মৌলভীবাজার জেলার ভোটের খবর:

তিরস্কারকারীদের ভালবাসা দিয়ে স্মার্ট মৌলভীবাজার বিনির্মাণ করবো: জিল্লুর রহমান।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার-৩ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেছেন, আমাকে যারা তিরস্কার করেছিলেন, আমি তাদেরকে বলতে চাই। আমি শিখিনি যারা নৌকা পায় তাদেরকে তিরস্কার করতে হবে। বিগত দশ বছর ধরে আমাকে এবং আমার বাবাকে অপমান করেছেন। আমি বলতে চাই, আমি আপনাদের আমার বাবার চেয়েও বেশি মূল্যায়ন করবো।আমি ভালবাসা দিয়ে আপনাদের মন জয় করবো। জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে আমি স্মার্ট মৌলভীবাজার বিনির্মাণ করবো।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) মৌলভীবাজারের চৌমুহনায় বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই জনসভায় মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম থেকে হাজারো নেতাকর্মী উপস্থিত হন। মিছিলে স্লোগানে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন তারা। জনসভায় আওয়ামী লীগ সহ অন্যন্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতি ছিলো। নৌকার জয়লাভের লক্ষ্যে জনসভায় বক্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে মূর্হমূর্হ স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে জিল্লুর রহমান বলেন, মৌলভীবাজারে মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিব। অন্যান্য জেলায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আছে। কিন্তু মৌলভীবাজারে নেই। আমি নির্বাচিত হলে যে কোন মূল্যে মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় করবো। জাতির পিতার নামে একটি লাইব্রেরি করবো। শিশুদের জন্য বিশেষায়িত পার্ক করবো। মনু ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন থেকে এই জনপদকে রক্ষা করবো। খেলাধুলার বিকাশের জন্য মৌলভীবাজারে দুইটি মিনি স্টেডিয়াম হবে।

তিনি বলেন, আমি টিআর কাবিখা মেরে খাওয়ার জন্য আসিনি‌। আমি কোন গ্ৰুপিং করার জন্য আসেনি। অনেক জনপ্রতিনিধি বিচারে গিয়ে টাকা খান। পরে আর বিচারের খবর থাকে না। আমরা যদি নির্বাচিত হই এই মৌলভীবাজার রাজনগরকে দুর্নীতিমুক্ত স্মার্ট মৌলভীবাজার উপহার দিব। সেই লক্ষ্যেই আমরা মৌলভীবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইশতেহার তৈরি করেছি‌। যেখানে একটি সুন্দর আধুনিক মৌলভীবাজার গড়ার জন্য পরিকল্পনা গ্ৰহণ করা হয়েছে।

জনসভায় মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুহিবুর রহমান তরফদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, সাবেক এমপি সৈয়দা সায়রা মহসিন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মসুদ আহমদ, রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান খান, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের সহ সভাপতি সুব্রত পুরকায়স্থ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালিক তরফদার ভিপি সুয়েব, যুবলীগের উপ মহিলা সম্পাদক সৈয়দা সানজিদা মহসিন প্রমুখ। এছাড়াও জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ এই বিশাল নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন।‌‌

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চব্বিশের চেতনা থাকলে হাসিনা আসতে পারবেন না : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখার আহ্বান জানালেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

চব্বিশের আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বললেন, তখন আমাদের ছাত্র জনতা সবার মধ্যে আন্দোলনের যে উদ্যম ছিল আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করেও সেটা দমাতে পারেনি। অনেকে প্রত্যক্ষভাবে জুলাই অভ্যুত্থানে ছিলেন না। কিন্তু আমাদের নানাভাবে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতা দিয়েছেন। নিউমার্কেট মোড় দখলে নিতে গিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে যারা আহত হয়েছেন, তামাকমুণ্ডি লেইনের ব্যবসায়ীরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি জানান, এই যে আন্দোলনের নানাভাবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ, ঐক্যবদ্ধ থাকা এটাই জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট। এই স্পিরিট আমাদের ধরে রাখতে হবে। তাহলে শেখ হাসিনা জীবনেও আর বাংলাদেশে আসতে পারবে না।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, কিছু মতানৈক্য দেখতে পাচ্ছি। এটা স্বাভাবিক। পথ চলতে গেলে থাকবেই। সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা করুন। কিন্তু দেশের স্বার্থে, জাতীয় স্বার্থে আমরা সবাই যেন জুলাই-আগস্টের গণভুত্থানের মতো কাঁধে কাধ মিলিয়ে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারি। বিনা বিচারে দেশবিরোধী শক্তি যেন আবার রাজনীতি করার দুঃস্বপ্ন না দেখে, সেই দুঃসাহস যেন তাদের না হয় সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
গত বছর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যে জুলাই জাতীয় সনদ ঘোষণা হয়েছে, সেটার আলোকে বিএনপি সরকার সব সংস্কার বাস্তবায়ন করবে বলেও আশ্বাস দেন মীর হেলাল।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, এরশাদ উল্লাহ ও সাঈদ আল নোমান, সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরু। সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন প্রাঙ্গনে স্থাপিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, নানা সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ।

পাঁচ হাজার মানুষ পেল এনসিপির ‘চিকেন বিরিয়ানি’ চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী মাঠে গণভোজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী মাঠে গণভোজ কর্মসূচি হয়েছে।‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ দিবসে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রামে আয়োজন করেছে এই গণভোজ কর্মসূচির। এনসিপি নেতারা জানালেন, এতে পাঁচ হাজার মানুষকে ‘চিকেন বিরিয়ানি’ রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে মাঠজুড়ে সামিয়ানা টানিয়ে চেয়ার-টেবিল পেতে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়।

নগরের বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, ভিক্ষুক, ভাসমান লোকজন, আন্দোলনকারী ও আহতরাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এনসিপির নেতাকর্মীরা গণভোজে অংশ নেন। দুপুর ১২টায় দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব।

নগর এনসিপির দপ্তর সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় বললেন, পাঁচ হাজার মানুষের জন্য গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির পক্ষ থেকে এ আয়োজন। সবার জন্য চিকেন বিরিয়ানি। গণভোজ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ আমাদের গণভোজে শরিক হয়েছেন। এনসিপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরির জন্য আনন্দমুখর এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়।

পুরো আয়োজনে কত খরচ হয়েছে সেটা এখনও হিসাব করা হয়নি বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়। তবে নগর এনসিপির আরেক নেতা বলছিলেন, গণভোজের জন্য সাত লাখ টাকা বাজেট করা হয়। মহানগর এনসিপি খরচের পুরো টাকা তাদের দলীয় তহবিল থেকে বহন করছে বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ