চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পেয়ারুল ইসলামের বড় বোনের ইন্তেকাল জানাজা সম্পুর্ণ।

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম জেলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম রেডক্রিসেন্ট এর সভাপতি, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, ফটিকছড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বর্ষীয়ান নেতা জনাব এটি এম পিয়ারুল ইসলাম এর বড় বোন ইন্তেকাল করেছেন।

তিনি ৮১ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন। মরহুমার জানাজায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তাঁর বক্তব্যে বলেন আমার বড় বোনের ছেলেরা সবাই উচ্চ শিক্ষিত ও দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে চাকুরী করছেন বলে জানান। আরো বলেন তার বোন তাদের কোলেপিঠে করে বড় করেন।

গত ৯ তারিখ রোজ শুক্রবার তিনি মৃত্যু বরণ করেন। একই দিন রাত ৯ টার সময় ধর্মপুর বড় মাদ্রাসার মাঠে মরহুমার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমার জানাজার নামাজে অংশ গ্রহণ ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রহমান, ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হুসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য বখতিয়ার সাইদ ইরান, জেলা পরিষদ সদস্য আকতার মাহমুদ পারভেজ, নানুপুরের চেয়ারম্যান শফিউল আজম, নানুপুরের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, ফটিকছড়ি আওয়ামী লীগ সদস্য মাসুদ পারভেজ, যুবনেতা জিয়াউল হক জিয়া, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বৃন্দ, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভিত্তিক অনেক নেতা কর্মী, চট্টগ্রাম রেডক্রিসেন্ট এর কর্মকর্তা সহ অসংখ্য মানুষ। মরহুমার জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন বায়তুল হুদা মাদ্রাসার মহাপরিচালক হযরত আল্লামা শাহ এমদাদ উল্লাহ নানুপুরী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাতকানিয়ায় জনবান্ধব প্রশাসনের দৃষ্টান্ত খোন্দকার মাহমুদুল হাসান – জাহাঙ্গীর আলম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর থেকে প্রশাসনিক দক্ষতা, সাহসী সিদ্ধান্ত, মানবিক উদ্যোগ ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন খোন্দকার মাহমুদুল হাসান। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি শুধু দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ, অনিয়ম ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান, দুর্যোগকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায়-দুস্থ মানুষের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন।

সাতকানিয়ার মতো বৃহৎ ও বৈচিত্র্যময় একটি উপজেলায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন সহজ নয়। একদিকে রয়েছে পাহাড়ি ও প্রত্যন্ত জনপদ, অন্যদিকে নদী-খাল, কৃষিনির্ভর এলাকা ও ঘনবসতি। এর সঙ্গে রয়েছে বন্যা, জলাবদ্ধতা, পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা, অবৈধ মাটি কাটা, খাদ্যে ভেজাল, আইনশৃঙ্খলা ও জনস্বাস্থ্যসহ নানা সমস্যা। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাঠ প্রশাসনকে সক্রিয় রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।

দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ কর্মকাণ্ড ও ভেজাল রোধে প্রায় শতাধিক অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ভেজাল ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। প্রশাসনের এই ধারাবাহিক তৎপরতা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপদ জীবনযাপনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

আধুনিক ও উন্নত সাতকানিয়া গড়ার লক্ষ্যেও তিনি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়েছেন। উপজেলার কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, কোথায় অনিয়ম হচ্ছে কিংবা কোন বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন—এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও সহযোগিতা দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে সমস্যা সমাধানে জনগণকে সম্পৃক্ত করার এই উদ্যোগ জনবান্ধব প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সাতকানিয়ায় রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে চাকরি দেওয়া কিংবা আশ্রয় দেওয়ার বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন উপজেলা প্রশাসন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগণের স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় থেকেছেন খোন্দকার মাহমুদুল হাসান। হতদরিদ্র ও সহায়-সম্বলহীন মানুষের মাঝে চাল, ডাল ও অর্থ সহায়তা প্রদান, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে এলাকার পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। এসব উদ্যোগে একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের পাশাপাশি অসহায় মানুষের প্রতি মানবিক দায়বদ্ধতারও প্রকাশ ঘটেছে।

তার দায়িত্ব পালনের সময় সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগগুলোর একটি ছিল পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে কৃত্রিম বাঁধ অপসারণ। মাটি কাটার সুবিধার্থে কিছু প্রভাবশালী চক্রের তৈরি করা একটি কৃত্রিম বাঁধের কারণে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সেই বাঁধ কেটে দেওয়ার সাহসী পদক্ষেপ নেন তিনি। প্রভাবশালী মহলের তৈরি করা বাধা অপসারণের এ সিদ্ধান্তের ফলে এলাকায় প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয় এবং বন্যার পানির চাপ দ্রুত কমে আসে বলে স্থানীয়দের অভিমত। মাঠ প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি উদাহরণ হিসেবেও এ উদ্যোগটি আলোচিত হয়েছে।

সাতকানিয়ায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে সাধারণ মানুষের জরুরি সহায়তার জন্য উপজেলা পরিষদে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করেন তিনি। বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি, আটকে পড়া মানুষের তথ্য, জরুরি উদ্ধার ও খাদ্য সহায়তার প্রয়োজনীয়তা জানতে কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। একই সময়ে উপজেলার বিপন্ন মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রায় ৮৯টি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র সচল করা হয়।

বন্যার পানিতে পানিবন্দী হাজার হাজার পরিবারের জন্য সরকারিভাবে ১৫ হাজার প্যাকেট চাল এবং ১০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার সরাসরি বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়। ত্রাণ কার্যক্রম যাতে শুধু উপজেলা সদরে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেজন্য দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। মাঠপর্যায়ে তদারকির মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

বন্যার পানিতে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার এবং খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেন ইউএনও। দুর্যোগের সময় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে গতিশীল করার চেষ্টা করা হয়।

বন্যার পানি কমে যাওয়ার পরও থেমে থাকেননি তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামোর প্রকৃত চিত্র জানতে মাঠে গিয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করেন। কোথায় কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে কী ধরনের ব্যবস্থা প্রয়োজন—এসব বিষয় চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বন্যাদুর্গত দুস্থ ও অসহায় মানুষের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনে সর্বাত্মক সহযোগিতার ঘোষণা দেন তিনি।

সব মিলিয়ে সাতকানিয়ায় খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রশাসনিক দৃঢ়তা ও মানবিকতার একটি সমন্বিত চিত্র পাওয়া যায়। একদিকে ভেজাল ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শত শত অভিযান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, অবৈধভাবে রোহিঙ্গাদের চাকরি ও আশ্রয় দেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং প্রভাবশালী চক্রের কৃত্রিম বাঁধ অপসারণের মতো পদক্ষেপ; অন্যদিকে অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য, অর্থ, শীতবস্ত্র ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ এবং বন্যার সময় আশ্রয়, ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা—দুই দিকই তার কর্মপরিধির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব শুধু সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের সমস্যা বোঝা, প্রয়োজনের সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, আইনশৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ রক্ষা করা এবং দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোও মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সেই জায়গা থেকে সাতকানিয়ায় খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের কর্মকাণ্ড স্থানীয় প্রশাসনে একটি সক্রিয়, সাহসী ও জনমুখী ভূমিকার চিত্র তুলে ধরেছে।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, সাতকানিয়াকে আধুনিক, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের এমন উদ্যোগ ও জনসম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে। কারণ একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার সবচেয়ে বড় অর্জন শুধু সরকারি দায়িত্ব পালন নয়—দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আস্থা অর্জন করা। সাতকানিয়ায় দায়িত্ব পালনকালে মানবিক কর্মকাণ্ড, দুর্যোগ মোকাবিলা, জনস্বার্থে সাহসী সিদ্ধান্ত এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সেই আস্থার জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করেছেন ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।

বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উৎপাদনে ইপিজেডের ৫০১টি শিল্প প্লট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাহিদার সমান বিদ্যুৎ পেয়ে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় চট্টগ্রাম ইপিজেডের ৫০১টি শিল্প প্লটে। স্বস্তি ফিরেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় অচল হয়ে পড়ে ইপিজেডের নিজস্ব ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে পিডিবি থেকে পাওয়া ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে মেটানো যাচ্ছিল না চাহিদার অর্ধেকও। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল কারখানাগুলোতে। গত শনিবার থেকে ইপিজেডের চাহিদা অনুযায়ী ৬৫ থেকে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম ইপিজেডে কর্মসংস্থান প্রায় দুই লাখ মানুষের। এখানে আছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫০১টি শিল্প প্লট। বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়া ও ভারতের বিনিয়োগকারীরা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।বছরে প্রায় ২৩৭ কোটি ৫৭ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইপিজেড থেকে। প্রতি ডলার ১২৫ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে শনিবার থেকে সব শিল্প প্লট চাহিদা অনুযায়ী ৬৫ থেকে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে। পুরো বিদ্যুৎই পিডিবি সরবরাহ করছে। এতে স্বাভাবিক হয়েছে উৎপাদন।

জানা গেছে, ইপিজেডের কারখানাগুলো পুরোদমে চালাতে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এর মধ্যে ১৫ থেকে ১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করে বেসরকারি ইউনাইটেড গ্রুপের ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা। গ্যাস সংকটের কারণে ওই কেন্দ্র থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় ইপিজেড কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পিডিবি ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। বাকি ৩৫ মেগাওয়াট না পাওয়ায় ৫০১টি শিল্প প্লটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিনিয়োগকারীরা সাপ্তাহিক ছুটি পরিবর্তন, কর্মঘণ্টা কমানো, ওভারটাইম বন্ধ এবং ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহারের মতো বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

পিডিবি দক্ষিণ জোনের প্রধান কামাল উদ্দিন বললেন, চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুত দেয়ার সক্ষমতা আমার ছিল না। এরপরও আমি দেশের স্বার্থে বিকল্প চেষ্টা করেছি। সফলও হয়েছি। দেশের অগ্রাধিকার এই খাতে বিদ্যুত দিতে পেরে আমারও ভালো লাগছে।হেমপেল রি ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। উৎপাদন স্বাভাবিক করতে কারখানাগুলো পুরোদমে কাজে নেমেছে। এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ