মৌলভীবাজার জেলার ভোটের খবর:

মৌলভীবাজার-২আসনের প্রার্থী, ঝাড়-ফুঁক ও পানি পড়া দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারে-২ আসনে অভিনব পদ্ধতিতে নির্বাচনী প্রচার করছেন ইসলামী ঐক্যজোটের বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আছলাম হোছাইন রহমানী। নির্বাচনী মাঠে ভোট চাইতে গিয়ে তিনি ঝাড়-ফুঁক ও পানি পড়া দিয়ে ভোটারদের আকৃষ্ট করছেন।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) উপজেলার কর্মধারা ইউনিয়নে স্থানীয় মহিলা ভোটারদের নিয়ে তিনি একটি সভা পরিচালনা করেন।

এ সময় আছলাম রহমানী ভোটারদের কাছে গেলে উৎসুক ভোটাররা পানি পড়া নেওয়ার জন্য পানির বোতল নিয়ে আসেন। কেউবা আবার শিশুদের কোলে নিয়ে মাথায় ফুঁ দেওয়ার জন্য এ প্রার্থীর কাছে অনুরোধ করছেন। এ ছাড়াও ভোটাররা ফুঁ দেওয়ার জন্য মাথা এগিয়ে দেন। নির্বাচনী প্রচারে এমন অভিনব দৃশ্য চোঁখে পড়ে উপজেলার রবির বাজার জামে মসজিদের সামনেও।

এ সময় কয়েক শতাধিক ভোটাররা ভিড় করলে তিনি ভোটারদের কাছে ভোট চান। ভোটাররাও আগ্রহ নিয়ে তার বক্তব্য শোনেন। ঝাড়-ফুঁক নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা আকলাছ মিয়া বলেন, রহমানীর নিকট থেকে পানি পড়া নিলে উপকার হবে, এই বিশ্বাসে পানির বোতল ও পড়িয়ে নিয়েছি। রোগ হলে পড়া পানি উপকারে আসবে বলেছেন তিনি। আরেক ভোটার সুমন মিয়া তার শিশুকে কোলে নিয়ে রহমানীর নিকট থেকে মাথায় ফুঁ দেওয়াতে আসেন। তিনি বলেন, মাথায় ফুঁ নিলে আমার শিশু অনেক বিপদ থেকে রক্ষা পাবে। জাহিরুন নামের একজন বলেন, পেঠে ব্যথা নিয়ে পানি পড়া খেলে ব্যথা কমে যায়। এজন্য তার কাছ থেকে পানি পড়া নিয়েছি।

এদিকে ঝাড়-ফুঁক ও পানি পড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আছলাম রহমানী বলেন, লোকজন আমাকে দেখে ভিড় করে। এ সময় তারা মাথায় ফুঁ নিতে ও পানির বোতল নিয়ে এগিয়ে আসেন। আমিও তাদের মাথায় ও পানির বোতলে ফুঁ দিয়ে দেই এবং আমার মিনার প্রতীকের জন্য সকলের কাছে ভোট চাই।

ইসলামী ঐক্যজোটের সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আছলাম হোসাইন। তবে তার দলের সিলেট বিভাগের ৯টি আসনের প্রার্থীরা ভোট বর্জনের হুমকি দিয়েছেন। রহমানী অভিযোগ করেন যে নির্বাচনী সভায় তাকে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে। আগামী সোমবার ভোট বর্জনের বিষয়টি নিয়ে তিনিও সিদ্ধান্ত নেবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চব্বিশের চেতনা থাকলে হাসিনা আসতে পারবেন না : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখার আহ্বান জানালেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

চব্বিশের আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বললেন, তখন আমাদের ছাত্র জনতা সবার মধ্যে আন্দোলনের যে উদ্যম ছিল আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করেও সেটা দমাতে পারেনি। অনেকে প্রত্যক্ষভাবে জুলাই অভ্যুত্থানে ছিলেন না। কিন্তু আমাদের নানাভাবে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতা দিয়েছেন। নিউমার্কেট মোড় দখলে নিতে গিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে যারা আহত হয়েছেন, তামাকমুণ্ডি লেইনের ব্যবসায়ীরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি জানান, এই যে আন্দোলনের নানাভাবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ, ঐক্যবদ্ধ থাকা এটাই জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট। এই স্পিরিট আমাদের ধরে রাখতে হবে। তাহলে শেখ হাসিনা জীবনেও আর বাংলাদেশে আসতে পারবে না।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, কিছু মতানৈক্য দেখতে পাচ্ছি। এটা স্বাভাবিক। পথ চলতে গেলে থাকবেই। সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা করুন। কিন্তু দেশের স্বার্থে, জাতীয় স্বার্থে আমরা সবাই যেন জুলাই-আগস্টের গণভুত্থানের মতো কাঁধে কাধ মিলিয়ে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারি। বিনা বিচারে দেশবিরোধী শক্তি যেন আবার রাজনীতি করার দুঃস্বপ্ন না দেখে, সেই দুঃসাহস যেন তাদের না হয় সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
গত বছর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যে জুলাই জাতীয় সনদ ঘোষণা হয়েছে, সেটার আলোকে বিএনপি সরকার সব সংস্কার বাস্তবায়ন করবে বলেও আশ্বাস দেন মীর হেলাল।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, এরশাদ উল্লাহ ও সাঈদ আল নোমান, সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরু। সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন প্রাঙ্গনে স্থাপিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, নানা সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ।

পাঁচ হাজার মানুষ পেল এনসিপির ‘চিকেন বিরিয়ানি’ চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী মাঠে গণভোজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী মাঠে গণভোজ কর্মসূচি হয়েছে।‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ দিবসে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রামে আয়োজন করেছে এই গণভোজ কর্মসূচির। এনসিপি নেতারা জানালেন, এতে পাঁচ হাজার মানুষকে ‘চিকেন বিরিয়ানি’ রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে মাঠজুড়ে সামিয়ানা টানিয়ে চেয়ার-টেবিল পেতে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়।

নগরের বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, ভিক্ষুক, ভাসমান লোকজন, আন্দোলনকারী ও আহতরাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এনসিপির নেতাকর্মীরা গণভোজে অংশ নেন। দুপুর ১২টায় দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব।

নগর এনসিপির দপ্তর সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় বললেন, পাঁচ হাজার মানুষের জন্য গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির পক্ষ থেকে এ আয়োজন। সবার জন্য চিকেন বিরিয়ানি। গণভোজ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ আমাদের গণভোজে শরিক হয়েছেন। এনসিপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরির জন্য আনন্দমুখর এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়।

পুরো আয়োজনে কত খরচ হয়েছে সেটা এখনও হিসাব করা হয়নি বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়। তবে নগর এনসিপির আরেক নেতা বলছিলেন, গণভোজের জন্য সাত লাখ টাকা বাজেট করা হয়। মহানগর এনসিপি খরচের পুরো টাকা তাদের দলীয় তহবিল থেকে বহন করছে বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ