৪৮ ঘন্টার মধ্যে শাস্তি মূলক ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন-বিএইচআরএফ

বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিমানবন্দরে ৫ প্রবাসীকে নিরাপত্তারক্ষীদের মা’র ধরের ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে শাস্তি মূলক ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন-বিএইচআরএফ

মানবাধিকার প্রেস রিলিজ :- গতকল্য ৮/১/২৫ বুধবার রাতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে ৫ প্রবাসী শারীরিক নির্যাতন ও আহত ব্যক্তিকে উল্টো সামারী ট্রায়েল করে পাঁচজাজার টাকা জরিমানার ঘটনা মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতি দৃষ্টিগোচর হলে এতে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন। বিএইচআরএফ চেয়ারপার্সন এডভোকেট এলিনা খান ও মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান মানবাধিকার লংঘনের এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান ও দায়ী ব্যাক্তিদের বিলম্ব না করে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে এবং আহত ভিকটিমদের সূচিকিৎসা ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরন দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।হেনস্থার শিকার যাত্রীরা অপরাধ করলে তাদের আইের কাছে সোপর্দ না করে তাদের শারীরিক মানসিক নির্যাতন একটি গুরুত্বর শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়ের চারজন এবং বাংলাদেশের এক নাগরিককে হেনস্তা করা হয়েছে এবং এর মধ্যে নরওয়ের একজনকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে এবং সামারী ট্রায়েল করে তাদের ৫০০০/- টাকা জরিমানা মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিএইচআরএফ এ ব্যাপারে আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের ঘোষনা দেয় এবং এ ব্যাপারে আইনী পদক্ষেপ নিতে সরকারকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করে । বিমানবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার রাত আটটার দিকে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানপি-২ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।বিমানবন্দরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর একটি সূত্র জানায়, মারধরের শিকার যাত্রীর নাম মোহাম্মদ সাইদ উদ্দিন। অন্য চারজন হলেন সাইদের বাবা গিয়াস উদ্দিন, মা বেগম মনোয়ারা, ভাই মোহাম্মদ মহি উদ্দিন এবং গিয়াস উদ্দিনের পুত্রবধূ ইপসা জান্নাতুল নাঈম। এই পাঁচজনকেই হেনস্তা করা হয়েছে। নরওয়ের নাগরিকদের হেনস্তা, একজনকে মারধরের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লংঘন। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাঁকে আইনের হাতে তুলে দিতে হবে। শারীরিক নির্যাতন মারাত্মক শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়েজিয়ান নাগরিক ও একজন বাংলাদেশি নাগরিকের প্রতি হেনস্তা এবং শারীরিক হামলার ঘটনায় ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বিচার দাবী করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অভিযোগে জানা গেছে , বিমানবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যার ফলে মোহাম্মদ সাইদ উদ্দিন নামক একজন যাত্রী মারধরের শিকার হয়ে রক্তাক্ত হন।এই ঘটনা বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১-এর লঙ্ঘন, যা আইনের সুরক্ষা এবং আইনের অধীনে সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে। একইভাবে, এই ঘটনা অনুচ্ছেদ ৩৫-এর অধীনে নিষ্ঠুর, অমানবিক বা লাঞ্ছনাকর আচরণ নিষিদ্ধ করার বিধানও ভঙ্গ করেছে। এছাড়া, এই ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেরও বিরোধী, যেমন বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণা (UDHR) এর অনুচ্ছেদ ৫ এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক ও রাজনৈতিক অধিকার কনভেনশন (ICCPR) এর অনুচ্ছেদ ৭, যা বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র হিসাবে মান্য করতে বাধ্য।এই অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাদের ক্ষতির জন্য পূর্ণ এবং সুবিচারমূলক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী। উপরন্তু, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত এবং শাস্তি প্রদান করা উচিত।
এই লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএইচআরএফ সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে:
১.৪৮ ঘন্টার মধ্যে দায়ী রক্ষীদের প্রত্যাহার,সাময়িক বরখাস্ত করা।
২. একটি স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত চালানো, যাতে সমস্ত অপরাধীকে, তাদের পদমর্যাদা বা সংস্থার সদস্য পরিচয় যাই হোক না কেন, যথাযথভাবে দণ্ডিত করা হয়।
৩. ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন প্রদান করা, যা বাংলাদেশের সংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাসমূহের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
৪. বিমানবন্দর নিরাপত্তা কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে মানবাধিকার, পেশাদার আচরণ এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করা।
৫. সরকারি দুঃখ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীদের সম্মান পুনরুদ্ধার করা এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী সম্প্রদায়ের আস্থার পুনর্স্থাপন করা।

বিএইচআরএফ বাংলাদেশে সকল ব্যক্তির, বিশেষ করে প্রবাসী সম্প্রদায়ের, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষার প্রতি প্রতিশ্রুতি ক্ষুন্ন করে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা কমিয়ে দেয়। এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহানগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার প্রজননস্থল ধ্বংসে চসিকের অভিযান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) মেয়রের নির্দেশনায় নগরের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের মাধ্য মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি মশার লার্ভা নিধনে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ এবং নগরবাসীকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতন করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে মশার প্রজননস্থল সৃষ্টির জন্য দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হয়।

চসিক জানিয়েছে, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এদিকে, নগরবাসীকে বাড়ির আঙিনা, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চসিক। বিশেষ করে ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসাসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও জমে থাকা পানি অপসারণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রমে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।তিনি বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমিয়ে একটি নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে চায় চসিক। এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চট্টগ্রামে আদালতের এজালাসে বাদীকে গলায় চুরি ডুকিয়ে দিল আসামীরা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আদালত ভবনের এজলাস কক্ষে মামলার বাদীকে গলায় চুরি ডুকিয়ে দিয়েছে আসামীরা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম মেট্টাপলিটন মেজিস্টেট আদালত -৩ এর এজলাস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পর বিচারকের নির্দেশে পুলিশ পাঁচলাইশ থানাধীন হাদুমাঝি পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী নূরুল কবিরকে রক্তাক্ত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। নুরুল কবির স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে চাাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, চুরিসহ তিনটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই মামলার বিচারকাজে উপস্থিত হলে আসামীরা এমন ঘটনা ঘটায় বলে তার স্বজনরা অভিযোগ করেছেন।

ঘটনাস্থলে থাকা নুরুল কবিরের স্ত্রী রুনা আক্তার রূপা বলেন, আজকে মামলার হাজিরা ছিল। আমার স্বামী এজলাসে ডোকার কিছুক্ষণ পর মামলার আসামী ইলিয়াস হোসেন অপু, জয়নাল আবেদীন সোহেল, এমরান, আনোয়ারসহ আরো কয়েকজন মিলে তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে গলায় চুরি ডুকিয়ে দেয়। এ সময় তার আত্মচিৎকারে আসামীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এর আগে আসামীরা গ্রেফতার হয়। সম্প্রতি এরা জামিনে বেরিয়ে আসে।
জানা গেছে, নুরুল কবিরের সাথে আসামীদের পূর্ব বিরোধ রয়েছে। বিভিন্ন ঘটনায় নুরুল কবির ও তার স্ত্রী রুনা আক্তার রূপা (৩০) বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা নং-০৩(১১)২০২৪, মামলা নং-০৪(৬)২০২৬, মামলা নং-২৩(৬)২০২৬ দায়ের করে। যাহা আদালতে বিচারাধীন এবং থানায় তদন্তাধীন আছে। এতে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটায়। সম্প্রতি নুরুল কবিরের পাঁচলাইশের বাসায় দিন-দুপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৩ দিন পর অবশেষে চুরির মামলা গ্রহণ করে ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, পাঁচলাইশ থানাধীন হাদুমাঝি পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী নূরুল কবিরের বাড়ীতে ২০২৪ সালে নগদ ১৪ লক্ষ টাকা চুরির ঘটনায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ইলিয়াস হোসেন অপুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৫ সালের প্রথম দিকে তাহসিন হত্যা ও চুরির মামলা থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে ইলিয়াস হোসেন অপু নুরুল কবিরের নিকট সরাসরি ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবীসহ মামলা তুলে না নিলে ডিশ-ওয়াইফাই ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকী প্রদান করেন।

তাদের দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ জুন সাবেক যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন সোহেল ও ইলিয়াস হোসেন অপুর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা নুরুল কবিরকে তুলে নিয়ে সোহেলের রিক্সার গ্যারেজে আটকে রেখে ২ দিনের মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী পূর্বক মারধর করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। উক্ত ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হলে সন্ত্রাসীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন নুরুল কবিরের বাসার সামনে এসে তাকে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় তার স্ত্রীকেও ব্যাপক মারধর করে সন্ত্রাসীরা। উক্ত ঘটনায় আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে সন্ত্রাসীরা নূরুল কবিরকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রতিনিয়ত হুমকী দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ডিশ-ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তার ব্যবসা বন্ধ করে দেয়। সন্ত্রাসীদের হামলার ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে নুরুল কবির অন্যত্র বসবাস করলেও তার স্ত্রী-সন্তানেরা বাসায় থাকতেন।

গত ২৮ আগষ্ট জুমার নামাজের সময় অপু-সোহেলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি ডাকাতদল ডাকাতির উদ্দেশ্যে নুরুল কবিরের বাড়ির সিসি ক্যামরা ভাংচুর করে বাসায় ঢুকে কবিরের স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে বাথরুমে আটকে রেখে নগদ ৬ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা এবং স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপসহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর পরই সিএমপির পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। অজানা কারণে পুলিশ চুরির মামলা (নং ২৪(৮)২৬) গ্রহণ করে। এতে এমরান, ফয়সাল, ইলিয়াস হোসেন অপু, জয়নাল আবেদীন সোহেল, আনোয়ার, রবিউল হাসান, জালাল আহম্মেদ পারভেজ এবং অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়। ৩০ আগষ্ট দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এজাহারনামীয় আসামি রবিউল হাসান, জালাল আহম্মেদ পারভেজ এবং ফয়সালকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। পরে তারা জামিনে বেরিয়ে আসে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ