ছাত্রদলের সাবেক নেতা আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদ

নাহিদুজ্জামান নিশাদের রক্তে বিএনপির রাজনীতি মিশে আছে৷

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধ ঃ

৩১ দফা প্রচারে ও সাংগঠনিক উন্নয়নে ব্যস্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

  1. গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ৮নং জুমারবাড়ি ইউনিয়নের বগারভিটা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও প্রভাবশালী মন্ডলের পরিবারের পুর্বপুরুষ ছিলেন পীর মোহাম্মদ মন্ডল। তিনি মৃত্যু বরণ করলে পুত্র ফরিদ মন্ডল, ফরিদ মন্ডল মৃত্য বরণ করলে পুত্র নুর হোসেন মন্ডল, নুর হোসেন মন্ডল মৃত্য বরণ করলে পুত্র আব্দুল লতিফ মন্ডল, আব্দুল লতিফ মন্ডল মৃত্য বরণ করলে পুত্র আব্দুল্লাহ মন্ডল থাকেন । এই আব্দুল্লাহ মন্ডলের পুত্র আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদ মন্ডল।
    পিতার হাত ধতে আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদের পিতা আব্দুল্লাহ মন্ডল বগুড়া শহরে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করেন৷ তিনি বগুড়া শহরে বিএনপি’র রাজনীতি করতেন। তিনি বগুড়া শহর বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি ছিলেন। তিনি বগুড়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন।তিনি প্রভাবশালী পরিবহন নেতাও ছিলেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসায় ব্যপক সাফল্য লাভ করেন৷
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ গত  ১ ডিসেম্বর ১৯৭৬  জন্ম গ্রহণ করেন৷ তাঁর রক্তে পৈত্রিক সুত্রে জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারা প্রবাহমান থাকে৷ তাই তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন৷ তিনি ১৯৯৪ খ্রি: সনে বগুড়া শহর ছাত্রদলের সেউজগাড়ি আঞ্চলিক কমিটির সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন৷ তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন৷
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ ১৯৯৭ খ্রিঃ সনে বগুড়া শহরের এক বিশিষ্ট শিল্পপতির কন্যাকে বিবাহ করেন৷ তাঁর স্ত্রীও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী৷ নিশাদ দম্পতির ঘরে এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে৷ তাঁদের কন্যা ডাক্তার এবং বড় ছেলে আমেরিকায় এরিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত৷ তাঁদের ছোট ছেলেও ছাত্র৷
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদের একমাত্র বোন বর্তমানে স্বামীর সাথে আমেরিকা প্রবাসি। এই বোনের স্বামী মেজর (অব:) মো: রাসেল পি,এস,সি, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এস,এস,এফ) এর সদস্য হিসেবে ২০০১ খ্রি: সনে বি এন পি সরকার গঠন করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন । সেই কারণে পরবর্তীতে আওয়ামী সরকারের চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে চাকরি ছেড়ে প্রবাস জীবন বেছে নিতে বাধ্য হন।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ ২০০১  প্রথম হজ্ব ব্রত পালন করেন৷ এরপরে আরো ৪ বার হজ্বব্রত ও ৭/৮ বার ওমরা পালন করেন।
    মোঃ নাহিদুজ্জামান নিশাদ পিতার হাত ধরে ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন৷ তিনি যে ব্যবসায় হাত দিয়েছেন, সেখানেই সাফল্য পেয়েছেন৷ বর্তমানে তিনি নানা ধরণের ব্যবসা ও শিল্পকারখানার মালিক৷ তিনি একটি স্থানীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ও প্রকাশক।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদের পিতা মৃত্য বরণ করলে বিএনপি’র বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সেসময়ে তাঁদের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত প্রার্থনা করেন ও পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানান। সেসময় তিনি এই পরিবারের রাজনৈতিক অবিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দেন।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ ২০০৫  বগুড়া চেম্বার এন্ড কমার্সের ডিরেক্টর পদে নির্বাচিত হয়ে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে শুধু মাত্র জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে জড়িত থাকার কারনে তাঁর জন্য চেম্বার ভবনের দরজা বন্ধ হয়ে যায়৷
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক জীবনে দারুণ সফলতা পেলেও তার মনের মধ্যে নিজ এলাকার মানুষের জন্য ছিল অফুরন্ত ভালোবাসা৷ তাই তিনি সময় পেলেই ছুটে যান সাঘাটা ফুলছড়িতে৷ তিনি চেনা-অচেনা মানুষের খোজ খবর রাখতেন৷ তিনি বিএনপি’র নেতা কর্মিদের পাশে থাকতেন৷
    ২০১৮  সনের নির্বাচনের পর ২০২১ সনের দিকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের নির্মম নির্যাতন পুনরায় শুরু হলে মুক্তিকামী বিএনপি ও এর অংগ সংগঠনের বহু নেতা কর্মী আটক হতে থাকে৷ নিশাদ এই সময় সাঘাটা ফুলছড়ি সহ গাইবান্ধার আটক নেতা কর্মীদের জেল খানার পিসিতে অর্থ জমা, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও জামিনের ব্যবস্থা করতে থাকেন। এই তালিকায় ওয়ার্ড থেকে শুরু করে জেলা কমিটিরও নেতা কর্মি আছে। দলের দুর্দিনে নেতা কর্মিদের নিকট যখন ১ টাকা ১ লক্ষ টাকার সমান মনে হতো তখন তিনি বলতে গেলে একাই এই সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন । বিএনপি’র প্রতি ভালোবাসায় তাঁকে নেতা কর্মির প্রতি এমন দায়িত্ববান করেছিল। প্রতিদানে সাঘাটা ফুলছড়ি সহ গাইবান্ধা জেলার বিএনপি ও অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীও তাঁকে আপন করে নিয়েছে।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ বগুড়া শহরে একটি রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক হোটেল স্থাপন করেন৷ এখানে তাঁর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্র হতে আগত বিএনপি’র নেতা কর্মীদের নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করা৷ ফ্যাসিস্ট শাসকের তাবেদার প্রশাসনের ভয়ে বগুড়ায় আগত কেন্দ্রীয় নেতা সহ অন্যান নেতা কর্মীদের যখন অনেকেই আবাসন দিতো না তখন নিশাদের হোটেল হোটেল ছিল অন্যতম ভরসা। বিএনপি নেতা কর্মিদের আবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য তাঁকে হেনস্তা হতে হয়েছে বারবার।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদের রক্তে বিএনপির রাজনীতি মিশে আছে৷ তাই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক জনাব রহমানের দেওয়া দায়িত্ব (সহ-সভাপতি, গাইবান্ধা জেলা বিএনপি) নিষ্ঠার সাথে পালন করে সাঘাটা ফুলছড়ির আপামর জনতা ও বিএনপির উন্নয়নে সার্বক্ষণিক কাজ করে চলেছেন৷ তিনি দীর্ঘকাল ধরে দাদার হাতে প্রতিষ্ঠিত জুমারবাড়ি দারুল হাদিস সালাফিয়া ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব পালন করে মাদ্রাসার উন্নয়নে কাজ করছেন। তিনি সাঘাটা ফুলছড়ি এলাকায় কয়েকটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। এছাড়া তিনি অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপশানালয়ের উন্নয়নে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসন উচ্ছেদের আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ৫ আগষ্ট পূর্ববর্তী উত্তাল দিনগুলোতে বগুড়ার রাজপথে দলীয় নেতা কর্মি সহ জনতার আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে স্বৈরাচারের পতন তরান্বিত করেছেন । তাঁর এই আন্দোলন সংগ্রামের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বহুল প্রচারিত হয়েছে।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে বিএনপি’র একজন কর্মি হিসেবে সাঘাটা ফুলছড়িতে কাজে আত্ন নিয়োগ করেন। কিন্তু বিএনপির রাজনীনিতে তাঁর অবদান, ত্যাগ, দুর্দিনে নেতা কর্মির পাশে দাঁড়ানো ও দলের প্রতি আনুগত্য ইত্যাদি দেখে সাঘাটা ফুলছড়ি সহ গাইবান্ধা জেলা বিএনপির ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সুপারিশে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নিজস্ব অনুসন্ধানে যোগ্য প্রমাণ হওয়ার মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির পদ লাভ করেন। এই সময়ে বিএনপিতে সদস্য পদ প্রদান স্থগিত থাকলেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিজে নিশাদকে এই সম্মানিত রাজনৈতিক পদ প্রদান করেন।
    সাঘাটা ফুলছড়ি ঘুরে দেখা গেছে আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদ সাঘাটা ফুলছড়ি বিএনপির মধ্যে প্রাণের সঞ্চার করেছেন।
    বিএনপি ও অংগ সংগঠনের নেতা কর্মি এবং সাধারণ ভোটার দের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে, আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদকে ধানের শীষের প্রার্থী করা হলে তিনি ইতিহাস গড়ে এই আসনটিতে জয় লাভ করবেন, যা অন্যদের দিয়ে সম্ভব হবে না।
    আলহাজ্ব নাহিদুজ্জান নিশাদের সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সাঘাটা ফুলছড়ির মানুষের জন্য কাজ করছেন। বর্তমানে সাঘাটা ফুলছড়ি বিএনপির নেতা কর্মীগণ তার সাথে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান প্রণীত ৩১ দফা প্রচারে ও সাংগঠনিক উন্নয়নে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর প্রতি দলীয় নেতা কর্মি ও সাধারণ ভোটার যে আস্থা ও বিশ্বাস রাখেন তাতে করে ধানের শীষ প্রতিকের মাধ্যমে জয় লাভ করে তিনি গাইবান্ধা-৫ আসনটি বিএনপিকে উপহার দিতে পারবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম ওয়াসা সাড়ে দশ হাজার নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার পরিবর্তন করছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার গ্রাহকদের অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার তথা গড় বিল জারী হওয়া মিটারসমূহ পরিবর্তনের জন্য গত ১৭সেপ্টেম্বর ২০২৬তারিখে এলটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করা হয়। এপ্রেক্ষিতে ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় সাড়ে দশ হাজার মিটার পরিবর্তন করার কাজ চলছে। গ্রাহক সেবা সহজীকরণ, গড় বিলের অভিযোগ এবং সর্বোপরি রাজস্ব আদায়ের স্বচ্ছতার স্বার্থে এই অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার প্রতিস্থাপন কাজ হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। পানির মিটার নষ্ট/অচল বা চুরি হলে অনেক সময় গ্রাহকদের গাফেলতি বা বিলম্বে মিটার পরিবর্তনের ফলে নিয়ম অনুযায়ী ওয়াসা গ্রাহকের কাছে গড় বিল জারী করে। গড় বিল জারীর ফলে নিয়মিত বিলের সাথে পার্থক্য পরিলক্ষিত হলে গ্রাহক বিল বেশি আসছে অভিযোগ, ওয়াসার বিল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে। এই অহেতুক ঝামেলা ও গ্রাহকদের নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির বিষয়টি চিন্তা করে চট্টগ্রাম ওয়াসা সাড়ে দশ হাজার গ্রাহকের অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার প্রতিস্থাপন করছে।

০৪ নভেম্বর ২০২৬ (বুধবার) চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম সকাল ১১:০০ টায় হালিশহর বড়পোল এলাকায় সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে তিনি মিটার প্রতিস্থাপন কাজের প্রয়োজনীয়তা, গ্রাহকদের সমস্যা ও মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, প্রতিকার নিয়ে গ্রাহকদের সাথে কথা বলেন। গ্রাহকগণ মিটার প্রতিস্থাপন কাজের ফলে গড় বিলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম ওয়াসায় যোগদানের পর থেকে পানি সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতির চেষ্টা ও রাজস্ব আদায়ে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য গ্রাহকগণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা সম্মানিত গ্রাহকদের সেবা সহজীকরণের বিষয়ে বদ্ধপরিকর। চট্টগ্রাম ওয়াসায় যোগদানের পর থেকে গড় বিল, বেশি বিল, ভুতড়ে বিল এসব অভিযোগ নিয়ে গ্রাহকগণ স্বশরীরে বা লিখিতভাবে অভিযোগ নিয়ে আসছেন। এসব সমস্যার মুল কারণ বের করলে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় গ্রাহকের মিটার নষ্ট/অচল বা চুরি হয়ে গিয়েছে। গ্রাহক মিটার প্রতিস্থাপনে বিলম্ব বা অনেক সময় অনীহা প্রকাশ করায় চট্টগ্রাম ওয়াসা আইন অনুযায়ী গড় বিল জারী করতে বাধ্য হয়। গ্রাহকদের সুবিধার্থে সাড়ে দশ হাজার মিটার চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিস্থাপন করে দিচ্ছে। এর ফলে সম্মানিত গ্রাহকগণ মিটার রিডিং অনুযায়ী বিল পাবেন এবং ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ থেকে আমরাও রক্ষা পাবো। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে পানির মিটারের সঠিক রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল জারি হলে রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পাবে। একাজে গ্রাহকগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) মিজ্ শারমিন আক্তার, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মিজ্ সাজিয়া পারভীন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রুমন দে, রাজস্ব কর্মকর্তা এরফানুল করিম সাজ্জাদ ও সংশ্লিষ্ট মিটার পরিদর্শক।

চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ