স্মৃতির পাতায়

মহান মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিঝরা দিনগুলি বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ

লেখক : প্রাবন্ধিক যুগ্ম পরিচালক (অব.), বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাকিস্তান আমলে সক্রিয় ছাত্রকর্মী হিসেবে ছাত্র সমাজের ১১দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী । পরবর্তীতে ৭০ এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা অর্জন করলেও ইয়াহিয়া খানের নানামুখী ষড়যন্ত্র করে বঙ্গবন্ধুর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর বন্ধ করে বাঙালী জাতিকে দাবিয়ে রাখার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনের সংগঠক হিসাবে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।

বাঙ্গালী জাতির মহান মুক্তিযুদ্ধে ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি ছাত্র ইউনিয়নের বিশেষ গেরিলা বাহিনীর একজন ভারতীয় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত গেরিলা বাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধের গেরিলা যোদ্ধা ছিলাম। এছাড়াও চাকুরীতে যোগদানের আগ পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন এবং শ্রমিক সংগ্রামে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আজ পাঠকদের জন্য আমার ছাত্রজীবন ও যুদ্ধকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করছি। আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ পিতা- মনোহর আলী, মাতা- ছবুরা খাতুন, গ্রাম- তেকোটা, ডাকঘর- গৈড়লা, উপজেলা পটিয়া, জিলা- চট্টগ্রাম। আমি কৃষক পরিবারের সন্তান, পরিবার কৃষি আয়ের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। বাবা মনোহর আলী কৃষক হলেও তিনি ছিলেন গ্রামের মাতাব্বর।

তার কথায় গ্রাম ও সমাজ চলতো। তিনি একজন কৃষক সমিতির নেতাও ছিলেন। পাঁচ ভাই চার বোনের মধ্যে আমিই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পড়াশুনা করেছি। আমি গৈড়লা কেপি উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি পটিয়া সরকারী কলেজ হতে এইচ.এস.সি ও ডিগ্রী পাশ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাজনীতি বিজ্ঞানে এম.এ পাশ করি। চট্টগ্রাম আইন কলেজে অধ্যায়ন করি। ছাত্র জীবনের শুরু হতে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হই। তবে সাংগঠনিক ভাবে ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হই। এবং একই সাথে গোপন সংগঠন কমিউনিস্ট পার্টি’র সংস্পর্শে আসি। তৎ সময়ে ১৯৬৮ সালে ছাত্র ইউনিয় পশ্চিম পটিয়া আঞ্চলিক শাখার সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সনে পটিয়া থানা ছাত্র ইউনিয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই। ছাত্র ইউনিয়নের একজন দায়িত্বশীল নেতা হিসাবে ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়াও তখন কৃষক সমিতির কাজেও জড়িয়ে পড়ি।

কৃষকদের নানা সমস্যা নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কৃষক নেতাদের আলোচনায় অংশগ্রহণ করি। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে পার্টির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ন্যাপের মনোনয়ন প্রার্থী আনোয়ারা থানার এডভোকেট আবদুল জলিলের নির্বাচন পরিচালনার জন্য আমাকে আনোয়ারায় পাঠান। আনোয়ারায় প্রায় ৩ দিন অবস্থান করি এবং সুচারুভাবে নির্বাচনী কাজ পরিচালনা করি। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে ক্ষমতা হন্তান্তরে পাকিস্তানী সাময়িক শাসক ইয়াহিয়া গড়িমশি শুরু করলে তখন দেশে প্রতিনিয়ত শহর গ্রামে সভা সমাবেশ মিছিল চলতে থাকে।

এতে জনগণের মধ্যে মারাত্মক উত্তেজনা দেখা দেয়। ১৯৭১ এর শুরু থেকেই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছিল। ৩রা মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশন ডেকে ইয়াহিয়া অধিবেশ বন্ধ করে দেন। উক্ত অধিবেশনে যোগদানের জন্য পশ্চিম পাকিস্তান হতে ন্যাপের আবদুল ওয়ালী খানের নেতৃত্বে ন্যাপের এমপি’রা ঢাকায় আসলেও পাকিস্তানি পিপলস পার্টি’র এমপিরা ঢাকায় আসেনি ভুট্টোর এমপিরা সংসদ অধিবেশ বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় সংসদ অধিবেশ না বসায় পূর্ব পাকিস্তানব্যাপী জনগণের মধ্যে তীব্র উত্তজেনা দেখা দেয়। দিন রাত মিছিল সমাবেশ চলতে থাকে। তখন শ্লোগান উঠে জাগো জাগো বাঙালী জাগো। বীর বাঙালী অস্ত্র ধরো পূর্ব বাংলা স্বাধীন করো।

তোমার আমার নেতা শেখ মুজিব শেখ মুজিব এক দফা এক দাবী পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা। যা বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণে উচ্চারণ করে এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। ‘জয় বাংলা’। দেশে টান টান উত্তেজনা, দেশে কি হবে কি হবে তা নিয়ে মানুষের চোখে ঘুম নেই মানুষের। ৭ই মার্চের ঘোষণার পর মুলত: রাজনৈতিক দৃশ্যপট পাল্টে যায়। মানুষের দাবী তখন এক দফা পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা।
এই লড়াই সংগ্রামের ভেতর পাক সরকার সাময়িক সমাধানের দিকে নাগিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে সৈন্য ও অস্ত্রসস্ত্র আনতে থাকে। চট্টগ্রাম শোয়াত জাহাজে অস্ত্র আনার সংবাদ পেয়ে চট্টগ্রামের মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। যার যা আছে লাটি শোটা হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন। মেজর জিয়ার উপর দায়িত্ব ছিলো শোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাসের।

এই খবর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনগণের মধ্যে জানাজানি হয়ে যায় তখন চট্টগ্রাম শহরে রাস্তায় রাস্তায় সার্বক্ষণিক হাজার হাজার মানুষ। আগ্রাবাদ মেইন রোডে মানুষের পাহাড়া, সকাল বেলা মেজর জিয়ার নেতৃত্বে কিছু সংখ্যক সৈনিক আগ্রাবাদ রাস্তা দিয়ে শোয়াত জাহাজের দিকে রওনা হলে হোটেল সেন্ট মার্টিনের এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং মেজর জিয়াকে বন্দরের দিকে যেতে দেওয়া হয়নি।২৫ মার্চ মধ্য রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে ঢাকায় গ্রেপ্তারের আগেই বঙ্গবন্ধু ওয়ারলেশ বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

উক্ত বার্তা চট্টগ্রাম এসে পৌঁছেন। ২৫ মার্চ মধ্য রাতেই পাকিস্তানী সামরিক সরকার বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করেন, এবং ঢাকার রাজবাগ-পিলখানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস সহ ঢাকা শহরে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ শুরু করেন পাক বাহিনী। ২৫ মার্চের পর চট্টগ্রামে ক্যাপ্টন রফিকুল ইসলাম ইপিআর বাঙালী সৈনিক নিয়ে বিদ্রোহ করেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানী সৈনিকদের প্রতিরোধ করেন। কিছু দিনের মধ্যে পাকিস্তানী সৈনিকদের হাতে চট্টগ্রাম শহরের পতন হলে শহরের মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে চলে যেতে থাকে।

এমতাবস্থায়, এলাকার যুবকদের সংগঠিত করার লক্ষ্যে গৈড়লা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে থাকার নেতৃত্বে শত শত যুবকদের সকলবেলা ট্রেনিং এরং ব্যবস্থা করি। সামশুজ্জামান হীন ভাই এর একটি পয়েন্ট ২২ রাইফেল ছিল এবং একজন ইপিআর একটি রাইফেল ছিলো। এভাবে ট্রেনিং ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলে ১৯ তারিখ শুক্রবার বেলা ১১টায় সময় পটিয়া থানা মোড়ে পাকিস্তানী বাহিনী বিমান হামলা করে এতে অনেক লোক হতাহত হন।

বিমান হামলার পর আমাদের ট্রেনিং বন্ধ হয়ে যায়। মূলতঃ এপ্রিল থেকে সমগ্র চট্টগ্রাম পাক বাহিনী ও তাদের দোসর মুসলিমলীগের দখলে চলে যাওয়ায়
স্বাধীনতা যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে পড়ে। আওয়ামী রীগ ও অন্যান্য প্রগতিশীল নেতারা ইতিমধ্যে সীমান্ত পাঁড়ি দিয়ে ভারতে চলে গেছেন আমাদের নেতারাও অনেকে ভারতে। ১৯৭১ এর এপ্রিলের শেষে আমাদের প্রিয় নেতা কমরেড পূর্ণেন্দু কানুনগোয় আমাকে ও সুজিত বড়ুয়াকে আমাদের গ্রামের বৌদ্ধ মন্দিরে গোপনে বৈঠক করে জানালেন যে, ভারতে ন্যাপ কমিউনিট পার্টি ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীদের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা হচ্ছে, তাই আমাদের ভারতে যেতে হবে।

কথা মত দুই দিন আমি ও সুজিত ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গোমদন্ডী বকতেয়ার নোমানির বাড়ীতে যাই। সেখানে থেকে গাইডার আমাদের নেয়ার কথা। কিন্তু ঐ দিকে বিকেলে খবর আসে আমাদের নেতা পূর্ণেন্দু কানুনগো কর্ণফুলী নদী পাড় হওয়ার সময় মুসলিমলীগের দালালদের হাতে ধরা পড়েছে। এর কয়েক দিন পর কমরেড কানুনগো দালালদের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে আমার নিকট আসে। বিকল্প পথে অর্থাৎ, মিরশ্বরাই হয়ে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেন, এবং যাওয়ার বিষয়ে সবিস্তারে ব্রীফ করেন।

তার নিদের্শনা মোতাবেক অন্যান্য সহযোদ্ধাদের সাথে মিরশ্বরাই ফেনী দিয়ে চৌদ্দগ্রাম, চৌদ্দগ্রামে রাতযাপন করি কাজী বাড়ীতে। পরদিন সকাল বেলা চৌদ্দগ্রাম জগতনাথ দীঘির পাশ দিয়ে বেলোনীয়া বর্ডার অতিক্রম করি। বেলোনী শহরে সিপিআই ক্যাম্পে রাত যাপনের পর পরদিন আগরতলা ক্রেপ্ট হোস্টেল পৌছি। সেখানে দেখি সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ অবস্থান করছেন। ক্রেপ্ট হোস্টেলে বেগম মতিয়া চৌধুরী আমাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করলেন। আমরা ভাত খেয়ে সেখান থেকে একটি স্কুলে যাই, সেখানে দেখি ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি ছাত্র ইউনিয়েনের কয়েকশত নেতা কর্মচারী অবস্থান করছেন। সেখানে কয়েক দিন অবস্থানের পর অধ্যাপক মাহাবুবুল হকের পরিচালনায় বি.এস. হোস্টেলে দুই দিন রশিদ আসলেন এবং সবাইকে নীচে নেমে লাইন ধরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি আমাদের ব্রীফ করলেন এবং বললেন আমাদের চূড়ান্ত ট্রেনিং এর জন্য পাঠানো হচ্ছে।

তাই তিনি আমাদের জাতীয় পতাকা দিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করালেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গাড়ী এসে আমাদের আগরতলা বিমান বন্দরে নিয়ে গেলেন। সেখানে দাঁড়ানো ছিলো রাশিয়ার একটি কাগো বিমান। সে বিমানে করে আমাদের আসাম সামরিক বিমান ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখান থেকে সাময়িক বাহিনীর গাড়ীতে করে তেজপুর সেনা নিবাসে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে আমাদের দুই মাসের বেশী সময় গেরিলা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, ট্রেনিং শেষে ত্রিপুরা বাইকোরা নামক স্থানে ক্যাম্পে আশা হয় কয়েক দিন পর সাবরুম বর্ডার হয়ে ভারতীয় বর্ডার গার্ডের সহযোগিতায় বাংলাদেশে প্রবেশ করি।

বর্ডার পাড় হয়ে চাকমা উপজাতীয় সহযোগিতায় কারণ আমাদের সমস্ত গোলা বারুদ বহন করেন তারা, তাদের মাধ্যমে ফটিকছড়ি নারায়ন হাট হয়ে বোয়ালখালী চলে আসি। বোয়ালখালী থেকে যে দিন পটিয়া গোপাল পড়া প্রবেশ করি, সেদিন সকাল বেলা আমাদের সাথে পাক বাহিনীর যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে পাক বাহিনীর সহযোগী কয়েকজন মারা গেলেও আমাদের কেউ হতাহত হননি।
১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশে প্রবেশের পর হতে করলডেঙ্গা রসহরী মহাজনের বাড়ীতে ক্যাম্প এবং করলডেঙ্গা পাহাড়ে ছালতাছড়ি নামক স্থানে ট্রেনিং সেন্টার করে স্থানীয় যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে ধলঘাট ষ্টেশন দখলের যুদ্ধ, ইন্দ্রপুল ধ্বংস করা, গৈড়লার টেকে ঐতিহাসিক সম্মুখে যুদ্ধ এবং যুদ্ধে জয় লাভ, পটিয়া থানায় জাতীয় জতাকা উত্তোলন সহ ছোট কাটো আরো অনেক অপারেশনে অংশগ্রহণ করি।

কমরেড শাহ আলমের নেতৃত্বে ভারতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ১৯ জন গেরিলা বাংলাদেশে প্রবেশ করলেও স্থানীয় ভাবে করলডেঙ্গা পাহাড়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিরাট গেরিলা বাহিনী গঠন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের পর পটিয়া সেচ্ছাসেবক বিগ্রেড প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করি। ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়নের পটিয়া থানার সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন শেষে প্রথমে চট্টগ্রাম শুল্ক বিভাগে চাকুরী করি। এর পর ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দান করি। (বর্তমানে অবসর প্রাপ্ত)।

সংসার জীবনে আমার চারকন্যা, বড় মেয়ে সাবরিনা বিনতে আহমদ (সাকী), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমবিএ পাশ করে, ২য় মেয়ে মায়মুনা জেসমিন পিংকি এম.বি.বি.এস ডাক্তার, ৩য় মেয়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এর কম্পিউটার স্নাতকত্তোর ডিগ্রি অর্জন করেন। ৪র্থ মেয়ে সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে এইচ.এস.সি ১ম বর্ষের ছাত্রী, তার স্ত্রী জেসমিন আরা বেগম বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার। বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে কাজ করছি সমাজের জন্য।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানিক কমান্ডের ২০ বছর কমান্ডার ছিলাম। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাতিষ্ঠানিক কমান্ডের সভাপতি, চট্টগ্রাম বীর মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতির সভাপতি, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সিনিয়র সহ সভাপতি বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সিনিয়র সহ সভাপতি। মুক্তিযুদ্ধকালিন ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি ছাত্র ইউনিয়নের বিশেষ গেরিলা বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের চট্টগ্রাম জেলার সদস্য সচিব। হিসেবে আছি।
চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমার রাজনৈতিক গুরু মাস্টার আবদুস সালাম।

উল্লেখ্য যে, আমার গেরিলা দলে ছিলেন কমরেড শাহ আলম, সামশুজ্জামান হীরা, মো: ইউছুপ, কাজী আনোয়ার, নজরুল ইসলাম, শেখর দস্তিদার, পুলক দাশ, তপন দস্তিদার, মো: আলী, মোজাফ্ফর হোসেন, খামরুজ্জামান, সুজিত বড়ুয়া, প্রিয়তোষ বড়ুয়া, ভূপাল দাশ, মিয়া জায়র আহমদ, গোলাম মাওলা প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নীরব সমাজব্রতী ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব আবুল হোছাইন সওদাগর (রহ.) অধ্যাপক মাওলানা এস এম ইউনুছ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত বাকলিয়া একটি ঐতিহাসিক এবং ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এই এলাকাকে কেন্দ্র করে একাধিক ওয়ার্ড এবং একটি প্রশাসনিক থানা। হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম, ধনী, দরিদ্র শ্রমজীবী ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বহু মানুষের আবাসস্থল বাকলিয়া এলাকা। পূর্ব বাকলিয়ার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল হোছাইন (প্রকাশ বাংলাদেশ বাণিজ্য ভান্ডার)। চলন বলন আচরণে তিনি একজন নীরব ও নিরহংকার মানুষ ছিলেন। সদা হাসিমাখা চেহারা নিয়ে কথা বলতেন। কখনও কারো সাথে রূঢ় আচরণ করেছেন বলে আমার জানা নেই। তাঁর পিতার নাম মরহুম কালা মিয়া, মাতা মরহুমা মেওয়াজান খাতুন। তিনি স্থানীয় ঘাটকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী শেষ করে কাজেম আলী উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৫৮ সনে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি পরিবারের হাল ধরেন এবং তাঁর মামা দানবীর আহমদীয়া করিমিয়া সুন্নিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব সোনামিয়া সওদাগরের ব্যবসায়িক সহায়ক হিসেবে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। অত্যন্ত সততা আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে মামার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে মামার আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন। মামা-ভাগিনার যৌথ প্রচেষ্টায় ব্যবসার পরিধি অধিকতর সম্প্রসারিত হয়। শুটকির আড়ত ব্যবসা ছাড়াও নতুনভাবে আমদানি ব্যবসা এবং শিল্প কারখানা, হাসেম টেক্সটাইল মিলস লি: এবং চম্পা অয়েল মিলস লি: সহ আরও নানাবিধ প্রতিষ্ঠান তিনিই তদারকি করতেন। একযুগেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের পর নিজে আছদগঞ্জ ইসলাম কলোনীর মুখে বাংলাদেশ বাণিজ্য ভান্ডার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এবং শীপ ব্রেকিং সহ নানাবিধ ব্যবসার মাধ্যমে প্রভূত উন্নতি সাধন করেন।

ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখেন। তাঁর সামাজিক ও দ্বীনি কর্মের উন্নত নিদর্শন হচ্ছে বাকলিয়াস্থ আহমদীয়া করিমিয়া সুন্নিয়া ফাযিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা। আলহাজ্ব সোনামিয়া সওদাগর তাঁর পীর ও মুর্শিদ গাউসে জামান শাহসুফি আল্লামা সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রহ.) কর্তৃক স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে এ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মামাকে নানাভাবে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দিয়ে উজ্জীবিত করেন এবং ১৯৭৩ সনে প্রথমে তাঁর পীর ও মুর্শিদের নামে আহমদিয়া ফোরকানীয়া মাদ্রাসা চালু করেন। পরবর্তীতে পিতার নামসহ আহমদিয়া করিমিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা নামে ১৯৭৭ সনে দাখিল স্তরে উন্নীত করেন এবং বোর্ডের স্বীকৃতি লাভ করেন। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকাল হতে সুদীর্ঘ সময় তিনি এই মাদ্রাসার সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। আমি ১৯৮৩ সনে এ মাদ্রাসায় সহসুপার পদে যোগদান করি। উনার অনুপ্রেরণায় ১৯৮৬ সনে অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করি এবং তাঁর ঐকান্তিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণায় ১৯৮৯ সনে এই মাদ্রাসাকে আলিম স্তরে উন্নীত করে ১৯৯১ সনে তৎকালীন মন্ত্রী মরহুম জিয়াউদ্দিন বাবলুর সহযোগিতায় এম.পি.ও ভুক্ত করতে সক্ষম হই।

আমার সুদীর্ঘ ছয় বছর অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনকালে মাদ্রাসার সময়ে এবং দুঃসময়ে তিনি বটবৃক্ষের ছায়া দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করেন এবং কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ রেখেছেন। এর জন্য আমি তাঁর কাছে ঋণী।

বৃহত্তর বাকলিয়া বিভিন্ন শ্রেণি পেশার বিশাল জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হলেও এলাকাটি শিক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ ছিল। আজ থেকে তিন দশক পূর্বে পূর্ব বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ব্যতীত বৃহত্তর বাকলিয়ায় আর কোনো বিদ্যালয় ছিল না। এলাকার মানুষগুলো শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকলেও তারা ছিলেন শিক্ষানুরাগী। প্রায় প্রতিটি পরিবার ছিল একটি মিনি পাঠশালা, প্রত্যেক ঘরে ঘরে লজিং মাস্টার থাকতো। তখনকার দিনে একটি প্রবাদ বাক্য ছিল, “বাকলিয়ার ভাত না খাইলে শিক্ষিত হওয়া যায় না।” বৃহত্তর চট্টগ্রামের অনেক বড় বড় শিক্ষাবিদ বাকলিয়ায় লজিং থেকে শিক্ষিত হয়েছেন। বাড়িতে লজিং মাস্টার রাখা বাকলিয়ার মানুষের পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ। শিক্ষায় পশ্চাৎপদ এলাকাকে আলোকিত করতে স্কুল, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা ছিল সময়ের দাবি। এই দাবি পূরণ করার লক্ষ্যে তিনি উত্তর-পূর্ব বাকলিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বাস্তবায়ন কমিটির সম্পাদক ছিলেন আবুল হোছাইন সওদাগর। পরে তা নুরুল ইসলাম বি.এস.সির অর্থায়নে সানোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণ হয়। ঐ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি ঘাটকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বায়তুর জমা জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন। পটিয়া বানিগ্রাম হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) জামে মসজিদের প্রধান উপদেষ্টাসহ বহু দ্বীনি, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মরহুম আবুল হোসাইন ছিলেন ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত ধার্মিক এবং সামাজিক। সমাজের গরিব দুঃখী-দুস্থ মানবতার সেবায় তিনি সবসময় নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করতেন। তাঁর সক্ষমতা অনুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করতেন। তিনি ধর্মীয় অনুশাসন ব্যক্তিগতভাবে এবং পারিবারিকভাবে যথাযথ পালন করতেন। তিনি হুজুর কেবলা আল্লামা সৈয়দ তৈয়ব শাহ (রহ.)-এর ভক্ত ও মুরিদ ছিলেন। তিনি তাঁর সন্তানদেরকেও ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলতে তাগাদা দিতেন। আর্থসামাজিক ও পারিপার্শ্বিক কারণে তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে না পারলেও তাঁর সন্তানদের সবাইকে উচ্চ শিক্ষিত করেছেন। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই মেয়ে ও ছয় ছেলে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বাকলিয়ায় তাঁর জন্মস্থান হলেও সন্তানদের ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা শেখানোর জন্য জীবনের বেশিরভাগ সময় শহরের প্রাণকেন্দ্র আসকারদীঘির পশ্চিমপাড়, নন্দনকানন, জামালখান এলাকায় অতিবাহিত করেন এবং জীবন সায়াহ্নে নিজ এলাকায় পৈতৃক ভিটায় সুরম্য বাড়ি তৈরি করে সুখে সানন্দে শেষ জীবন সম্পন্ন করেন। ২০২৪ সনের ১১ অক্টোবর শুক্রবার রাত ৯.৩০ মিনিটে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ তাঁর জীবনের সকল খেদমতকে কবুল করুন এবং তাঁকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে উচ্চাসনে সমাসীন করুন আমিন।

মাওলানা এস.এম.ইউনুছ:
সাবেক বিভাগীয় প্রধান
আরবী ও ইসলামি শিহ্মা বিভাগ চট্টগ্রাম কলেজ
চট্টগ্রাম।

বিউটি রানী পাল সিলেট জেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেটে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল। ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’ গানের সঙ্গে তাঁর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশব্যাপী আলোচনা চলে তাকে নিয়ে।

সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশাদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত চার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে বিউটি রানী পাল ছাড়াও সিলেট সদর উপজেলার জহিরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন লস্কর, ওসমানীনগর উপজেলার আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাম্মত নুরজাহান বেগম এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর চৌধুরীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আদরী রানী দাস রয়েছেন।

বিউটি রানী পাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ