ফসলি জমি নষ্ট করে জোড় পূর্বক রাস্তা নির্মাণ

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কৃষকের ফসসি জমি নষ্ট করে জোড় পূর্বক রাস্তা নির্মাণ করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফসল নষ্ট করায় ভুক্তভোগী কৃষক ফজলে রাব্বি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগটি দায়ের করেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে তৃতীয় পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় মদন ইউনিয়নের বৃ-বরিকান্দি গ্রামের সামনের হাওরে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। মারফত আলীর জমি হইতে লিয়াকত আলীর জমি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। ওই প্রকল্পের পিআইসি কমিটির সভাপতি করা হয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আতিকুল ইসলামকে। অভিযোগ রয়েছে, রাস্তা নির্মাণ করতে কৃষক ফজলে রাব্বীর রোপনকৃত বোরো জমির ফসলসহ আরো ৫/৭ জন কৃষকের লাখ টাকার ফসল জোর পূর্বক নষ্ট করা হয়। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় কৃষকদের চাঁদাবাজির অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী কৃষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সরজমিন গেলে দেখা যায়, দুই পাশের জমির বোরো ফসল নষ্ট করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। বরাদ্দের তুলনায় কাজ করা হয়েছে নামে মাত্র। এ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষক ফজলে রাব্বি জানান, ‘জোর পূবর্ক রাস্তা নির্মাণ করে আমাদের ফসলি জমি নষ্ট করেছে। এখানে মাটি কেটে আমাদের আরো দূর্ভোগের সৃষ্টি করেছে। রাস্তা নির্মাণের নামে সরকারি বরাদ্দ তারা লুটপাট করছে। প্রতিবাদ করায় চাঁদাবাজির অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।’

প্রকল্পের পিআইসি কমিটির সভাপতি মদন ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আতিকুল ইসলাম জনান, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু বলব না। প্রকল্পের কত টাকা বরাদ্দ তাও আমি জানি না।’

এ ব্যাপারে মদন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল ইসলাম জানান, ‘ফজলে রাব্বী মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। প্রকল্পের পিআইসির কাছে সে টাকা দাবি করেছিল। টাকা না দেওয়ায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ূন কবির জানান, ‘অভিযোগের বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ শাহ আলম মিয়া জানান, ‘ফসলী জমি নষ্ট করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।’

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে রশি ছিঁড়ে পাইলট আহত, বিদেশি জাহাজ আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে একটি বিদেশি জাহাজ থেকে পড়ে বন্দরের নিজস্ব পাইলট আহত হয়েছেন। ‘বক্স এনডেভার’ জাহাজ থেকে মই (ল্যাডার) বেয়ে নিচে নামার সময় রশি ছিঁড়ে নিচে পড়ে যান তিনি। আহত ব্যক্তির নাম ক্যাপ্টেন আ জ ম রবিউজ্জামান। গত শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে এ ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগষ্ট) সকাল থেকে তদন্ত শুরু করেছে কমিটি।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, জাহাজের পাশে থাকা বোটে না পড়ে গভীর সাগরে পড়ে গেলে রবিউজ্জামানের মৃত্যুঝুঁকি ছিল। সৌভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান। ডান হাতে ও পিঠে আঘাত পেয়েছেন তিনি। তাকে বন্দর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর জাহাজটি আটক করে বন্দরের বহির্নোঙরে চার্লি অ্যাংকরেজে নোঙর করে রাখা হয়েছে। বহির্নোঙর থেকে মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাঙ বন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার কথা ছিল জাহাজটির। এ ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগষ্ট) সকাল থেকে তদন্ত শুরু হয়।

চট্টগ্রামে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবেশ সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জামাল খান রোড সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, মশক নিধন, মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল ৩টায় নগরীর চেরাগী পাহাড় চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে জামাল খান রোডকে সবুজ, পরিচ্ছন্ন, দখলমুক্ত ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন এবং হকারমুক্ত ফুটপাতের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আয়োজকরা জানান, জামাল খান রোডকে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন রাখা, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, দখলমুক্ত ফুটপাত নিশ্চিত করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।কর্মসূচিতে “একটি গাছ, একটি প্রাণ—সবুজ হোক জামাল খান”, “মশক নিধন করি, সুস্থ সমাজ গড়ি” এবং “মাদককে না বলি, সুন্দর সমাজ গড়ি”—এমন বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্লোগান দেওয়া হয়।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চেরাগী পাহাড় চত্বরে বৃক্ষরোপণ করা হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জামাল খান রোড সমাজ কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক মনজুর রহমান চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ আকতার উদ্দিন ডালিম। এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ নুর উদ্দিন চৌধুরী সোহেল, শেহতাব আহম্মেদ, আজাদ হোসেন,অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, জনাব আরিফ, জনাব ওসমান গনি, জিয়া উদ্দিন আহমেদ, মনছুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহীন আকবর খান, সরোয়ার আলম, রাশেদুল ইসলাম, শৈবাল পারিয়াল, মোহাম্মদ আমিন,সাদ, ইফতু ও সামি।

বক্তারা বলেন, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নগর গড়তে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা দখলমুক্ত ফুটপাত, সুস্থ ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন এবং সবুজ-পরিচ্ছন্ন জনবান্ধব জামাল খান রোড গড়ে তোলার আহ্বান জানান। কর্মসূচির সঙ্গে জামাল খান রোড দোকান মালিক সমিতি একাত্মতা প্রকাশ করে। সমিতির পক্ষে বক্তব্য রাখেন দীপঙ্কর কিশোর চৌধুরী ও ইকবাল। কর্মসূচির শেষে চেরাগী পাহাড় চত্বর থেকে জামাল খান রোড হয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রায় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।“ঐক্য, সেবা ও মানবতায়—সমৃদ্ধ হোক জামাল খান”—এই প্রত্যয়ে একটি সুন্দর, সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ জামাল খান রোড গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ