বিটিসিএল ও গ্রামীনফোনে আইআইইউসি’র ই.টি.ই বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং সম্পন্ন

ডেস্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর ইলেকট্রনিক ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের সদ্য স্নাতক সম্পন্নকারী গ্রাজুয়েটগন বরাবরের মত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইটিই ডিপার্টমেন্ট এর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের জাতীয় ও সর্ববৃহৎ টেলিযোগাযোগ কম্পানি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও শীর্ষস্থানীয় বেসরকারী টেলিযোগাযোগ সংস্থা গ্রামীনফোন লিমিটেড এ তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং সম্পন্ন করেছেন। দুই সপ্তাহব্যাপী এই প্রশিক্ষন কর্মশালায় ২০ তম এবং ২১ তম ব্যাচের প্রায় ৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন।

শিক্ষার্থীরা বিটিসিএল এর অধীনে সিজিএম, বিটিসিএল, ও সিটিআর এর চট্টগ্রাম অধীনস্থ স্থাপনা সমূহে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হন। এবং গ্রামীনফোন লিমিটেডের এর ব্যবস্থাপনায় চট্রগ্রাম হেড-অফিসে সরাসরি উপস্থিত থেকে এবং অনলাইনের মাধ্যমে কমিউনিকেশন বেইসড স্টাডিও সম্পন্ন করেন। এ কর্মশালায় গ্রাজুয়েটগন ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কেলে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ডিজাইন, বাস্তবায়ন এবং পরিচালনা সম্পর্কে জানতে পারেন এবং বিভিন্ন ধরণের টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি সম্পর্কেও হাতে কলমে প্রশিক্ষণ লাভ করেন।

সম্মানিত প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলে মনে করেন এ ধরনের কর্মশালা প্রথাগত শিক্ষার সাথে শিল্পক্ষেত্রের যথাযত সমন্বয়সাধনের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীগন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। ইটিই ডিপার্টমেন্ট এর পক্ষ থেকে এর শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যতেও এমন কার্যকরী পদক্ষেপ সমূহ চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নিশ্চিত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসির ফলে বড় ধস ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে। বোর্ডের ২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই সময়ে এটাই সর্বনিম্ন পাসের হার। যার ফলে ২০২৬ সালের ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য শতাংশ। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।বোর্ডের প্রকাশিত ‘জিরো পারসেন্টেজ স্কুল’ তালিকায় এসব প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে।


চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি অনাগ্রহের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, পড়াশোনা ছেড়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে আন্দোলনমুখী হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব ফলাফলেও পড়েছে।

এদিকে এবার পাসের হার কমে যাওয়ায় এবার বোর্ডে ৫২ হাজার ৭৫৬ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। একই সঙ্গে গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২ হাজার ৪৪৫ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গত ১৫ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত কোনো বছরই পাসের হার ৭৫ শতাংশের নিচে নামেনি। ২০১১ সালে পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ২০১২ সালে ৭৯ শতাংশ, ২০১৩ সালে ৮৮ দশমিক ০৭ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৯১ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ২০১৫ সালে ৮২ দশমিক ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে।

এছাড়া ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ২০১৭ সালে ৮৪ দশমিক ১৩ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৭৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭৮ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং ২০২০ সালে ৮৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে।২০২১ সালে বোর্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৯১ দশমিক ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এরপর ২০২২ সালে পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ।

জানা গেছে, এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালে ১১ হাজার ৮৪৩ জন, ২০২৪ সালে ১০ হাজার ৮২৩ জন, ২০২৩ সালে ১১ হাজার ৪৫০ জন, ২০২২ সালে ১৮ হাজার ৬৬৪ জন এবং ২০২১ সালে ১২ হাজার ৭৯৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। সেখানে ২০২৬ সালে এ সংখ্যা নেমে এসেছে ৯ হাজার ৩৯৮ জনে।শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করছেন, ইংরেজি ও গণিতসহ কয়েকটি বিষয়ে পাসের হার কমে যাওয়া এবং পাহাড়ি ও গ্রামীণ এলাকার বিদ্যালয়গুলোর আশানুরূপ ফল না হওয়ায় সামগ্রিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এবারের পরীক্ষায় তুলনামূলক কড়াকড়িও ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৮ হাজার ৭৭১ জন শুধু একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২২ দশমিক ০৯ শতাংশ। এক বিষয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়াও এবার সামগ্রিক পাসের হার কমার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বোর্ডের প্রকাশিত ‘জিরো পারসেন্টেজ স্কুল’ তালিকায় এসব প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন দুর্গম এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম। তবে পরীক্ষার্থী কম হলেও একজনও পাস না করায় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, শিক্ষক সংকট ও অ্যাকাডেমিক তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তালিকা অনুযায়ী, ফটিকছড়ির নারায়ণহাট গার্লস হাইস্কুল থেকে মাত্র ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বরকলের আন্দর মানিক (মাইছছড়ি) জুনিয়র হাইস্কুলে পরীক্ষার্থী ছিল ১০ জন। লংগদুর মোহালছড়ি হাইস্কুলে পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ জন। এ দুটি প্রতিষ্ঠান থেকেও কোনো শিক্ষার্থী এসএসসিতে উত্তীর্ণ হয়নি।এছাড়া সন্দ্বীপের উরিরচর জুনিয়র হাইস্কুল থেকে ১০ জন, খাগড়াছড়ির ভাইবোনছড়া গার্লস হাইস্কুল থেকে ১৭ জন এবং দীঘিনালার জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া হাইস্কুল থেকে ১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। দীঘিনালার তারাবানিয়া হাইস্কুল থেকে ৫ জন এবং বাঘাইছড়ির শিলজাক দজার বাজার জুনিয়র স্কুল থেকে ৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই দুই প্রতিষ্ঠানেও পাসের হার শূন্য শতাংশ।

বোর্ডের তালিকায় থাকা আটটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল জারুলছড়ি হেডম্যান পাড়া হাইস্কুলে ১৯ জন। এরপর ১৭ জন পরীক্ষার্থী ছিল ভাইবোনছড়া গার্লস হাইস্কুলে এবং ১৫ জন ছিল মোহালছড়ি হাইস্কুলে। এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা খুব বেশি না হলেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ১৫ থেকে ১৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

শিক্ষাবিদদের মতে, কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে শুধু শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা দায়ী-এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। এর সঙ্গে শিক্ষক সংকট, নিয়মিত পাঠদান, দুর্গম এলাকায় শিক্ষার সুযোগ, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া, অভিভাবকদের আর্থিক সক্ষমতা, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো এবং শিক্ষা প্রশাসনের তদারকির বিষয়গুলোও জড়িত থাকতে পারে।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী আরো বলেন, ফলাফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোন কোন প্রতিষ্ঠান ও বিষয়ে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়েছে, তা চিহ্নিত করা হবে। শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় অ্যাকাডেমিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

৭২৭ কোটি টাকার চবির উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একাডেমিক, অবকাঠামোগত ও গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতে ৭২৭ কোটি ৪৮ লাখ ২১ হাজার টাকা ব্যয়ের দুটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্প দুটির যাবতীয় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।বর্তমানে এগুলো পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভায় লিখিত বক্তব্য এসব তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত দুটি প্রকল্পের মধ্যে চবিতে টিএসসি কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্পে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। অপরদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্পে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৭৮ কোটি ১৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।

উপাচার্য বলেন, প্রকল্প দুটির আওতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত, একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টিএসসি কমপ্লেক্স, একাডেমিক ভবন, গবেষণা পরিচালনা কমপ্লেক্স, প্রশাসনিক ভবন, পানি শোধন ও সরবরাহব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচটি ছাত্র হল ও পাঁচটি ছাত্রী হল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি হল ১০ তলা বিশিষ্ট হওয়ার কথা রয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থী এবং পিএইচডি-মফিল গবেষকদের জন্য আবাসিক সুবিধা, একাধিক একাডেমিক ভবন, ব্লু-ইকোনমি রিসার্চ সেন্টার, কেন্দ্রীয় জাদুঘর, স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল, আধুনিক হাসপাতাল, ডে-কেয়ার সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন ও স্থাপনাগুলো সংস্কার করে ব্যবহারোপযোগী করার জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আরও দুটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমের পাশাপাশি অবকাঠামোগত সক্ষমতাও বাড়বে।

এর আগে সিনেট অধিবেশনে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের অংশগ্রহণের প্রতিবাদ করে চাকসু সহ অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনগুলো। পরে প্রতিবাদের মুখে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদেরকে অধিবেশন থেকে বাদ দেওয়ার আশ্বাস দেন।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ