বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল-টি-২০) ২০২৪ ক্রিকেট খেলা উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। অদ্য ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ নগরীর দামপাড়াস্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল-টি-২০)-২০২৪ ক্রিকেট খেলা উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মান্যবর সিএমপি কমিশনার জনাব কৃষ্ণ পদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) মহোদয়। সভায় বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দলের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল- টি২০)-২০২৪ ক্রিকেট খেলা উপলক্ষ্যে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।সেখানে সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব এম এ মাসুদ; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস) জনাব আ স ম মাহতাব উদ্দিন, পিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব আবদুল মান্নান মিয়া, বিপিএম-সেবা; উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) জনাব মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মহোদয়সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ও র‌্যাব-৭ এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও র‌্যাব-৭ এর মধ্যে এক উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের লড়াইয়ে ৩-১ গোলের ব্যবধানে প্রেস ক্লাব টিমকে হারিয়ে জয় তুলে নেয় র‌্যাব-৭ টিম। গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় র‌্যাব-৭ এর সদর দপ্তরের সংরক্ষিত নিজস্ব একটি খেলার মাঠে জমকালো এ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান। ম্যাচ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ। এসময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, ক্রীড়া উপ-কমিটির আহবায়ক সাইফুল্লাহ চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য মনিরুল ইসলাম পারভেজ, ফারুক মুনির সহ র‌্যাব-৭ এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ম্যাচ শুরুর প্রথমার্ধে র‌্যাব-৭ টিমের খেলোয়াড়ের চোখধাঁধানো জোরালো শটে বল জড়ান জালের ওপরের কোণে। র‌্যাব-৭ টিম এগিয়ে যায় ১-০ গোলের ব্যবধানে। এক গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া হয়ে লড়ে প্রেস ক্লাব টিম। এমন সময় প্রেস ক্লাব টিমের খেলোয়াড়ের চমৎকার শটে ১-১ গোলে সমতায় ফেরান। শেষ মুহূর্তে টানটান উত্তেজনা চলছে। খেলায় জয় পেতে দুই দলই মরিয়া হয়ে উঠে। ঠিক সেই সময় দুর্দান্ত গতিতে আরও দুটি গোল করে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ টিম। এরপর রেফারির শেষ বাঁশির সাথে সাথেই জয়ের উল্লাসে মেতে উঠে র‌্যাব-৭ শিবির।

প্রীতি ম্যাচে র‌্যাব-৭ টিমের পক্ষে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান দুটি গোল এবং অপস অফিসার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন একটি গোল করেন। আর প্রেস ক্লাব টিমের পক্ষে একটি করে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।

ম্যাচ শেষে র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমানের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ। প্রীতি ম্যাচটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এসময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্যবৃন্দ এবং র‌্যাব-৭ এর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা এই জমজমাট ম্যাচটি উপভোগ করেন।

জুলাই শহীদদের স্মরণে ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২৬ মাস ব্যাপী বাগানবাজার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও বীরদের স্মরণে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২৬ মাস ব্যাপী ফটিকছড়ি উপজেলার আওতাধীন বাগানবাজার ১নং ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হোসাইন মুহাম্মদ এনামের সার্বিক তত্ত্ববধানে। বাগান বাজার ১নং ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মুহাম্মদ বদিউল আলমের সভাপতিত্বে

২নং দাঁতমারা ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মেহেদী হাসানের পরিচালনায় গজারিয়া টাইগার একতা সংঘের উদ্যোগে চলমান খেলা কোয়াটার ফাইনাল অনুষ্ঠিত। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি নেতা ও ফটিকছড়ি উপজেলা যুবদলের প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক ছাত্রনেতা নাসির উদ্দিন হায়দার বিপ্লব। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগার চট্টগ্রামের প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন খাঁন।

খেলার উদ্বোধক বক্তব্য হেয়াকো জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’র পরিচালক সাবেক ছাত্রদল নেতা মুহাম্মদ জাহিদুল আলম মাসুম খন্দকার। এতে আরও বক্তব্য রাখেন ফটিকছটি উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মুহাম্মদ হানজালা, হেয়াকো জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’র এমডি মুহাম্মদ আতিকুর ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ ওমর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম নাজিম, হেয়াকো বনানী ডিগ্রী কলেজ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম,

মহানগর যুবদল নেতা সালেহ আহমদ খোকন, ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদল নেতা মুনির হোসাইন আবির, চট্টগ্রাম সদরঘাট থানাধীন ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রদল নেতা জাহেদ হোসেন ইফতী প্রমুখ।
এতে বক্তারা বলেন, ক্রীড়া প্রেমী ও শুভাকাক্সিক্ষ হিসেবে আমরা প্রত্যেকে জাতি হিসেবে গর্বিত নাগরিক। কেনা এমনি একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি যিনি ২০২৪ সালের ৩৬ জুলাই অর্থাৎ ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের অতিগুরুত্বপূর্ণ অভিভাবকের দায়িত্বটি নিজের কাঁদে তুলে নিয়েছিলেন। বিধায় বাংলাদেশের তরুণ এবং ছাত্র যুবক ভাইদের নিয়ে আজ আমরা একটি সুন্দর স্বাধীন সার্বভৌম বৈসম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করতে অনুপ্রেরণিত হচ্ছি। জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আমাদের সবার অঙ্গীকার থাকবে, করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। জুলাই শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয় অনুষ্ঠান শুরুতে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ