পার্বত্য জেলা বান্দরবান।

ঈদ ও বৈসাবী উৎসব পালনে অনিশ্চিয়তায় পাহাড়ের ৩ উপজেলার বাসিন্দারা।

টিটু বড়ুয়া সুরঞ্জিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফের সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় পার্বত্য জেলা বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় সোনালী ব্যাংক শাখার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে কৃষি ব্যাংকের কার্যক্রমও। একই সঙ্গে জেলা সদরের প্রতিটি ব্যাংক এবং এটিএম বুথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম ইনচার্জ মোহাম্মদ ওসমান গণি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ব্যাংকের নিরাপত্তার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষের নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনটি উপজেলায় আগের মতো ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ দিকে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বৈসাবী ও ঈদের বাজারের এই সময়ে গ্রাহকদের দুর্ভোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তারা ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে না পারার কারণে বৈসাবী ও ঈদ উৎসব কিভাবে পালন করবে ,আদো পারবে কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ও অনিশ্চয়তার মধ্যে এগিয়ে আসছে উভয় সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মহা সাংগ্রাই বৈসাবী বা বিজু উৎসব।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্ধ থাকা তিনটি উপজেলার ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা জেলা সদরের সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। এ ছাড়া লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এ দিকে ঘটনার তিন দিন পরও উদ্ধার করা হয়েছে রুমা উপজেলার সোনালী ব্যাংকের অপহৃত ম্যানেজার নিজাম উদ্দিনেকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চলে স্হানীয় প্রশাসনের সাথে কেএনএফ সদস্যদের মধ্যে গুলাগুলির ঘটনায় আরও ভিত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে পাহাড়ের বসবাসরত বাঙালি অবাঙালীরা। ব্যাবসায়ীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা আতংক।
এ ছাড়া রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ টহল দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, বুধবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১টার দিকে বান্দরবানের থানচিতে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এর আগে, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রুমায় সোনালী ব্যাংক থেকে অস্ত্র ও টাকা লুট করে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

কানুনগোপাড়া ড. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কানুনগোপাড়া ড. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মো. আজিজুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলহাজ্ব মোস্তাক আহমদ খান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব শওকত আলম।

কানুনগোপাড়া ড. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধান শিক্ষক বাপন কুমার ভঞ্জের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষার্থী ও রমনী মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু তাপস কান্তি ঘোষ, প্রধান শিক্ষক অরুপ কান্তি পাল, বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ইউসুফ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন, বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা সদস্য সচিব ও সমাজসেবক হাজি আবু আকতার, প্যানেল চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরী, মো. শাহ আলম, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অজয় পাল, সহকারী শিক্ষিকা অতসী চন্দ, অঞ্জন দাশ, পারভেন আকতার, শাহিদা আকতার সাঞ্জু, যুবদল নেতা মোঃ ইকবাল, সিনিয়র শিক্ষক প্রভাকর বড়ুয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।


সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।বক্তারা বলেন, একটি আধুনিক ও মানসম্মত একাডেমিক ভবন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ আরও উন্নত করবে। পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব মো. আজিজুল হক বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর সারাদেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের ওপর হামলা ও মব সৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। বোয়ালখালীতে আমরা এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে দিইনি। আমাদের এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদী পরিবারের ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করতে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়নি। আমরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।”

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে অতিথিরা নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ