চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দুই প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪০ জন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে দুটি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে ২১টি পদের জন্য ৪০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। উক্ত নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে সমিতির নির্বাচন কমিশন। চূড়ান্ত তালিকায় দুটি প্যানেলের এই ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে দুই প্যানেলের প্রার্থীদের প্রচারণায় আদালত এলাকা সরগরম হয়ে উঠেছে।

সমন্বয় পরিষদ সূত্র জানিয়েছে, সমন্বয় পূর্ণ প্যানেল দিয়েছিল। কিন্তু দুই সদস্যের মনোনয়নপত্রে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়। বর্তমানে এই প্যানেলে সম্পাদকীয় ১০টি পদে ও সদস্যপদে নয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট উত্তম কুমার দত্ত বলেন, বর্তমানে সম্পাদকীয় ১০টি পদে প্রার্থী সংখ্যা ২০ ও নির্বাহী সদস্যপদের ১১ পদে প্রার্থী ২০ জন।
নির্বচন কর্মকর্তা এডভোকেট তারিক আহমেদ বলেন, মনোনয়নপত্রে সমর্থকের নাম ঠিকানা ও সমর্থক আইনজীবীর লিন নম্বর (আইনজীবী পরিচিতি নম্বর) সঠিক না থাকা এবং গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু ত্রুটির কারণে দুই সদস্যপদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল।

জানা গেছে, বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল আইনজীবী ঐক্য পরিষদ নামে যৌথ প্যানেল ঘোষণা করে নির্বাচনী প্রচারণায় মেতেছে। প্যানেল ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদও।
এদিকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ভাবধারা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী দাবি করা আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সম্পাদকীয় ১০টি ও নির্বাহী সদস্যের ১১টির মধ্যে সবকটি পদে প্রার্থী দিয়েছে। অপরদিকে, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করা আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সম্পাদকীয় ও নির্বাহী সদস্যপদের সবকটিতে প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু কিছু ত্রুটির কারণে নির্বাচন কমিশন নির্বাহী সদস্যপদের দু’জনের প্রার্থিতা বাতিল করে।
দুই প্যানেলসূত্রে জানা গেছে, আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্যানেলের নাম সাত্তার-হাসান-বারী প্যানেল এবং সমন্বয় পরিষদ রশীদ-জাবেদ-মাহতাব নামে প্যানেল ঘোষণা দিয়েছে। আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানলের এডভোকেট আব্দুস সাত্তার সভাপতি, মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক ও ফজলুল বারী সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের এডভোকেট মো. আব্দুর রশীদ সভাপতি, মো. ফখরুদ্দিন জাবেদ সাধারণ সম্পাদক ও মাহতাব উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঐক্য পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী মোহাম্মদ সিরাজ, সহ-সভাপতি আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুছ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল বারী, অর্থসম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফি বিনতে মোতালেব, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুল জব্বার, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মনজুর হোসেন।নির্বাহী সদস্য আছমা খানম, মো. শাহেদ হোসেন, এহছান উল্লাহ মানিক, মোহাম্মদ মোরশেদ, বিবি ফাতেমা, মেজবাহ উল আলম এমিন, মির্জা মো. ইকবাল, হেলাল উদ্দিন, মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী, রাহেলা গুলশান ডালিয়া ও মো. রোবায়তুল করিম।

সমন্বয় পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল আলম, সহ-সভাপতি জামাল হোসেন, অর্থসম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ কাদের আলী শাহ আরমান, পাঠাগার সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফৌজিয়া আফরোজ, ক্রীড়া সম্পাদক এজেএম রাবেত হোসাইন, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মো. রবিউল আলম। নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল মাওয়া কাজল, পারভীন আক্তার পাপিয়া, মোহাম্মদ শাহ মোয়াজ্জেম, মনির আহমেদ মামুন, কাজী শাহেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, মো. বাবুলুর রশীদ, শাহাদাত হোসেন ও মো. ইমরান উদ্দিন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ