পুড়ে যাওয়া ঢাকার বঙ্গবাজারে হচ্ছে আধুনিক ১০ তলা নগর বিপনি বিতান

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পুড়ে যাওয়া ঢাকার বঙ্গবাজারকে আধুনিক রূপদান এবং সেখানে ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

বঙ্গবাজারের নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে ‌‌‘বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণিবিতান’। ১০ তলা বিশিষ্ট ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোর ও বেজমেন্ট ছাড়াও থাকবে মোট আটটি ফ্লোর। ১.৭৯ একর জায়গার ওপর নির্মিত হতে যাওয়া বহুতল ভবনে থাকবে তিন হাজার ৪২টি দোকান।

মার্কেটের প্রতিটি দোকানের আয়তন হবে ৮০-১০০ স্কয়ার ফুট। ভবনটিতে থাকবে আটটি লিফট, এর মধ্যে চারটি থাকবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য। আর বাকি চারটি কার্গো লিফট থাকবে মালামাল ওঠা-নামানোর জন্য।

এ ছাড়াও ক্রেতাদের জন্য থাকছে আধুনিক সুপ্রশস্ত বিশাল গাড়ি পার্কিং, বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান, বঙ্গ বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির অফিস, বিপনি বিতানের দায়িত্বে নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মী এবং সেখানকার বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিক কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা। ভবনটি নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৮ কোটি টাকা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারানো ১ হাজার ২৮২ একক কন্টেইনারবাহী জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারানো ১ হাজার ২৮২ একক কন্টেইনারবাহী জাহাজ নিরাপদে নোঙর করতে সক্ষম হয়েছে। হাজার কোটি টাকার আমদানি পণ্যবোঝাই বিদেশি এই কন্টেইনার জাহাজ ‘সিএনসি ইউরেনাস’কে নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের মেরিন বিভাগ। মঙ্গলবার গভীর রাতেই জাহাজটিকে বহিনোঙরের বি অ্যাংকরেজে সরিয়ে নেয়া হয়। জাহাজে থাকা ২৪ বিদেশি নাবিক নিরাপদে আছেন। কন্টেইনারে থাকা পণ্য অক্ষত আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে জাহাজে থাকা ১ হাজার ২৮২ একক আমদানি পণ্যের কন্টেইনার নিয়ে উদ্বেগে আছেন ব্যবসায়ীরা।

পণ্যের অবস্থা সম্পর্কে জানতে জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট আমেরিকান প্রেসিডেন্ট লাইনের (এপিএল) কর্মকর্তা এনামুল হক টিটুর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এখন জাহাজটিকে কীভাবে জেটিতে আনা যায়, সে পরিকল্পনা করছে। প্রয়োজনে কন্টেইনার খালাস করে অথবা স্টিয়ারিং সচল করে জাহাজটি জেটিতে আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, গভীর রাতে জোয়ার আসার পর জাহাজটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাত ১টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয় এবং রাত সোয়া ২টার দিকে জাহাজটিকে নিরাপদে বি অ্যাংকরেজে নেওয়া সম্ভব হয়।

তিনি আরও জানান, অভিযানে বন্দরের তিনজন জ্যেষ্ঠ পাইলট, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টাগবোট কান্দারি-২, কান্দারি-৪, কান্দারি-৬ ও কান্দারি-১১, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টাগ শিবসা ও টানেল টাগ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের টাগ প্রমত্ত অংশ নেয়। নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও সমন্বিতভাবে কাজ করেন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মাল্টার পতাকাবাহী ‘সিএনসি ইউরেনাস’ জাহাজটি চীনের শেনজেনের শিকু বন্দর থেকে চট্টগ্রামে আসছিল। গত সোমবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বন্দর জেটিতে প্রবেশের সময় জাহাজটির স্টিয়ারিং বিকল হয়ে যায়। এরপর এটি প্রথমে একটি লাল বয়ায় ধাক্কা খায়। পরে ভাসতে ভাসতে নেভাল একাডেমির পাশের রিটেইনিং ওয়ালের কাছে অগভীর এলাকায় আটকে যায়। সে সময় ভাটার কারণে জাহাজটি সাগরের দিকে সরে যেতে থাকলেও পানির গভীরতা কম থাকায় আর এগোতে পারেনি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নেপচুন এক্সেসরিজ নামে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এক জরুরি বার্তায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান রাজাবাড়ি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় চারজন গুরুতর আহতসহ ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে উত্তরা বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ