চট্টগ্রামে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট এবং জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় ও যুব ইউনিটের পরিচালনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হয়।বৃহস্পতিবার দিবসের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোতাহার হোসেন।

একই সময়ে রেড ক্রিসেন্ট পতাকা উত্তোলন করেন জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ আসিফ চৌধুরী। পতাকা উত্তোলন শেষে বর্ণিল ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব সংগীত সহযোগে আন্দরকিল্লা চত্ত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ আছিফ চৌধুরী।

ইউনিট লেভেল অফিসার মো. জিয়াউল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ইউনিট চেয়ারম্যান মো. মোতাহার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও ইউনিটের সাবেক সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।বক্তারা আর্তমানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্টের আন্দোলনকে আরও বেগবান করার শপথ নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মোতাহার হোসেন বলেন, মানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্ট সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করাই এই দিবসের মূল চেতনা। চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট ও জেমিসন হাসপাতাল সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আছিফ চৌধুরী বলেন, জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল চট্টগ্রামে চিকিৎসাসেবায় আস্থার প্রতীক। রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবসের এই চেতনা আমাদের সেবার মানকে আরও উন্নত করতে উৎসাহিত করে। যুব স্বেচ্ছাসেবকদের ত্যাগ ও পরিশ্রমই আমাদের এই আন্দোলনকে বেগবান রাখছে।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, হেনরি ডুনান্টের যে আদর্শ নিয়ে এই আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়েছিল, আমরা চট্টগ্রামে সেই আদর্শ বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছি। এই আয়োজন আমাদের ভ্রাতৃত্ব ও সেবার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য রায়হানুল আনোয়ার রাহী, জাহাঙ্গীর আলম বাবর, ভারপ্রাপ্ত সিএমও ডা. মাহফুজা বেগম, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দৌলা সুজন, ডা. মিসবাহ উদ্দিন, চেয়ারম্যানের সহকারী একান্ত সচিব মুহাম্মদ রিয়াজুর রহমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ মর্জিনা বেগম, প্রশিক্ষণার্থীসহ সাবেক যুব প্রধান ফয়সাল হোসেন। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুব সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনের নামকরণ ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানালেন পাবনা শেকড় ফাউন্ডেশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ঢাকা–পাবনা সরাসরি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি জানিয়েছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন।একই সঙ্গে পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের প্রতিনিধিত্ব করে-এমন কোনো নাম বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার ২২ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, নানা প্রতিকূলতা, দীর্ঘদিনের দাবি ও অপেক্ষার পর ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর উদ্যোগে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। এই ট্রেন চালু হলে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পাবনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এ উদ্যোগের জন্য রেল মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তারা।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে প্রস্তাবিত ট্রেনটির নাম ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ করা হয়েছে বলে প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তারা এখনো পাননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নেতারা বলেন, একটি জেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকারী আন্তঃনগর ট্রেনের নাম শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়। এর সঙ্গে ওই জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় এবং মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর পাবনার জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনটির নামেও তাই পাবনার স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতিফলন থাকা উচিত।

তাদের মতে, এ বিবেচনায় ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামটি সহজ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল। পাশাপাশি পাবনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কিংবা জেলার কৃতী ব্যক্তিত্বের নামেও ট্রেনটির নামকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।বিবৃতিতে বলা হয়, পাবনাবাসীর ওপর কোনো নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে ট্রেনটির সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশিত আবেগ ও মালিকানাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যে ট্রেনটি পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফল, সেটির নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রেও জেলার মানুষের মতামত ও অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

‘সপ্তপদী’ নামের প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, নামটি যদি কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব করা হয়ে থাকে, তবুও পাবনার সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কী—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এবং জনমতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের নামকে কেন্দ্র করে যেন অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

তবে সংগঠনটি বলেছে, তারা কোনোভাবেই নতুন এই রেল যোগাযোগ কে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দেখতে চায় না। বরং তাদের প্রত্যাশা, ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হবে পাবনার মানুষের গর্ব, পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক।শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের দাবি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের দাবি নয়; এটি পাবনার মানুষের আত্মপরিচয় ও আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দাবি। পাবনার মানুষের জন্য চালু হতে যাওয়া ট্রেনের নামেও পাবনার মাটি, মানুষ, ইতিহাস ও গৌরবের প্রতিফলন থাকা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সপ্তপদী এক্সপ্রেস’ নামটি যদি কোনো প্রশাসনিক পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েও থাকে, তাহলে পাবনাবাসীর আবেগ, অনুভূতি ও আপত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অসন্তোষ ও উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হবে।এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ট্রেনটির নাম চূড়ান্ত করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, পাবনার ট্রেন -পাবনার পরিচয়ে। আমাদের প্রত্যাশা
পাবনা এক্সপ্রেস’।

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী -সন্তানসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রংপুর শহরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।
নিহতদের প্রত্যেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায় রংপুর শহরের মাছুয়াপাড়ার ওই বাড়িটি দীর্ঘ সময় ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির দরজা ও তালা ভেঙে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হবে।তদন্ত শেষ হওয়ার পর চারজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ