খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ‘খেলাঘর’ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভা গত শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর সরকারি ন্যাশনাল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর কমিটির সভাপতি নাট্যজন মুনির হেলার’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ বসু’র সঞ্চলনায় সভায় বক্তব্য রাখেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী রথীন সেন, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আশীষ ধর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক রোজী সেন, চন্দন পাল, মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সম্পাদক মন্ডলির সদস্য পার্থ প্রতিম নাহা, ইসরাত সুলতানা সুইটি, প্রীতম দাশ, জয়ন্ত রাহা, সদস্য জনার্দন বনিক, অমিত হোড়, প্রকাশ রুদ্র, সাজ্জাদ হোসেন, নিউটন দত্ত, জুলফিকাল আলী মুন্না, লিটন শীল, রবিশংকর সেন ও রাশেদুল ইসলাম বাবু।
সভায় বক্তারা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) কর্তৃক ‘খেলাঘর’ সংগঠনকে ‘ইয়ুথ এওয়ার্ড ২০২৩’ প্রদান করায় সিআরআই কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং এ পুরষ্কার প্রাপ্তিতে খেলাঘর’র শিশু-কিশোর আন্দোলন আরো গতিশীল হবে বলে মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর শিশু-কিশোর আন্দোলনে ও শিশুদের মানস গঠনে ভূমিকা রাখার জন্য ঈবহঃৎব ভড়ৎ জবংবধৎপয ধহফ ওহভড়ৎসধঃরড়হ (ঈজও) খেলাঘরকে ‘জয়বাংলা’ ণড়ঁঃয অধিৎফ অধিৎফ ২০২৩ (চধঃযভরহফবৎ) বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঈজও এর চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয় এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন এবং অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটি চেয়ারপার্সন প্রফেসর মাহফুজা খানম এবং বোন তিয়ানা। এ অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির পক্ষ থেকে আনন্দর‌্যালি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এছাড়া শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সকাল আটটায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনাওে শ্রদ্ধা নিবেদন ও সন্ধ্যা ৬টায় মহানগর কার্যালয়ের সামনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৯টায় শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় বক্তারা খেলাঘরের সাংগাঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে মহানগরের আওতাধীন সকল শাখা আসরের কার্যকরী কমিটির সভা সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মা আনন্দময়ী ধামের শ্যামা পূজা উদযাপন কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার আকুবদন্ডী (দক্ষিণ কধুরখীল) এলাকার মা আনন্দময়ী ধামের আসন্ন শ্যামা পূজা উদযাপন কমিটি গঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে এক সভা গত শুক্রবার রাতে মন্দির প্রাঙ্গণে স্থায়ী কমিটির সভাপতি দোলন রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিথুন চৌধুরী রণি, দিলীপ দে, জনি চৌধুরী, শিশু নাথ, অরুন সেন, বাপ্পু মল্লিক ,টিংকু দে, সঞ্জয় রায় টিকু, বাবলু দে, অর্ণিবান চৌধুরী রাজা, রাজু রায়, আপেল দে, উত্তম দে, রুবেল দে, রঘুনাথ সেন, হৃদয় দে, রিমন দে ও জুয়েল নাথ প্রমুখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে রাজু দে’কে সভাপতি, সঞ্জয় রায় টিকু’কে সাধারণ সম্পাদক ও রিমন দে’কে অর্থ সম্পাদক মনোনীত করা হয়। এ সময় স্থায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী (বিশু) আশু রোগমুক্তি কামনায় মহান সৃষ্টি কর্তার নিকট প্রার্থনা করেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বাজুস, লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার ২ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫টায় লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুস কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বাবু সমীর চন্দ্র কর্মকারের সভাপতিত্বে এবং জেনারেল সেক্রেটারি বাবু পলাশ চন্দ্র কুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ পরস্পরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে লক্ষ্মীপুরের জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা, সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং ব্যবসায়ীবান্ধব পরিবেশ তৈরির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়।

সভায় উপস্থিত নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ চেয়ারম্যান:বাবু সমীর চন্দ্র কর্মকার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান: বাবু অপূর্ব লাল রায় (অপু)ভাইস চেয়ারম্যান: বাবু রঘুনাথ করবাবু জুলহাস কুরীজেনারেল সেক্রেটারি: বাবু পলাশ চন্দ্র কুরী,সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি: বাবু লিটন কর্মকারজয়েন্ট সেক্রেটারি:বাবু বিপ্লব দেবনাথবাবু সবুজ বিশ্বাস বাবু অমিত নন্দীট্রেজারারবাবু হৃদয় পালএক্সিকিউটিভ মেম্বার:বাবু প্রাণজিত চন্দ্র দাসবাবু কার্তিক দেবনাথ বাবু দীপংকর মজুমদার

বাবু অনুপ কুমার রায়
বাবু সহদেব চন্দ্র কুরী
বাবু লিটন চন্দ্র দাস
বাবু প্রান্ত দাস
বাবু পলাশ চন্দ্র কর
বাবু বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ
বাবু পিয়ুষ কর্মকারবাবু কনক দত্ত বাবু সুমন দেবনাথ
বাবু সুজন চন্দ্র সরকার
বাবু দিপ্ত দেবনাথ
বাবু শুভ চন্দ্র সাহা

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, নবনির্বাচিত কমিটি সকল জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার, ব্যবসায়িক নিরাপত্তা ও সাংগঠনিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি বাজুসের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় কমিটির সদস্যরা পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসকে আরও শক্তিশালী, সুশৃঙ্খল ও ব্যবসায়ীবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভা শেষে লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সফলতা এবং জেলার জুয়েলারি ব্যবসায়ী সমাজের সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ