হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী হাসপাতালে ভর্তি

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো: মোজাম্মেল হক চৌধুরী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো: খালেকুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার শারীরিক অবস্থার নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে এবং চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করছেন। আগামীকাল সকালে তার এনজিওগ্রাম করার কথা রয়েছে।

এদিকে, মোজাম্মেল হক চৌধুরীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার ও ছেলে নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী। তিনি দেশব্যাপী সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, শুভানুধ্যায়ী, সহকর্মী, সমর্থক ও অনুরাগীদের প্রতি তার বাবার সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে যাত্রী অধিকার, সড়ক নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই কঠিন সময়ে দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা আমাদের পরিবারের জন্য অনেক বড় শক্তি।” পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে পরবর্তী সকল আপডেট পর্যায়ক্রমে জানানো হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে ৬ হাজার ৫০০ গাছ রোপণ করবে উপজেলা প্রশাসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় এক লাখ বৃক্ষরোপণ করা হবে। এর অংশ হিসেবে ২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬ হাজার ৫০০টি বৃক্ষরোপণ করা হবে।

এক দিনে লক্ষ বৃক্ষ সবুজ পরিবেশ আমাদের লক্ষ্য স্লোগান সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসুচি ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের আওতায় জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম জেলায় ১ দিনে ১ লক্ষ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বোয়ালখালী উপজেলায় একদিনে ৬,৫০০ বৃক্ষরোপন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম মিয়ার উদ্যোগে জেলাব্যাপী এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বোয়ালখালীতে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।
উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষের লোকজন উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিরোধ মেটাতে ও পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্মানিত শিক্ষক বাবু মনোরঞ্জন রায় (৫৫)- কে প্রতিপক্ষের লোকজন এলোপাথাড়ি পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

সু-মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবতায় বিশ্বাসী সংগঠন ‘বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘ, এর পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আপোষহীন সংগ্ৰামী সাধারণ সম্পাদক ডা. মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায় (ডা. এম কে রায়) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
একজন নিরীহ শিক্ষক, যিনি সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সালিশে মধ্যস্থতা করতে গিয়েছিলেন, তাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা শুধু হত্যাকাণ্ড নয়, এটি সভ্য সমাজ, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনার উপর সরাসরি আঘাত।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তিন দফা দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন -১. অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকল খুনিদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।
২. নিহত শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়ের শোকসন্তপ্ত পরিবারের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৩. পার্বতীপুর সহ সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভূমি দখল ও নির্যাতন বন্ধে এবং জানমালের নিরাপত্তা বিধানে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

একই সাথে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ