বৈশাখী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থপ্রতিমন্ত্রী বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান

নদী না বাঁচলে আমরা বাঁচব না

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ও অর্থপ্রতিমন্ত্রী বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি বলেছেন, নদী না বাঁচলে আমরা বাঁচব না। এই কর্ণফুলী নদী আমাদের প্রাণ। গত রোববার (১৪ এপ্রিল) কর্ণফুলী উপজেলার শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণপাড় শিকলবাহা এলাকার সেতুর নিচে গোলচত্ত্বর প্রাঙ্গণে কর্ণফুলী সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত বৈশাখী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থপ্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির ঐতিহ্য। বাংলা নববর্ষ উপযাপনে বৈশাখী মেলা, সাম্পান বাইচ সফল হোক সে প্রত্যাশা করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন হাতে নিয়েছেন। আমরা একদিন থাকব না। আমাদের প্রজন্মের জন্য আজকে পরিবেশ তৈরি করে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, কর্ণফুলীতে অর্থপ্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বর্ষবরণের বৈশাখী মেলা দেখে আমি খুব আনন্দিত। পহেলা বৈশাখ প্রতিহত করতে কিছু ধর্মান্ধ গোষ্ঠী নানাভাবে অপচেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতার কারণে ব্যর্থ হয়েছে। অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে দেশিয় সংস্কৃতি চালু রাখতে হবে। শিকলবাহার চেয়ারম্যান এই চেষ্টা করেছেন বলে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সংগঠনের সভাপতি শিকলবাহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, অর্থপ্রতিমন্ত্রী বলেছেন- কর্ণফুলী আমাদের প্রাণ। কর্ণফুলীকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আমি বলবো নদীমাতৃক বাংলাদেশের কর্ণফুলী না বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে না। কর্ণফুলীকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার সবার জন্য একটি সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করেছে। মেলায় একটি বুথ রয়েছে। আপনারা সকলে পেনশন স্কিম চালু করতে পারেন। নিজেদের ভবিষ্যৎ গঠনে সবাই সর্বজনীন পেনশন স্কিম রেজিষ্ট্রেশন করুন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিন, সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেগম চেমন আরা তৈয়ব, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা, সিএমপি বন্দর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) শাকিলা সোলতানা, কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা জান্নাত, কর্ণফুলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. মেহেদী হাসান, বোয়ালখালীর পৌর মেয়র জহুরুল ইসলাম জহুর। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইসলাম আহমেদ।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য লায়ন ছাবের আহমেদ, কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এস এম সালেহ, সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মহিউদ্দিন ভান্ডারী, জুলধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল হক, চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলীসহ তৃণমূলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, কর্ণফুলীর এই বৈশাখী মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সাম্পান বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিশুদের নাচ, গান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ কবিতা আবৃত্তি শোনানো হয়। দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের প্রাণখ্যাত কর্ণফুলী নদী, বৈশাখী মেলা ও সাম্পান বাইচ নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা হয়। বিকেলে ৮ টিমের মধ্যে সাম্পান বাইচ প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সব শেষে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য নিয়ে বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
গতকাল সোমবার দ্বিতীয় দিন বৈশাখী মেলায় পুতুল নাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এই বৈশাখী মেলায় স্টল সাজানো হয়েছে অর্ধশতাধিক। যার মধ্যে চামড়াজাত, পাটজাত, বুটিকস পণ্য, বাঁশ, বেত ও মাটির হস্তশিল্প, কারুশিল্প, খাবার স্টলসহ আকর্ষণীয় ডিজাইন ও সুলভ মূল্যের বিভিন্ন স্বদেশি পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আক্তার হোসেন বন্দর চেয়ারম্যান, নৌবাহিনীতে ফেরত যাচ্ছেন মনিরুজ্জামান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানকে বদলি করে নিজ কর্মস্থল নৌবাহিনীতে ফেরত পাঠানোর আদেশ হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণাালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম ১৬ আগস্ট এই আদেশ দেন। একই আদেশে রিয়ার অ্যাডমিরাল খন্দকার আক্তার হোসেনকে বন্দর চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমন একসময়ে এই আদেশ দেওয়া হলো যখন রিয়ার অ্যাডমিরাল মনিরুজ্জামান নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করতে সরকারের তিন মন্ত্রীর সঙ্গে মোংলায় ছিলেন। তিনি এখনো চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মস্থলে ফেরেননি। তার অধস্তন কর্মকর্তারাও বিষয়টি জানেন না।

নৌবাহিনী থেকে ফেরত নিতে আদেশ আসে ১২ আগস্ট। এরপর ১৩ আগস্ট সেটি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যায়। সেই আদেশেই বন্দরে নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের জন্য রিয়ার অ্যাডমিরাল খন্দকার আক্তার হোসেনকে প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর ১৬ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের জন্য নাম প্রস্তাব করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া সরাসরি জবাব না দিয়ে আগামীর সময়কে জানালেন, নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেই আসবে। তখন জানবেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের মধ্যেই নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের আদেশ নৌ মন্ত্রণালয় ও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান। দুই বছরের বেশি সময় দায়িত্ব থাকাকালে তিনি সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হন নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার তৎপরতা নিয়ে। চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী, বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীর আন্দোলন ও ধর্মঘট উপেক্ষা করে তিনি অন্তর্র্বতী সরকারের আমলে এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়া চূড়ান্ত করে ফেলেন। সে সময় প্রায় তিন দিন দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন বন্দর অচল ছিল। তখন দেশ জুড়ে হইচই পড়ে যায়। বন্দর ব্যবহারকারীদের তোপের মুখে পড়েন বন্দর চেয়ারম্যান। ২০০৯ সালের পর তার আমলেই চট্টগ্রাম বন্দর অচলের ঘটনা নজিরবিহীন।

তার সময়ে এনসিটির পাশাপাশি চিটাগাং কন্টেইনার টার্মিনালও বিদেশিদের দেওয়ার তোড়জোড় চলে। ডিপিএম পদ্ধতিতে প্রচুর প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন বন্দর শ্রমিকরা। তার সময়ে বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীরা তটস্থ ছিলেন।চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, এই চেয়ারম্যান বন্দরকে বিদেশি বেনিয়াদের দেওয়া রুখতে গিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। জেলে ঢুকিয়েছেন। আশা করব নতুন চেয়ারম্যান বিদেশিদের কাছে বন্দর দেওয়া রুখতে দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নেবেন না। মামলা প্রত্যাহার করবেন।

রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চীন থেকে ছয়টি জাহাজ কেনার প্রক্রিয়ায় একই মূল্যে মাত্র চারটি জাহাজ ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৪৮৩-৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি ও অনিয়ম অভিযোগের তদন্ত করছে দুদক। তার আমলেই বন্দর থেকে আড়াইশ পণ্যভর্তি কন্টেইনার গায়েবের ঘটনা ঘটে। যার কোনো সুরাহা হয়নি।

মাদকের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদকের মূল উৎস, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে বলে জানালেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় পরিদর্শন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সব থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশকে আরও সক্রিয়, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা, মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তি, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং থানাসমূহের সেবামুখী পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়।

মাদক নির্মূলের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডিআইজি বলেন, শুধু খুচরা বিক্রেতা নয়, মাদকের মূল উৎস, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিশ্চিত করতে ওসিদের নির্দেশ দেন তিনি।
ডিআইজি কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনই জনবান্ধব পুলিশিংয়ের প্রধান লক্ষ্য। সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। থানায় সেবা নিতে আসা নারী, শিশু ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ করা এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এসময় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। কিশোর অপরাধ, চুরি-ছিনতাই, ডাকাতি ও সাইবার অপরাধ রুখতে বিশেষ অভিযান ও নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। থানাকে জনগণের আস্থার স্থানে রূপান্তর করতে বিট পুলিশিং ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলাম। পরিদর্শন শেষে ডিআইজি রেঞ্জের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করে জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ