নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে ময়মনসিংহ-৩ আসনের স্থগিত কেন্দ্রে ভোট আগামীকাল

ওবায়দুর রহমান, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের স্থগিতকৃত ভালুকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দের নির্বাচন আজ (শনিবার) নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। গত ৭জানুয়ারি নির্বাচনে ভালুকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট ছিনতাইয়ের কারনে ভোট বাতিল ও স্থগিত রাখা হয় গৌরীপুর আসনের ফল।
সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নাহিদুল করিম জানান, আগামীকাল শনিবার ওই স্থগিত কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ করা হবে। এ উপলক্ষে নেয়া হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। কেন্দ্রে লাগানো হয়েছে ১২টি সিসি ক্যামেরা। স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টীম রয়েছে ৩টি করে। এছাড়াও র‌্যাব, ডিবি, এপিবিএন ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। এই কেন্দ্রে ভোট নিতে ১জন প্রিজাইডিং, ৭জন সহকারি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও ১৪ জন পোলিং অফিসার ময়মনসিংহ থেকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, ৭ জানুয়ারি ভোট চলাকালীন ভালুকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুবৃত্তরা ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়া ভোট বাতিল হয়। এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট নিলুফার আনজুম পপি পেয়েছেন ৫৩হাজার ১শ ৯ ভোট, নিকটতম প্রতিন্দ›িদ্ব ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সোমনাথ সাহা পেয়েছেন ৫৬২হাজার ২শ ১ ভোট। নৌকার প্রার্থী ৯৮৫ ভোটে এগিয়ে আছেন। বাতিল হওয়া কেন্দ্রের মোট ভোট ৩ হাজার ৩২ টি। যে কারনে ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।
ভালুকাপুর কেন্দ্রে ব্যালট ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় সহনাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন কাদের রুবেলসহ ১৫৪ জনের নামে মামলা করেন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নরোত্তম চন্দ্র রায়।
শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ভালুকাপুর সরকারি স্কুলের সামনে র‌্যাব ও বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। কেন্দ্রের সামনে ও ৭টি বুথে লাগানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সাদেক মিয়া বলেন, আবারও ভোট গ্রহণ হবে বলে নৌকার প্রার্থী নিলুফার আনজুম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সোমনাথ সাহা কর্মীরা প্রতিদিন ভোট চাইছেন। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনবার ভোট চাইতে দুই প্রার্থীর পক্ষ থেকে কর্মীরা আসছেন।
চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন কাদের রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগে আমার নামে যে মামলা হয়েছে সেটি মিথ্যা মামলা। আমি এ মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্ত আছি। ৭ জানুয়ারি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। আগামীকালও আশা করি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
এ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান খান বলেন, এই কেন্দ্রে আগামীকালের ভোট খুব উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এই কেন্দ্রের ভোটের মধ্য দিয়ে নৌকার বিজয়ের জন্য আমরা মুখিয়ে আছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশনে হাসান চৌধুরী কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ৮ নম্বর শ্রীপুর-খরন্দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী।

রোববার (২৩ আগস্ট ২০২৬) বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক প্রধান উপদেষ্টা ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপির পরামর্শক্রমে মুহাম্মদ হাসান চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্বপ্রাপ্তির পর সংগঠনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী তার মেধা, শ্রম, সাংগঠনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন এবং সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

একই সঙ্গে তাকে সংগঠন-সংশ্লিষ্ট স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি মোঃ পয়গাম আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব প্রদানের বিষয়টি জানানো হয়।

এদিকে, মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় শ্রীপুর-খরন্দ্বীপ ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ