ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ

শৈলকুপার পৌরসভা এলাকায় তীব্র যানজট

শেখ শোভন আহমেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ঝিনাইদহের শৈলকূপা। যার দক্ষিণে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা, উত্তরে ঝিনাইদহ হরিণাকুন্ড উপজেলা, পশ্চিমে রয়েছে কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ি জেলা এবং পূর্বে মাগুরা জেলা দিয়ে বেষ্টিত। খুব স্বাভাবিকভাবেই এ জেলা-উপজেলা গুলোর ব্যবসায়িক পয়েন্ট হিসাবে বহু আগেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এ উপজেলার বাজারগুলো। কিন্তু দিনের পর দিন শৈলকূপা শহর যানজটের শহরে পরিণত হচ্ছে। পৌর শহরে প্রতিদিনই যানজটের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী ও অসহায় মানুষ।

জানা যায়, শৈলকুপা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ৩ বছর ধরে ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও যানজট নিরসন হচ্ছে না বরং তা বেড়েই চলছে। তীব্র যানজটে শহরবাসি অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।এই উপজেলা শহরে ঢোকার একমাত্র পথ কবিরপুর মোড়। এই মোড়ের পাশেই রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন ক্লিনিক, পৌরসভা, থানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও চৌরাস্তার মোড়, হাজী মার্কেট মোড় ও ব্রিজ রোডে দীর্ঘ যানজট দেখা যায়। বিশেষ করে শনিবার ও মঙ্গলবার সাপ্তাহিক হাটের দিনে যানজট লেগেই থাকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন মোড়ে যত্রতত্র থামিয়ে যাত্রী ওঠা নামায় ব্যস্ত বাস, ট্রাক। পাশাপাশি শহর জুড়ে ব্যাটারিচালিত অবৈধ অটোরিকশা আর সিএনজিচালিত অটোরিকশা, নসিমন, করিমনের ছড়াছড়ি থাকলেও এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেই।
পথচারী পৌর এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, শৈলকুপার বিভিন্ন পয়েন্টে সব সময় যানজট লেগে থাকে।
অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার রবিউল ইসলাম বলেন, হাসপাতাল থেকে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে আমাদের বাইরে যেতে হয় কিন্তু কবিরপুর মোড়ে এমন যানজটের সৃষ্টি হয় তাতে আমাদের রোগী নিয়ে যেতে দুর্ভোগ বেড়ে যায়।
শৈলকুপায় দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সার্জেন্ট বিলাল হোসেন বলেন, এখানে আমরা দুইজন দায়িত্বে আছি। যার জন্য অনেক সময় যানজট দেখা দিতে পারে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ট্রাফিক পুলিশের জনবল সংকট রয়েছে। যার কারণে যানজট নিরসন পুরোপুরি সম্ভব না।
উপজেলা চেয়ারম্যান এম হাকিম আহাম্মেদ বলেন, যানজটের বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি আমাদেরও অনেক দায়িত্ব রয়েছে। তবে চৌরাস্তা মোড়ে সার্বক্ষণিক একজন ট্রাফিক পুলিশ দরকার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেহেদী ইসলাম বলেন, যানজট জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়। তাই যানজট কমিয়ে আনার ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে গাড়িচালক হত্যা মামলায় তিন জনের ফাঁসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পাহাড়তলী থানার গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মো. নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবিদ্বারের মো. শাহজাহান এবং ফেনী সদর উপজেলার মো. নুরুল আলম টুটুল। তাদের মধ্যে টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।অপর দুই আসামি পলাতক।

চট্টগ্রাম আদালত সূত্র জানা গেছে, পাহাড়তলী থানাধীন টোল রোডের পূর্ব পাশে শিল্প পুলিশের অধিগ্রহণ করা জমির পশ্চিম পাশে সেকান্দরের কৃষিজমি থেকে ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে লাশটি নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা মো. সজিবের বলে শনাক্ত করা হয়। সজিব পেশায় গাড়িচালক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন জেলায় মালামাল পরিবহনের কাজ করতেন। ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। ২৭ অক্টোবর তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের মাথার পেছনে থেতলানো আঘাত, বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল। তদন্ত শেষে পুলিশ তিনজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো.নুরুল আমিন, মো.শাহজাহান ও মো.নুরুল আলম টুটুলকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরুল আলম টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে নুরুল আলম টুটুলকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পলাতক নুরুল আমিন ও শাহজাহানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

শাহ আমানতে দুবাইফেরত ফ্লাইটে মিলল অর্ধ কোটি টাকার সিগারেট-আইফোন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা মূল্যের বিদেশি সিগারেট ও আইফোনের চালান জব্দ করা হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে পরিচালিত অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল। তিনি বলেন, দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটের তিন যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৭৮২ কার্টন সিগারেট ও ১৩টি আইফোন পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্যাগেজ বেল্ট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

তিন যাত্রীর বিষয়ে ইব্রাহীম খলিল বলেন, তাদের ব্যাগেজ থেকে পণ্যগুলো জব্দ করা হয়েছে। পরে বিমানবন্দরের কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমস শাখা তাদের মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ বিমানের দুবাইফেরত বিজি-১৪৮ ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করে এসব পণ্য জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তিন যাত্রী হলেন মঈনুল আবদিন, আব্দুল মান্নান ও নুরুল আলম রিয়াদ। মঈনুল আবদিন ও আব্দুল মান্নানের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায়। নুরুল আলম রিয়াদের বাড়ি ফেনী সদর এলাকায়।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল আরো বলেন, তিন যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে ৭৮২ কার্টন বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়। পাশাপাশি ব্যাগেজ বেল্ট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ হাজার ২০ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে সিগারেটের পরিমাণ ১ হাজার ৮০২ কার্টন। এ ছাড়া ১৩টি আইফোন জব্দ করা হয়েছে। তিনি জানান, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ৩৬ লাখ ৪ হাজার টাকা এবং আইফোনের মূল্য ১৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে জব্দ করা চালানের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ লাখ ৪ হাজার টাকা।জব্দ করা পণ্য চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হবে বলে জানান বিমানবন্দরের এই কর্মকর্তা।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ