বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রয়োগ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করে: চুয়েট ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং চিকিৎসাবিদ্যা ও প্রকৌশলের মাঝে একটি সেতুর ন্যায় কাজ করে। এখানে চিকিৎসাবিদ্যা ও জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন সমস্যা প্রকৌশল বিদ্যা প্রয়োগ করে সমাধান করা হয়। চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রকৌশলের প্রয়োগ ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবা, রোগ নির্ণয় পদ্ধতি ও মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করার প্রচেষ্টা চালানো হয়।

রোগ নিয়ে গবেষণা, মেডিকেল ইকুয়েপমেন্টের উন্নয়ন, রোগ নির্ণয়ের নতুন ও কার্যকরী পদ্ধতি আবিষ্কার, আর্টিফিশিয়াল প্রস্থেটিকস ডিজাইনিং এবং চিকিৎসাক্ষেত্রের সামগ্রিক মান উন্নয়ন করার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালানো হয় বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। দেশের স্বাস্থ্য খাতকে সুসংগঠিত করতে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিভাগের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। চুয়েটের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ আগামী দিনে শিক্ষা-গবেষণায় আরো অনেক অবদান রাখতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত “বিএমই বিটস-২০২৫” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম, এপিক হেলথ কেয়ার এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এসএম লোকমান কবির। এতে সভাপতিত্ব করেন চুয়েটের বিএমই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাশ। আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী তানভীর আহমেদ ও বিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ ফজলুল করিম খন্দকার। বিদায়ী ব্যাচের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন হাফসা খান ত্রিনা, আরিফা তানজিম ও জোবায়ের বিল্লাহ অর্নব। এতে সঞ্চালনা করেন বিএমই ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মুসারাত হাবিব।

প্রসঙ্গত, বিএমই বিটস ২০২৫ অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি র‌্যালী বিএমই বিভাগ থেকে শুরু হয়ে অডিটোরিয়াম শেষ হয়। এরপর কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। দুপুরে “ফটোনিক্স ফর ইমার্জিং এপ্লিকেশন ইন বায়োমেডিক্যাল ইমেজিং এন্ড সেনসিং” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে কী-নোট স্পিকার ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী তানভীর আহমেদ। এছাড়া, উক্ত অনুষ্ঠানে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় দেওয়া হয়। এতে স্পন্সর হিসেবে ছিল পার্টিক্যালস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ডেসকো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণকালে ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় সংহতির প্রতীক হিসেবে এ দিবসের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ৭ নভেম্বরের বিপ্লব আমাদের অনুপ্রেরণা। এদিনে আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে নতুন যাত্রা শুরু করেছি। সিপাহি জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই দিনের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর ষোলশহর ২ নং গেইটস্থ শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত বিপ্লব উদ্যানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভিন দেশের আধিপত্য মোকাবেলায় ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করতে হবে। ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে এ দেশের মাটি ও মানুষকে মুক্ত করতে জিয়াউর রহমানের যুগ শ্রেষ্ঠ ভূমিকার কথা স্মরণ করে এদেশের সিপাহী জনতা ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর বিপ্লব এদেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিতে ৭ নভেম্বরের বিপ্লবী চেতনা কিশোর তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

সিটি প্রশাসক বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপকার। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সময় তিনি জানতেন, এ ঘোষণার কারণে তাঁকে কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হতে হতে পারে। তারপরও নিজের পরিণতির কথা চিন্তা না করে তিনি দেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের পক্ষে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই দেশ পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে যায় এবং জনগণের ক্ষমতায়নের সূচনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চেতনা ধারণ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, আজকের দিনে আমাদের শপথ হোক, শহীদ জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা, আইন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুরাদ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. খোরশেদুল আলম, মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু সহ চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, ম্যাজিস্ট্রেবৃন্দ, শাখা প্রধানবৃন্দ, বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং সিবিএ নেতৃবৃন্দ।

নোয়াখালীতে সংস্কার হচ্ছে রেলপথ, চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী অঞ্চলের রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর আওতায় লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন, স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন আন্তনগর ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর চৌমুহনী রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম ও নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

জনপ্রশাসন সচিব বরেন, নোয়াখালী ও চৌমুহনী অঞ্চলের স্টেশনগুলোর প্ল্যাটফর্ম ছোট হওয়ায় যাত্রীদের ওঠা-নামায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের একটি নতুন অংশ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রসারিত প্ল্যাটফর্ম চালু হলে একযোগে ১৬টি কোচবিশিষ্ট ট্রেনের যাত্রীরা নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবেন। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মের মেঝে পেভিং করা, অ্যাকসেস কন্ট্রোল ব্যবস্থার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করা এবং স্টেশন ভবন ও শেডের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে। নোয়াখালী বাসীর যাতায়াত সুবিধার জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও নতুন বরাদ্ধকৃত আন্তঃনগর সুবর্ণচর এক্সপ্রে খুব শীঘ্রই চালু করা হবে।

রেলপথ আধুনিকায়নের বিষয়ে রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী (পূর্বাঞ্চল) তানভীরুল ইসলাম বলেন, লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত ৪৮-৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আওতায় প্রায় ৪০ কোটি টাকার একটি প্যাকেজের দরপত্র ৫ নভেম্বর আহ্বান করা হয়েছে। এর আওতায় ক্ষয়প্রাপ্ত রেলপাত ও স্টিল স্লিপার পরিবর্তন, নতুন পাথর (ব্যালাস্ট) স্থাপন, ফিটিংস আধুনিকায়ন, ব্যাংক প্রটেকশন ওয়াল নির্মাণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ লেভেল ক্রসিংগুলোর মানোন্নয়ন করা হবে। ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিটারগেজ ইঞ্জিনের (লোকোমোটিভ) কিছুটা সংকট থাকায় নতুন ট্রেন পরিচালনা আপাতত আটকে আছে।

তবে চট্টগ্রাম-দোহাজারী প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি নতুন মিটারগেজ লোকোমোটিভ (প্রতিটি প্রায় ৫০ কোটি টাকা) ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে এসব ইঞ্জিন ও নতুন কোচ বহরে যুক্ত হবে। ইঞ্জিন ও কোচ হস্তান্তরিত হলে বর্তমানে চলন্ত ‘উপকূল এক্সপ্রেস’-এর বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ চালুর কাজ পুরোপুরি প্রস্তুত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সচিব।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ