১০ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা

প্রেস রিলিজ

আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের বার্ষিক ক্রীড়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করলেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম। উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত কলেজ, মাদ্রাসা,উচ্চ বিদ্যালয় ও কেজি স্কুলসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। রাসমনি ঘাটস্থ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে ১৯ ফেব্রæয়ারী ২০২৪ খ্রি: সকালে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা। অলিম্পিক মশাল প্রজ্জলন, ছাত্র-ছাত্রীদের কুচকাওয়াজ, জাতীয় পতাকা ও অলম্পিক পতাকা উত্তোলন,বিভিন্ন ইভেন্টে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অনুষ্ঠিত হয়। বেলুন উড়িয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম ও অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচলনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহীন আলম। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহীন আলম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর। শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক আবু ছগির। অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান ও লায়লা নাজনিন রব এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচীতে আরো বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক নেছার আহম্মদ, সাবেক অধ্যক্ষ বাদশা আলম, উপাধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ সেলিম জাহাঙ্গীর, প্রধান শিক্ষক মৌসুমী দাশসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার প্রধানগন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিক চর্চার জন্যই আমরা ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করেছি। তিনি বলেন, আমরা আমাদের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একই ছাতার নিচে শিশু শ্রেণি থেকে অনার্স-মাষ্টার্স এবং কারিগরি শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতায় উৎকর্ষ সাধন, শরীরচর্চা ও সুশিক্ষা অর্জনের সকল পথ খুলে দিয়েছি। আমরা চাই সুশিক্ষিত নাগরিক এবং দেশগড়ার কারিগর গড়ে উঠুক। তিনি বলেন, শিক্ষা, সহশিক্ষা, নৈতিক শিক্ষার সব ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সাবেক মেয়র বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠিত শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম সকল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। পরে মেয়র বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ টিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ টিম। পরিদর্শনকালে তদন্ত কমিটির সদস্যরা দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন এবং জাহাজের যে অংশে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছিল, সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার সময় শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং গ্যাস শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে থেকে বিকেল পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইয়াসির আরাফাত খান, বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ক্যাপ্টেন মো. শোয়েব আহমেদ, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক মোহাম্মদ মেহেদি ইসলাম খানসহ তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ মাহবুবুল হক বলেন, ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ টিম।টিমের সদস্যরা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সেখানে ছিলেন। এর আগে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক এবং সীতাকুণ্ডের সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) সদস্যসচিব করা হয়।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে ভাটিয়ারী স্টেশন রোডসংলগ্ন ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে পুরোনো একটি স্ক্র্যাপ জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে একে একে নয় শ্রমিকের মৃত্যু হয়। আরও কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রাথমিক পরীক্ষায় দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান জানিয়েছেন, এই বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার পর ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত এবং কর্মপরিবেশ নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

টানা বৃষ্টিতে আবার ডুবল সড়ক-অলিগলি, নগরজীবনে দূর্ভোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাতভর বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে রাতভর বৃষ্টিপাত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এসব এলাকায় দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী মানুষসহ পথচারীরা। এই বৃষ্টি বৃষ্টি কারও বাসা ডুবিয়েছে, কারও যাত্রাভঙ্গের কারণ হয়েছে। শিক্ষার্থী ও অফিসগামীদের ভোগান্তি বেড়েছে।

দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছেছে। কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই অকস্মাৎ এই ভারী বর্ষণ। আবহাওয়া অফিসের ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা এসেছে নগর ডোবার পর সোমবার (১৭ আগষ্ট) সকালে। তার আগেই রবিবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। সোমবার সকাল ৬টা থেকে ছয় ঘণ্টায় ১৩৭ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে। ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে ভারী বৃষ্টি আখ্যায়িত করা হয়। ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে তাকে অতি ভারী বৃষ্টি ধরা হয় বলে আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় জানানো হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে সড়ক। এতে ভোগান্তিতে পড়ে অফিসগামী মানুষ ও স্কুলশিক্ষার্থীরা। জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় বড় প্রকল্প চললেও বৃষ্টিতে বারবার নগর ডুবে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে। রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে সোমবার(১৭ আগষ্ট) সকালে নগরের কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, পাঠানটুলী ও কাপাসগোলাসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। মূল সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত পানি ওঠায় এসব এলাকার বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন।

সকালে সরেজমিন নগরের কাতালগঞ্জ এলাকায় দেখা যায়, সড়কটি কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। হুড তোলা ও পলিথিনে ঢাকা একটি রিকশায় যাত্রী নিয়ে চালক বুকসমান পানি ঠেলে এগিয়ে যাচ্ছেন। রিকশার চাকা পুরোপুরি পানিতে ডুবে থাকায় পানি উঠেছে চালকের কোমর পর্যন্ত। মূল সড়কের একাংশ ও আবাসিক ভবনের সামনের গলি পানির নিচে থাকায় কোথায় সড়ক আর কোথায় গলি, তা বোঝার উপায় ছিল না। অদূরে এক পথচারীকেও কোমরপানি ভেঙে হেঁটে যেতে দেখা যায়।

পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নাম্বার সড়কেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানকার আল হিদায়াহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও আল রাওয়া ইংলিশ স্কুলের প্রবেশপথ পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে ছিল। ফলে সকালে শিক্ষার্থীদের তেমন দেখা যায়নি। সড়কে যানবাহন চলাচলও প্রায় বন্ধ ছিল। এক রিকশাচালককে যাত্রী নিয়ে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে রিকশা টেনে নিতে দেখা যায়।

পাঁচলাইশ ও কাতালগঞ্জের পাশাপাশি আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, পাঠানটুলী ও কাপাসগোলাসহ নগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায়ও পানি জমেছে। মূল সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত পানি ওঠায় এসব এলাকার বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন।জলাবদ্ধতার কারণে সকাল থেকে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। গণপরিবহন ও রিকশা না পেয়ে অনেককে বৃষ্টির মধ্যে হেঁটেই গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও রিকশা চললেও বাড়তি ভাড়া গুনতে হয়েছে যাত্রীদের।

আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় হাঁটুপানি ভেঙে অফিসে যাচ্ছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী শফিকুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই আগ্রাবাদের রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। রবিবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। রাস্তায় যানবাহন না থাকায় এবং দু-একটি রিকশা তিন গুণ বেশি ভাড়া চাওয়ায় শেষ পর্যন্ত হেঁটেই অফিসে যেতে হয়েছে তাকে।
নগরের বিভিন্ন স্কুলের সামনেও পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। এতে অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে আটকে পড়েন। পরিবহন-সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে পারেনি।

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এরপরও টানা বৃষ্টিতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া এসব প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ