পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এ্যাডভোকেসি সভা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এ্যাডভোকেসি সভা

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্তৃক আগামী ২৫-৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ‘নিরাপদ মাতৃত্ব, পরিকল্পিত পরিবার, স্মার্ট বাংলাদেশ হোক আমাদের অঙ্গীকার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশ ব্যাপী পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ-২০২৩ উদযাপন করতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসাবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে গত১৯ নভেম্বর রোববার বেলা ১২টায় সার্কিট হাউজ এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাকিব হাসান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলু ও মহানগর ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূর উদ্দিন। রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুলসহ বিভিন্ন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, বিভিন্ন দপ্তরের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ ও বেসরকারী সংস্থার সদস্যগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৫ নভেম্বর শনিবার সকালে নগরীর কর্ণেলহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহের উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম।
এ্যাডভোকেসি সভার শুরুতে পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম ‘পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ’ উপলক্ষে জেলার পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের উপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের মাধ্যমে সেবা সপ্তাহের বিস্তারিত কার্যক্রম তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, সেবা সপ্তাহে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদী পদ্ধতির সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ইউনিটে উঠান বৈঠক, প্রতিটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে মা সমাবেশ, গ্রহীতা সমাবেশ, যুব বয়সের সদস্যদের নিয়ে প্রাকক বৈবাহিক সম্মেলনসহ নানবিধ কার্যক্রম সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা-শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনা তৈরী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, মাতৃ মৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার শূণ্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনবল স্বল্পতার মধ্যেও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ইউনিয়ন পর্যা
য়ের স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রসমুহে স্বাভাবিক প্রসব সেবার অগ্রগতির প্রশংসা করেন তিনি।
তিনি বলেন, পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব সেবাসহ পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং ইউপি চেয়ারম্যানগণেকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য” অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা কর্তৃক আয়োজিত সাপ্তাহিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাস জেলা সভাপতি ও আজকের প্রবন্ধকার অধ্যাপক ডা. দেবব্রত ভট্টাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার বিকাল তিনটায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. ফেরদৌসী বেগম। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ডা. মৃদুল কান্তি দে। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ডা. অঞ্জন কুমার দাস, জেলা শাখার সহসভাপতি ডা. সাধন চন্দ্র পাল, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব প্রভাষক ডা. মোহাম্মদ এনামুল হক (এনাম), সরকারি আলাওল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী মোঃ সোলেমান, জেলা শাখার উপদেষ্টা ডা: পি.সি সাহা, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এম রবিউল হোসাইন।

আজকের প্রবন্ধের বিষয় ছিল “হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য”। জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর সঞ্চালনায় উক্ত প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ডা. রতন কুমার বণিক, ডা. অহিদ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ডা. আবু সাইদ মোঃ নাসের, ডা. এস এম ফয়েজ উল্লাহ আল ফারুক, ডা. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডা. মোহাম্মদ মুসা, ডা. অমিতা দেবী, ডা. অনিমা পাল, ডা. ফারজানা বাহার, ডা. মৃনাল কান্তি নাথ, ডা. যতীন্দ্রনাথ বল্লভ, ডা. মোঃ আব্দুর রহিম, ডা. বিমল কান্তি মজুমদার, ডা. মীর শারমিন, ডা. সায়মাতুল জান্নাত, ডা. মাসুকা বেগম, ডা. কাবেরী বড়ুয়া, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. সেলিনা বেগম, ডা. পলাশ ভট্টাচার্য, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতি মহোদয় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।

চক্ষু চিকিৎসা সেবায় এক অবিস্মরণীয় নাম অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি (বিএনএসবি), চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি), ইনষ্টিটিউট অফ্ কমিউনিটি অফথালমোলজী (আইসিও) এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং স্মৃতিচারণে নাগরিক শোকসভা অদ্য ১ আগস্ট শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। বিএনএসবি ও সিইআইটিসির উদ্যোগে টাইগারপাস আমবাগান রোডস্থ নেভি কনভেনশন সেন্টারে উক্ত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি। তিনি বলেন, আজ যে মানুষটির স্মরণ সভায় সবাই উপস্থিত হয়েছি সেই মানুষটি হলেন চক্ষু চিকিৎসা সেবায় এক অবিস্মরণীয় নাম অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসন। আমি মনে করি চক্ষু চিকিৎসা সেবায় উজ্জ্বল নক্ষত্র কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন একটি প্রতিষ্ঠান। মানুষের কল্যাণে এবং মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর আদর্শ ধারণ করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।


তিনি ছিলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের মত মানুষ হয়না। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আমাদের সবার হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন। তিনি ছিলেন, একজন সেরা চিকিৎসক, সেরা ছাত্র ও দেশের গর্ব। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের দেশকে তিনি অনেক উপরে নিয়ে গেছেন। তিনি চট্টগ্রামে চক্ষু হাসপাতাল গড় তুলেছেন। বাংলাদেশের লাখো মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়ার মহান ব্যক্তি তিনি। হাসপাতালটি করে চট্টগ্রামকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে ধরেছেন। আমাদের সকলের রবিউল হোসেনের মত এমন উদার দেশ প্রেমিক হওয়া উচিত।

প্রতিমন্ত্রওী বলেন, রবিউল হোসেনের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। তিনি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেও সেখানে নিজের নাম লেখাননি। নিজের কথা চিন্তা না করে হাসপাতালটি পরিচালনায় বোর্ড অব ট্রাস্ট করে দিয়ে গেছেন। তিনি মহান কর্মবীর। রবিউল হোসেন চলে গেলেও তার স্বপ্নগুলো ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। আমাদের সেই স্বপ্ন দেখে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে প্রতিষ্ঠান করে দিয়ে গেছেন তাঁর দুই সন্তান ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার পিতার আদলে সুন্দরভাবে পরিচালনায়। তবে সেগুলো চালাতে সমাজের কোন অপশক্তি যেন তাদের গ্রাস করতে না পারে সে দিকে আপনারা লক্ষ্য রাখবেন।

গেষ্ট অফ অনারের বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এমপি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন চাচা সমাজের জন্য অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন। তার প্লেজার এন্ড পেইন গ্রন্থে তা উঠে এসেছে। আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের সেই কর্মকান্ড ধারণ করে আমরা যাতে সেই মানবকি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারি। সাঈদ আল নোমান বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন চট্টগ্রামের কোথায়ও এই সহজলভ্য চিকিৎসা সেবা নেই। দেশের আটটি জেলায় তিনি এমন চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন। এমন মহান মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

মাওলানা মো. মেজবাহ উদ্দিনের কোরআন তেলওয়াাতের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিইআইটিসি’র ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা.কিউ.এম.অহিদুল আলম। আইসিও’র পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা.মো.মনিরুজ্জামান ওসমানীর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিইআইটিসি ট্রাস্টের ট্রেজারার মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী। বক্তব্য রাখেন, চক্ষু চিকিৎসা সমিতির উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা শামীম, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফুর রহমান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ছিদ্দীক স্যার, সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান নাদের খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান শিরিন পারভীন হক, ইসলামিয়া হাসপাতাল ঢাকার মো. ফয়সাল সাহেদ, ময়মনসিংহ বিএনএসবি কে জামান হাসপাতালের চীফ কনসালটেন্ট ডা. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের দুই পুত্র যথাক্রমে সিইআইটিসি’র মেডিকেল ডিরেক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন এবং সিইআইটিসি’র ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য রিয়াজ হোসেন, ফয়েজলেকের মো. মহিউদ্দিন, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ডা. সোমা রানী রায়, কেন্দ্রীয় ওএসবির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জিন্নুরাইন নিউটন, ডা. আবু নাসেরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত নাগরিক শোক সভা পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. রুকনুন চৌধুরী এবং আয়োজক কমিটির সদস্য ও চক্ষু হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. গোলাম ফারুক।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ