চট্টগ্রাম বন্দরের বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিকল্পিতভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনালগুলো বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক ইফতেখার কামাল খান।

উপস্থিত ছিলেন তপন দত্ত, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, এসকে খোদা তোতন, কাজী আনোয়ারুল হক, খোরশেদুল ইসলাম, রবিউল হক শিমুল, হেলাল উদ্দিন কবির, ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন, সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, বন্দর শ্রমিকনেতা আব্দুর রউফ লিটন প্রমুখ।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই বন্দর শুধু একটি অর্থনৈতিক স্থাপনা নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি।

দুঃখজনকভাবে আমরা লক্ষ্য করছি, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনালগুলো বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে। গণআন্দোলন, শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রতিবাদ এবং দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতিরোধের মুখে অন্তর্র্বতী সরকার তাৎক্ষণিকভাবে চুক্তি সম্পন্ন না করলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই।

আমরা জানতে পেরেছি, নতুন প্রস্তাবনায় শুধু এনসিটি নয়, সিসিটি, জিসিটি, ওভারফ্লো ইয়ার্ডসহ চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে কার্যত চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশের জনগণের অর্থে, বাংলাদেশের শ্রমিকদের শ্রমে এবং রাষ্ট্রের নিজস্ব বিনিয়োগে গড়ে ওঠা স্থাপনাগুলো বিদেশি করপোরেশনের হাতে তুলে দেওয়া জাতীয় স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত।

সিসিটি এবং এনসিটি-উভয়ই বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত উল্লেখ করে বলা হয়, সিসিটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে প্রতিষ্ঠিত এবং এনসিটিও তিনি উদ্বোধন করেছিলেন। এই টার্মিনালগুলো দীর্ঘদিন ধরেই দেশীয় দক্ষতায় পরিচালিত হয়ে আসছে। ফলে ‘বিদেশি কোম্পানি ছাড়া বন্দর চলবে না’-এই প্রচারণা সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বাংলাদেশের সব স্বনামধন্য ও দেশপ্রেমিক অর্থনীতিবিদেরা বার বার বলেছেন , বাংলাদেশের কৌশলগত সম্পদ বিদেশি কর্পোরেট গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হলে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দুর্বল হয়। একইভাবে বিভিন্ন বিশ্লেষণে বন্দর, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে বিদেশি নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর একটি ‘কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন’ এলাকা। এখানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কার্যালয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তৈলাধারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং চট্টগ্রাম বিমানবন্দর অবস্থিত। ফলে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা প্রশ্ন শুধু ব্যবসা বা মুনাফার বিষয় নয়-এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন।

বন্দরের কোনো টার্মিনাল বিদেশি করপোরেশনের হাতে তুলে দেওয়া হলে-রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে, শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হবে, বন্দর পরিচালনায় জাতীয় নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্কপের উদ্বেগ, তথ্য ও প্রস্তাব সরাসরি উপস্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এটি হলে দেশের জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে সরে আসবে এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য উদ্বেগকে গুরুত্ব দেবে বলে মনে করেন স্কপ নেতারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মাঠে থাকবে এসআরবি-১৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)।আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বিশেষায়িত এ বাহিনী।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১২টায় ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল বড় মাঠে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে এসআরবি-১৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনজুর করিম, পিএসসি নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।এসআরবি-১৩ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবে তারা।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের পাশাপাশি ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় থাকবে বিশেষ নজরদারি।নির্বাচন ঘিরে নাশকতা, সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা কিংবা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ সময় কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা পরিস্থিতি চোখে পড়লে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে যাত্রীদের জন্য ট্রেনের ভাড়া মাত্র ৬৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ‘মহানগর প্রভাতী’ নামে নতুন একটি ট্রেন চালুর উদ্বোধনকালে তিনি ভাড়ার বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী ভাড়ার বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, কম খরচে যাতায়াত করতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য সাধারণ শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৬৮৫ টাকা। অন্যদিকে, যারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আরামদায়ক পরিবেশে ভ্রমণ করতে চান, তাদের জন্য এসি চেয়ারের ভাড়া পড়বে প্রায় ১ হাজার ৩১১ টাকা। নতুন এই ট্রেনটিতে আনুমানিক ৭০৬টি আসন রয়েছে। ফলে যাত্রীরা নিজেদের সামর্থ্য ও পছন্দ অনুযায়ী আসন নির্বাচন করে স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ