্থ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ, সহ-সভাপতি ও এপিক হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. লোকমান কবির, সেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবের ম্যানেজার পুলক পারিয়াল, ন্যাশনাল হাসপাতালের হসপিটাল ডিরেক্টর ডা. আনোয়ার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলীসহ সংগঠনের বিভিন্ন সদস্য।সভায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর করা, সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ, রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ সময় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সাজিনাজ হাসপাতাল এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমাণ ছাড়া ‘ভুল চিকিৎসাজনিত শিশু মৃত্যু’ শিরোনামে একপাক্ষিক তথ্য প্রচারের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এ ধরনের প্রচারণা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

বক্তারা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীদের আস্থা অর্জনে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর মধ্যে সমন্বয়, জবাবদিহিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, চিকিৎসক সমাজ এবং বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান।সভা শেষে সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সদস্যরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্যানসার চিকিৎসায় এমআরএনএ ভ্যাকসিন আবিস্কার, সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এমআরএনএ ভ্যাকসিন ক্যানসার চিকিৎসায় সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে । যুক্তরাষ্ট্রের বায়োটেক প্রতিষ্ঠান মডার্না ও ওষুধ প্রস্তুতকারক মার্কের যৌথভাবে তৈরি এই ভ্যাকসিন মেলানোমা চিকিৎসায় চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল দেখিয়েছে।মার্কের বহুল ব্যবহৃত ইমিউনোথেরাপি কিট্রুডার সঙ্গে নতুন ভ্যাকসিনটি ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অস্ত্রোপচারের পর মেলানোমা ফিরে আসা কিংবা শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাতে এই যৌথ চিকিৎসা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সাধারণ সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিনের মতো এটি সবার জন্য একইভাবে তৈরি নয়। রোগীর টিউমার অপসারণের পর সেটির জেনেটিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা হয়। এরপর ওই নির্দিষ্ট টিউমারের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এমআরএনএ ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়, যা রোগীর রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থাকে ক্যানসার কোষ শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সহায়তা করে।চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় উচ্চ ঝুঁকির স্টেজ-২বি থেকে স্টেজ-৪ পর্যন্ত ১ হাজার ১৩৭ জন মেলানোমা রোগী অংশ নেন। তাদের একদলকে শুধু কিট্রুডা এবং অন্যদলকে কিট্রুডার সঙ্গে নতুন এমআরএনএ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, কিট্রুডার সঙ্গে ভ্যাকসিন ব্যবহারে ক্যানসার পুনরায় ফিরে আসা এবং শরীরের দূরবর্তী অংশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে চিকিৎসাটিতে নতুন কোনো বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিও পাওয়া যায়নি।এর আগে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, শুধু কিট্রুডা ব্যবহারের তুলনায় ভ্যাকসিনসহ যৌথ চিকিৎসায় ক্যানসার ফিরে আসা বা মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৪৯ শতাংশ কমতে পারে।

পার্কার ইনস্টিটিউট ফর ক্যানসার ইমিউনোথেরাপির প্রধান নির্বাহী কারেন কনুডসেনের মতে, এই সাফল্য ক্যানসার চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপির নতুন যুগের সূচনা করতে পারে।মডার্নার প্রেসিডেন্ট স্টিফেন হোগ জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনটির অনুমোদনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্রেকথ্রু থেরাপি হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি পাওয়ায় অনুমোদন মিললে আগামী বছরের শুরুতেই এটি রোগীদের জন্য ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে রোগীদের বেঁচে থাকার হার এবং চিকিৎসাটির পূর্ণ কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।মেলানোমা ত্বকের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ক্যানসারগুলোর একটি। এই গবেষণার সাফল্য ভবিষ্যতে ফুসফুস, স্তন ও অগ্ন্যাশয়ের মতো অন্যান্য ক্যানসারের জন্যও রোগীভিত্তিক ভ্যাকসিন তৈরির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য” অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা কর্তৃক আয়োজিত সাপ্তাহিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাস জেলা সভাপতি ও আজকের প্রবন্ধকার অধ্যাপক ডা. দেবব্রত ভট্টাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার বিকাল তিনটায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. ফেরদৌসী বেগম। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ডা. মৃদুল কান্তি দে। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ডা. অঞ্জন কুমার দাস, জেলা শাখার সহসভাপতি ডা. সাধন চন্দ্র পাল, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব প্রভাষক ডা. মোহাম্মদ এনামুল হক (এনাম), সরকারি আলাওল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী মোঃ সোলেমান, জেলা শাখার উপদেষ্টা ডা: পি.সি সাহা, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এম রবিউল হোসাইন।

আজকের প্রবন্ধের বিষয় ছিল “হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য”। জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর সঞ্চালনায় উক্ত প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ডা. রতন কুমার বণিক, ডা. অহিদ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ডা. আবু সাইদ মোঃ নাসের, ডা. এস এম ফয়েজ উল্লাহ আল ফারুক, ডা. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডা. মোহাম্মদ মুসা, ডা. অমিতা দেবী, ডা. অনিমা পাল, ডা. ফারজানা বাহার, ডা. মৃনাল কান্তি নাথ, ডা. যতীন্দ্রনাথ বল্লভ, ডা. মোঃ আব্দুর রহিম, ডা. বিমল কান্তি মজুমদার, ডা. মীর শারমিন, ডা. সায়মাতুল জান্নাত, ডা. মাসুকা বেগম, ডা. কাবেরী বড়ুয়া, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. সেলিনা বেগম, ডা. পলাশ ভট্টাচার্য, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতি মহোদয় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ