সিআইইউতে এআই সেন্টারের যাত্রা শুরু, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনা।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউ) প্রাণবন্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে সিআইইউএআই সেন্টার। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা কাউন্সিল সদস্য ও নোটোমেশন এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও ড. জুনায়েদ কাজী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিটাগং ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (চুয়েট) এর কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। সন্মানিত অতিথি হিসেবে অনলাইন প্লাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা কাউন্সিল সদস্য ও বিডিওএসএন এর প্রেসিডেন্ট জনাব মুনীর হাসান।

বক্তারা বলেন – “বর্তমান বিশ্বে এআই শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এটি অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিল্পখাতের রূপান্তরের অন্যতম চালিকাশক্তি। সিআইইউএআই সেন্টার শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।”সিআইইউ এর সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন স্কুল অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল। এসময় সিআইইউএআই সেন্টারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, গবেষণা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন সেন্টারের পরিচালক এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাজ্জাতুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, – “বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী দক্ষতায় গড়ে তুলতে সিআইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সিআইইউএআই সেন্টার ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী।” এসময় সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সিআইইউএআই সেন্টারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এআই, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, রোবোটিক্স এবং অটোমেশন বিষয়ে গবেষণা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা সহযোগিতা, কর্মশালা, সেমিনার এবং ইন্ডাস্ট্রি কানেক্টিভিটির মাধ্যমে প্রযুক্তিখাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই কেন্দ্র।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিল্প প্রতিষ্ঠানের বাস্তব অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হলো ইউসিটিসির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব শিল্পক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি)-এর মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ সম্প্রতি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (CGP)-এ একটি শিক্ষামূলক ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুরের আয়োজন করে। এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে বিভাগের শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দরের বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রকৌশল ও ইউটিলিটি অবকাঠামো সরেজমিনে পরিদর্শনের বিশেষ সুযোগ লাভ করেন।

পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দরের বৃহৎ কেন্দ্রীয় HVAC চিলার ইউনিট, শিল্পমানের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা, ভারী ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং মেকানিজম এবং জরুরি হাইড্রোলিক ফায়ার-সাপ্রেশন সিস্টেমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত স্থাপনা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা অর্জন করেন। বিমানবন্দরের অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মকর্তারা এসব বহুমাত্রিক প্রকৌশল ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন, যা দেশের অন্যতম ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এত বৃহৎ পরিসরে থার্মোডাইনামিক্স, ফ্লুইড মেকানিক্স এবং অটোমেটেড কন্ট্রোল সিস্টেমের বাস্তব প্রয়োগ প্রত্যক্ষ করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রকৌশল অভিজ্ঞতার সঙ্গে সমন্বয় করার সুযোগ পেয়েছেন। এ ধরনের শিল্পভিত্তিক শিক্ষামূলক কার্যক্রম ফলাফলভিত্তিক (Outcome-Based) শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নে ইউসিটিসির অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করছে এবং দক্ষ, যুগোপযোগী ও শিল্পখাতের চাহিদাসম্পন্ন ভবিষ্যৎ মেকানিক্যাল প্রকৌশলী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ইউসিটিসিতে ডিবেট ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চা, যোগাযোগ দক্ষতা ও যুক্তিনির্ভর চিন্তাশক্তি বিকাশের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি)-এ ‘ডিবেট ওয়ার্কশপ-২০২৬ইং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের IQAC ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মাদ ওবায়দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং IQAC-এর ডিরেক্টর জনাব তাহির হোসাইন সেলিম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড: আবু জাহেদ, এসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার জনাব এস.এম শহীদুল ইসলাম, ক্যাম্পাস কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। বক্তারা বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি যুক্তিনির্ভর চিন্তা, কার্যকর যোগাযোগ এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের মতামত প্রকাশের সক্ষমতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের কর্মশালা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ ও যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং ক্লাবের ডিবেট উইং এর কো-কনভেনার ফোরকান উদ্দিন কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন। তিনি বিতর্কের মৌলিক বিষয়, যুক্তি উপস্থাপনের কৌশল, কার্যকর যোগাযোগ, বক্তব্য প্রদানের দক্ষতা এবং বিতর্কের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার রুমে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে সম্মানিত রিসোর্স পার্সনকে তাঁর মূল্যবান সময় ও দিকনির্দেশনার জন্য ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ