আমজাদ খান সভাপতি ও তারেক রহমান জাহাঙ্গীর সাধারণ সম্পাদক করে গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

 

গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের ২০২৪/ ২০২৫ সেশনের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির গঠন করা হয়। ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে ইকবাল কুটিরে ২য় তলা ( দৈনিক বাংলা ভূমি অফিসে ) বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উদযাপন, ঈদ পূর্ণমিলন ও গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের – ৩১ সদস্য কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দুপুরে পান্তা ইলিশ মাছ দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সংগঠনের উপদেষ্টা- অধ্যাপক মোঃ আবুল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, এ সময় বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক বাংলা ভূমি পত্রিকার প্রকাশ ও সম্পাদক ও সংগঠনের উপদেষ্টা মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার। এম আমজাদ খান কে সভাপতি ও তারেক রহমান জাহাঙ্গীর কে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়, কমিটিতে অন্য সদস্যরা হলেন কার্যকরী সভাপতি, সোনালী ভোরের সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি দৈনিক মুক্ত বলাকা হাজী কামাল চৌধুরী, সহ-সভাপতি গাজীপুর নিউজ ২৪. কম এর মোঃ ওবায়দুল ইসলাম সেলিম, সহ-সভাপতি মোঃ নরুল হক বাবু, সহ-সভাপতি বাংলার দূত এর উপ-সম্পাদক দেবাশীষ রায়, সহ-সভাপতি স্বতন্ত্র বার্তা সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান, সহ-সভাপতি বাংলাদেশ সমাচার এর সোহাগ রহমান, সহ-সভাপতি বাংলাদেশ সমাচারে এস এম মজিবুর রহমান নয়ন, সহ-সভাপতি গাজীপুর নিউজ টুডে সম্পাদক হাসান মাহমুদ সুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অপরাধ তথ্য এর মুনছুর শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনন্দ টিভির গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি মোঃ মনির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৈনিক মুক্ত বলাকার মোঃ শাকীদুল ইসলাম শাকিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সমাচারে মোঃ রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৈনিক সমাচারের জুনাইদ ইসলাম বাচ্চু , সাংগঠনিক সম্পাদক ভাষা টিভির সহ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক প্রধান সংবাদের শাকিল হাওলাদার স্বাধীন জনি, অর্থ সম্পাদক দৈনিক রুদ্র বাংলা মোঃ মমিন মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রার মোঃ আলমগীর ওয়েছি, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এমপিএস এর মোঃ মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক, দৈনিক প্রধান সংবাদ এর মোঃ কামরুজ্জামান সরকার জুয়েল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক দৈনিক অপরাধ তথ্য এর মোঃ শহিদুল ইসলাম সাগর, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক এড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিদ্দিকী, ক্রীড়া ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক দৈনিক মুক্ত বলাকার মোঃ বশির আহমেদ, ধর্ম বিষয় সম্পাদক দৈনিক মুক্ত বলাকার মোঃ শওকত হোসাইন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক দৈনিক বাংলা ভূমির মোহাম্মদ খোকন মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য-১ দৈনিক খবরপত্র এর মোঃ বশির আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য-২ এম এ মতিন জুয়েল, কার্যনির্বাহী সদস্য-৩ নয়া শতাব্দী মাহবুবুর রহমান জিলানী এ সময় স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রেলওয়ে সিজিডি শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিজিডি শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ নুরুল আলম বাবুল।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ মমিনুল ইসলাম মামুন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ—সহ-সভাপতি জনাব মোঃ মুজিব উদ্দিন ও মোঃ মনিরুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম মিঠু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাক আহমদ এবং ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ নাদিম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও স্থানীয় শাখার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ওপেন লাইন শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সভাপতি মোঃ ইমরুল চৌধুরী, চিনকী আস্তানা শাখা (ফেনী)-এর সভাপতি মোঃ মোখলেছুর রহমান, ষোলো শহর শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সভাপতি মোঃ শাহিন আলম, সিআরবি শাখার সদস্য সচিব মোঃ এ টি এম সোহেল রানা, কারখানা শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সদস্য সচিব মোঃ সোহেল মাহমুদ, ডিআরএম শাখা (চট্টগ্রাম)-এর সদস্য সচিব মোঃ সাইফুল আলম রিগেন এবং সদস্য সচিব মোঃ বশির আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ মমিনুল ইসলাম মামুন বলেন,রেলওয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন,নবগঠিত সিজিডি শাখা রেলওয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। কোনো বিভেদ নয়, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

মামুন বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে নিষ্ঠা, সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শ্রমিক-কর্মচারীদের যেকোনো ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকব।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অভিষেক অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নবগঠিত সিজিডি শাখার নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নবগঠিত সিজিডি শাখার নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে, জ্বলছেনা চুলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তীব্র গ্যাস-সংকটে বিপাকে পড়ছেন চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ। অনেকের বাড়িতে রান্নার গ্যাস না থাকায় বাধ্য হয়ে রেস্তোরাঁর খাবারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এমনকি শিল্প উৎপাদন ও সিএনজি পাম্পগুলোতেও এর প্রভাব পড়ছে।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) আগুন লাগার পর থেকেই সংকট শুরু হয়। ওই ঘটনার পর গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এদিকে গ্যাস সংকটে নগরের বহু এলাকায় বাসাবাড়ির চুলা আর জ্বলছে না। রান্না করতে না পেরে পরিবারগুলো বৈদ্যুতিক চুলা ও এলপিজির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে কাট্টলী, ইপিজেড, পতেঙ্গা, বন্দর ও সীতাকুণ্ড শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানায় গ্যাস সংকটে উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে।

রেনাববার নগরের আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকলিয়া, চান্দগাঁও ও পাহাড়তলী এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বাসাবাড়িতে রান্না বন্ধ রয়েছে। কোথাও ভোরে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা গ্যাস এলেও সকাল গড়াতেই চাপ একেবারে কমে যায়। কিন্তু সকাল থেকে জ্বলছে না কারো চুলো। ফলে নগরবাসীর বড় একটি অংশ ঝুঁকছেন বিকল্প জ্বালানীতে। কেউ কেউ দীর্ঘ অপেক্ষার পর রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে এনেছেন।

হালিশহরের বাসিন্দা গৃহিণী নাজমা আক্তার বলেন, সকালে একটু গ্যাস পাই, তখন সব রান্না একসঙ্গে করার চেষ্টা করি। না হলে ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করতে হয়। এতে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যাচ্ছে। বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তিন দিন ধরে দুপুর ও রাতে গ্যাস পাইনি। বাইরে থেকে খাবার আনতে হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এটা বড় কষ্ট।

চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, অনেক পরিবার এখন ছোট সিলিন্ডার ব্যবহার শুরু করেছে। কিন্তু এলপিজির অতিরিক্ত খরচ বহন করা সবার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।এদিকে নগরের অলংকার মোড়, জিইসি, আগ্রাবাদ ও বন্দর এলাকার কয়েকটি ছোট হোটেল ও রেস্তোরাঁয় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গ্যাসের চাপ কম থাকায় রান্নার সময়সূচি বদলাতে হচ্ছে। কেউ কেউ বিকল্প হিসেবে এলপিজি ব্যবহার করছে।

আগ্রাবাদের এক হোটেল মালিক আবদুল কাদের বলেন, গ্যাসের চাপ না থাকলে চুলা জ্বলে না। এলপিজিতে রান্না করলে খরচ অনেক বেড়ে যায়। দাম বাড়ালে ক্রেতা কমে যায়, না বাড়ালে লোকসান।অন্যদিকে গ্যাস সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শিল্প খাতে। পতেঙ্গা, ইপিজেড, কালুরঘাট, অক্সিজেন ও সীতাকুণ্ড শিল্পাঞ্চলের একাধিক কারখানায় প্রয়োজনীয় গ্যাসচাপ না থাকায় বয়লার ও জেনারেটর পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।

ইপিজেড এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য যে পরিমাণ গ্যাস দরকার, তার অর্ধেকও পাচ্ছি না। কিছু মেশিন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। অর্ডার সময়মতো সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এইচএম স্টিলের পরিচালক সরোয়ার আলম বলেন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং সরবরাহ না থাকায় আমরা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। সম্প্রতি গ্যাসের এ সংকটের জন্য আমাদের উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে। অথচ আমাদের ইউটিলিটি বিল ও ওভারহেড কস্ট (মাথাপিছু ব্যায়) হিসেব করলে কোটি টাকা দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে। উৎপাদন ব্যয় ক্রমাগত বাড়লে বিক্রয়মূল্যও বেড়ে যেতে পারে।

সূত্র জানায়, কক্সবাজারের মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালটি গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকেই দেশে এলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর উপমহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, টার্মিনালটিতে দুটি বয়লার রয়েছে। এর একটিতে অগ্নিকাণ্ডজনিত কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় পুরো টার্মিনাল বন্ধ রাখতে হয়েছে।তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে একটি বয়লার চালু করা সম্ভব হবে। তখন দৈনিক প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যেতে পারে।

জানা গেছে, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামেও লোডশেডিং বেড়েছে। বন্দর এলাকার ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস বলেন, গ্যাস নেই, আবার বিদ্যুতও বারবার চলে যাচ্ছে। দোকানের ফ্রিজ ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে সমস্যা হচ্ছে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কয়েকটি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে মানুষ বৈদ্যুতিক চুলা বেশি ব্যবহার করায় চাহিদা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেডের (জিটিসিএল) অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দৈনিক চাহিদার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট সংকট তৈরি হচ্ছে। আমাদের দৈনিক চাহিদা রয়েছে ২৬-২৭’শ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে আমাদের সবক্ষেত্রে সমান ডিস্ট্রিবিউশন ঠিক রাখতে কিছু সময় অফ (বন্ধ) রাখতে হচ্ছে। অথবা চাপ কমাতে হচ্ছে। তাই স্বীকার করতেই হচ্ছে, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে গ্যাসের ভোগান্তিতে মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠছে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ