সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা জীবনকে পরিশীলিত ও পরিশুদ্ধ করে

বিনোদন রিপোর্টার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা জীবনকে পরিশীলিত ও পরিশুদ্ধ করে।চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সোমবারের সাপ্তাহিক সাহিত্য সন্ধ্যার ৩০০তম পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মিলিত হই প্রাণের মোহনায় কথা ও কবিতায়, সুর আর ছন্দে স্নাত হই আনন্দেরই ঝর্ণাধারায়” শীর্ষক সাহিত্য সন্ধ্যা আলোচনা গত ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএসটিসির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য। বিশেষ আলোচক ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক অধ্যক্ষ ছন্দা চক্রবর্তী। উদ্ভোধক ছিলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে কথামালা, গান, আবৃত্তি, কবিতা ও ছড়া পাঠে অংশ নেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা জাসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ভানুরঞ্জণ চক্রবর্তী, লেখক, সংগঠক লায়ন এম.এ.সবুর, কবি আশীষ সেন, নাট্যজন সজল চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কিরণ লাল আচার্য্য, ব্যাংকার চন্দন কুমার চৌধুরী, ছড়াকার উৎফল কান্তি বড়ুয়া, নান্টু বড়ুয়া, শিক্ষক বিজয় শংকর চৌধুরী, কবি প্রতীমা দাশ, সঙ্গীতশিল্পী অচিন্ত্য কুমার দাশ, সঙ্গীতা চৌধুরী, আবৃত্তিশিল্পী শাহীন ফেরদৌসী, শবনম ফেরদৌসী, এম. ছগির পিন্টু, কবি মীর মনিরুল ইসলাম, শ্রাবন্তী বড়ুয়া, এস.এম.সালাউদ্দীন সামির, প্রকৌশলী সিঞ্চণ ভৌমিক, সাবিহা সুলতানা রক্সি, ডাঃ বরুণ কুমার আচার্য্য বলাই, মোঃ তিতাস, নিলয় দে, শিহাবুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, তৌহিদুল আলম, রোজী চৌধুরী, ছৈয়দুল হক, সমিরণ পাল, এবাদুল হক, আনিসুর রহমান, আবুল হাসনাত মিনহাজ, ইমতিয়াজ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন-সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা জীবনকে পরিশীলিত ও পরিশুদ্ধ করে। চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সোমবারের সাপ্তাহিক সাহিত্য সন্ধ্যার ৩০০তম পর্ব পূর্তি উপলক্ষ্যে “কথা ও কবিতায়, সুর ও ছন্দে স্নাত হই আনন্দেরই ঝর্ণাধারায়” শীর্ষক আলোচনা সভা, কেক কাটা, বই ও বস্ত্র উপহার অনুষ্ঠান সম্প্রতি শহরের চট্টগ্রাম একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচকরা বলেন-মানুষের মননকে পরিশীলিত ও পরিশুদ্ধ করতে পারে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা। বাঙালি কৃষ্টি সংস্কৃতির বিকাশ ও বর্দ্ধনায় আমরা যত বেশি কাজ করব ততবেশী সমাজ ও রাষ্ট্র সমৃদ্ধ হবে। মৌলবাদ জঙ্গিবাদ নির্মূলে সাহিত্য সংস্কৃতি মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বক্তারা আরও বলেন চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সোমবারের সাপ্তাহিক সাহিত্য সন্ধ্যার ৩০০ তম পর্ব পূর্তি এক মাইলফলক সর্বোপরি সাহিত্য সংস্কৃতি অঙ্গনে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। কালের পরিক্রমায় এটির ঐতিহাসিক মূল্য নির্দ্ধারিত হবে। ধারাবাহিকভাবে এহেন কার্যক্রম সাহিত্যাঙ্গনে সত্যি বিরল। মানুষের মননশীলতাকে সত্য সুন্দরে উদ্ভাসিত করতে এর মূল্য অপরিসীম। সমাজের কুপ্রবৃত্তি মানসজাত মানুষের মন ও মননকে সৎপ্রবৃত্তিজাত করে তুলতে সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চার বিকল্প নেই। জ্ঞান বিজ্ঞান অনুশীলন, মুক্ত বুদ্ধির চর্চাকে বেগবান করতে সাহিত্য সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২৭ লাখের ঘড়ি, ৪৫ লাখের ব্যাগবিনোদন ডেস্ক : নিয়ে সংসদে কঙ্গনা রানাউত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংসদে যাওয়ার সাজেও তারকাদের ফ্যাশন যে আলাদা নজর কাড়ে, সেটিই যেন আবারও প্রমাণ করলেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। ভারতের বর্ষাকালীন সংসদ অধিবেশনে সম্প্রতি হালকা নীল রঙের রেশমের শাড়ি পরে হাজির হন তিনি।তবে শাড়ির চেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি করেছে তার হাতে থাকা বিলাসবহুল ব্যাগ ও হাতঘড়ি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঙ্গনার হাতে থাকা হার্মেস বারকিন ব্যাগটির আনুমানিক দাম ৩৫ লাখ রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। টোগো চামড়ায় তৈরি এই ব্যাগ বিলাসবহুল ফ্যাশন দুনিয়ায় অন্যতম জনপ্রিয় ও কাঙ্ক্ষিত অনুষঙ্গ।ব্যাগের সঙ্গে কঙ্গনার এবারের সাজে ছিল রোলেক্সের লেডি-ডেটজাস্ট ঘড়ি।বাদামি ডায়ালের এই ঘড়িটির আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭ লাখ ২১ হাজার টাকা।

অর্থাৎ শুধু ব্যাগ ও ঘড়ির দামই দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৭২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।তবে কঙ্গনার বিলাসী অনুষঙ্গের তালিকা এখানেই শেষ নয়। বর্ষার দিনে তার হাতে দেখা গেছে গুড আর্থের একটি ছাতাও।এর দাম ৬ হাজার ১০০ রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৯০০ টাকা। ছাতাটিতে ভারত মহাসাগর থেকে অনুপ্রাণিত নকশার পাশাপাশি রয়েছে কাঠের হাতল।

সব মিলিয়ে কঙ্গনার ব্যবহৃত ব্যাগ, ঘড়ি ও ছাতার আনুমানিক মূল্য দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। অবশ্য এই হিসাবের মধ্যে তার শাড়ি, ব্লাউজ, জুতা কিংবা অন্যান্য অনুষঙ্গের দাম ধরা হয়নি।কঙ্গনার এই সংসদীয় সাজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ফ্যাশনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমেও চলছে আলোচনা।সাধারণ শাড়ির সঙ্গে লাখ লাখ টাকার বিলাসী অনুষঙ্গের মেলবন্ধনই মূলত তার এবারের লুককে দিয়েছে বাড়তি আকর্ষণ।

সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে সমৃদ্ধ করার এক নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে
সমৃদ্ধ করেছে।চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারে এসংঠনের অগ্রযাত্রা সংস্কৃতি জগতের জন্য আনন্দলোক।
বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ৩১ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ আয়োজিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তাগনের বক্তব্যে এক উঠে আস। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টিভি ও বেতার শিল্পী বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্ঠা সুব্রত দাশ অনুজ।

বাচিক শিল্পী সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক অরুণ নাথ এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান -কিরন শর্মা, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক উৎপল বড়ুয়া, তবলা শিল্পী লিটন মিত্র।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের উপদেষ্টা লিটন সরকার, অঞ্জনা পারিয়াল, প্রণব দাশ গুপ্ত,সুবর্না দাশ,পরিষদের কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানান গৌরী ললিত কলা একাডেমির পরিচালক নাসরিন সুলতানা খানম, উদ্বোধনী বক্তব্যে বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ বলেন সুর,তাল প্রতিটি মানুষের আছে কেউ উপলব্ধি করতে পারে কেউ পারে না। সুরের ছোঁয়ায় মানব জীবনে পরিবর্তন হয়।

সম্মানিত অতিথি সাংবাদিক কিরণ শর্মা তাঁর বক্তব্য বলেন – সঙ্গীত বাঙ্গালি সংস্কৃতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সঙ্গীত মানুষের মনকে বিকশিত করে।
চট্টগ্রামের শিল্প ও সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বৈচিত্র্যময় লোকসংগীত, মাইজভাণ্ডারী গান, কবিয়াল গান জনপদের অনন্য ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদ সেধারার সাথে সংযোজিত হয়ে চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করবে।তিনি সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদের সাফল্য কামনা করে পাশে সবসময় থাকবেন ব্যক্ত করেন।


ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক সংস্কৃতি প্রেমী উৎপল বড়ুয়া বলেন শুদ্ধ সংগীতের বিকল্প নেই, সঙ্গীতর চর্চা মানুষের মন পরিশুদ্ধ করে তোলে। সভাপতির সমাপনি বক্তব্যে সাংবাদিক অরুণ নাথ বলেন চরাউৎরায় দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে সংস্কৃতি কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে যারা সহযোগিতা করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের পরিবেশনায় দলীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয় এর পর দেশের গান পরিবেশন করেন নরেন্দ্র বিশ্বাস ,

দ্বৈত গান পরিবেশন করেন কান্তা বিশ্বাস ও টুম্পা দাশ, লিজা দাশ ও সজীব চৌধুরী, একক গান পরিবেশন করেন কৌশিক দত্ত, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, উর্বশী চক্রবর্তী, তন্দ্রা সিংহ মৌ,জয়শ্রী ধর,মো: লোকমান হোসেন, রুবেল চৌধুরী, আনিকা দাশ, নীলাদ্রি সেন গুপ্ত, প্রণয় ধর,আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিক শিল্পী লিটন সরকার, নৃত্য পরিবেশন করেন হিতৈষী দাশ কৃতি, এর পর গান পরিবেশন করেন কৃষ্ণ চৌধুরী, দীপান্ত ভট্টাচার্য, অর্ঘ্যদ্বীপ সরকার,অভ্রনীল দে,

অর্চিতা দে,অণ্বেষা ধর,স্মৃতি দে, প্রিয়ম বিশ্বাস, প্রমা অবন্তী বিশ্বাস, ঋতু সাহা,আশিষ চৌধুরী, প্রমুখ। দর্শক শ্রোতাদের উপস্থিতি কানায় কানায় হল ভর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়েছে। সঙ্গীত প্রেমীদের অনুরোধে গানে গানে রাত দশটা অবধি চলে অনুষ্ঠান। যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন কী বোর্ডে পঙ্কজ নাথ, তবলায় রাজু দাশ,সানি দে, সায়ন দে, অক্টোপেডে প্রণব দাশ,গিটারে মো: সেলিম।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ