মহান শহিদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সিএমপি’র ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের নিদের্শনা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ২১ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ ইংরেজি বুধবার মহান শহিদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের সাথে উদযাপনের জন্য সরকারীভাবে নগরীর চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে স্থাপিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠান সুশৃক্সখল ও সুন্দরভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগ কর্তৃক বিশেষ ট্রাফিক পুলিশী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রণীত কতিপয় নির্দেশনা অনুসরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আজ ১৯ ফেব্রæয়ারি সোমবার ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন.এম নাসিরুদ্দিন কর্তৃক গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনাসমূহ জারী করা হয়। নির্দেশনাগুলো অনুসরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হচ্ছে-আগামীকাল ২০ ফেব্রæয়ারী মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে নগরীর তিনপুল থেকে আমতল, আমতল থেকে নিউ মার্কেট ও সিনেমা প্যালেস থেকে রাইফেল ক্লাব রোডে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। নিউ মার্কেট থেকে আমতল রোডে দ্বিমুখী যান চলাচল বজায় থাকবে। এছাড়া তিনপুল মোড় থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হয়ে আমতল পর্যন্ত একমুখী চলাচল বজায় থাকবে। আমতল, তিনপুল ও সিনেমা প্যালেস মোড়ে রোড ব্লক স্থাপন করে যানবাহনসমূহ ডাইভারশন দেওয়া হবে। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে আসা সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও সরকারী কর্মকর্তাগণ ওয়াসা-কাজির দেউরী-নেভাল ক্রসিং-লাভ লেইন-বৌদ্ধ মন্দির-বোস ব্রাদার্স-রাইফেল ক্লাব হয়ে আমতল মোড় ড্রপিং জোন হিসেবে ব্যবহার করবেন এবং পরবর্তীতে প্রধান পার্কিং স্থান হিসেবে রাইফেল ক্লাব মাঠে গাড়ি পার্কিং করবেন। এছাড়াও অন্যদিক থেকে আসা গাড়িসমূহ নিজ নিজ সুবিধা অনুযায়ী নিউমার্কেট মোড় ও তিনপুল (গোলাম রসুল মার্কেটের সামনে) ড্রপিং জোন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। অনুষ্ঠানকেন্দ্রিক আগত যানবাহনসমূহ রাইফেল ক্লাব পার্কিং এরিয়া, থিয়েটার ইনষ্টিটিউট থেকে সিনেমা প্যালেসগামী রাস্তা, তিনপুল থেকে এনায়েতবাজার রোড (জুবলী রোড), স্টেশন রোড ও নিউ মার্কেট থেকে কোতোয়ালী রোডে পার্কিং করতে পারবে। অনুষ্ঠানস্থলে আসা সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও সরকারী কর্মকর্তাগণ আমতল থেকে পায়ে হেঁটে শহীদ মিনারে (চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ) এসে ফুল দিয়ে পুনঃরায় আমতল মোড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে জুবলী রোড হয়ে প্রত্যাবর্তন করবেন। নিউ মার্কেট ও তিনপুল ড্রপিং জোন হিসেবে ব্যবহারকারীগণ পায়ে হেঁটে শহীদ মিনারে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণপূর্বক পূনঃরায় উক্ত ড্রপিং জোনসমূহে গিয়ে গাড়িতে উঠবেন। পদযাত্রা ও প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণকারীগণ সুশৃক্সখলভাবে রাস্তায় যান চলাচলের সুযোগ রেখে গমনাগমন করবেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ সুষ্ঠু, সুশৃক্সখল ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য সিএমপি’র ট্রাফিক-দক্ষিন বিভাগ নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চুয়েটের সব পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল-সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে যন্ত্রকৌশল
বিভাগের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহার মৃত্যুর
রেশ কাটতে না কাটতেই দুই সপ্তাহের ব্যবধানে গতকাল ১২ আগস্ট বুধবার একই পুকুরে পানিতে ডুবে আরও দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের চমক দত্ত এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শান্ত দেব। তারা দুজনই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মর্মান্তিক এমৃত্যুতে গোটা বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসের সব পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা এবং সেগুলোতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা কিংবা পানিতে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।আজ ১৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সকল পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের কোনো পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা বা পানিতে প্রবেশ করা যাবে না।

এবার এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে শিক্ষার্থী সাদমানের চমক ১ হাজার ৩০০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২৭১ পেয়ে উত্তীর্ণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এক শিক্ষার্থী চমক দেখিয়েছে। কখনো পাঁচ-ছয় ঘণ্টা টানা পড়াশোনা, আবার কখনো হাতে ব্যাট নিয়ে খেলায় মেতে ওঠা-এভাবেই বেড়ে উঠেছে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী সাদমান ইসলাম। গণিত, ফিজিক্স ও ইংরেজি অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গিয়েছে। সবকিছু ছাড়িয়ে এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে হয়েছে সেরাদের সেরা।এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ৩০০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২৭১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। যা এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ নাম্বার বলে জানা যায়। ছেলের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার বাবা ফখরুল ইসলাম ও মা শাহিদুন্নিসা। ছেলের এই সাফল্যের পেছনে নিজেদরে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অনুপ্রেরণার কথা বললেন তারা।

জানা গেছে, পড়াশোনার ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল না সাদমানের। স্কুলের ক্লাস, শিক্ষকদের কাছে পড়া ও অন্যান্য প্রস্তুতি নিয়মিত করত। কোনো ক্লাস বা পড়াশোনা মিস করত না। মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগও ছিল সীমিত। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন অলিম্পিয়াডেও সাদমানের ছিল সাফল্য। গণিত অলিম্পিয়াড, ফিজিক্স অলিম্পিয়াড ও ইংরেজি অলিম্পিয়াডেও জাতীয় পর্যায়ে সুযোগ পেয়েছে। সাদমানদের গ্রামের বাড়ি বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলা সদরের ঝালকাঠি গ্রামে। সাদমানের একটি বোন রয়েছে। বোন বর্তমানে চট্টগ্রামের বাওয়া স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে।জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ তজল্লী আজাদ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতো ভালো রেজাল্ট করেছে। ১২৭১ নম্বর পেয়ে বোর্ডে প্রথম হয়েছে সাদমান ইসলাম, ১২৬৯ নম্বর দ্বিতীয় হয়েছে রোজবাহ উদ্দিন রোহান। এছাড়াও আরো অনেকেই মেধা তালিকায় রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এসব শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের প্রত্যাশাও ছিল। শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। আমাদের দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের গাইডলাইন এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় আজকের এই সাফল্য।
জানতে চাইলে সাদমান বলেন, আমার দৈনিক ১৫ বা ১৮ ঘণ্টা পড়াশুনা করার জন্য কখনো কোন টার্গেট ছিল না। তবে ডেইলির পড়া ডেইলিই শেষ করতাম। আমি মূলত স্পোর্টস লাভার। বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতাম। এখন আমার স্বপ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হওয়া। বোর্ডসেরা হওয়ার পর এখন সেই স্বপ্ন পূরণের পথেই এগোতে চায়।

এদিকে ছেলের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার মা শাহিদুন্নিসা। সাদমানের বাবা ফখরুল ইসলাম কুমিল্লায় একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। চাকরির কারণে তাকে কুমিল্লায় থাকতে হয়। ফলে ছেলের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন দেখাশোনার প্রায় পুরো দায়িত্বই ছিল মায়ের ওপর। ছেলের বোর্ডসেরা হওয়ার খবর পেয়ে রেজাল্টের দিন রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে ছুটে আসেন বাবা। শাহিদুন্নিসা বলেন, আমার ছেলে পঞ্চম শ্রেণি থেকেই কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী। পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় টিকে সে কলেজিয়েটে ভর্তি হয়। এরপর থেকে স্কুলে ওর রোল এক ছিল।ছেলের পড়াশোনার পেছনে নিজের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে মা শাহিদুন্নিসা বলেন, ওর বাবা চট্টগ্রামের বাইরে থাকায় ওর দেখাশোনার পুরো দায়িত্ব আমার ওপরই ছিল। ওর বাবা সপ্তাহে একবার এসে হয়তো দেখা করে যেতেন, কিন্তু এখানে থাকতে পারতেন না। তাই আমি ওকে নিয়ে একপ্রকার যুদ্ধ করেছি।

তবে সাদমানকে শুধু পড়ার টেবিলে আটকে রাখেননি তার মা। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও ছেলের আগ্রহকে স্বাভাবিকভাবেই দেখেছেন তিনি। শাহিদুন্নিসার ভাষায়, ও পাঁচ-ছয়-সাত ঘণ্টা পড়াশোনা করত। আবার উঠে খেলত। হাতে ব্যাট থাকত, কাঁধে ব্যাগ থাকত। স্কুলেও ব্যাট নিয়ে যেত। বাসায় এসেও খেলা শুরু করে দিত। ও স্থির ছিল না, ওকে কিছুটা চঞ্চল বলা যায়। ক্রিকেট ওর খুব পছন্দ। ছেলের সাফল্যে আবেগাপ্লুত শাহিদুন্নিসা আরো বলেন, মোটামুটি আল্লাহর রহমতে সবকিছুতেই ভালো করত। আমরা চেষ্টা করেছি ওকে সঠিকভাবে এগিয়ে দিতে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ