১২ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার

চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে দুই জাহাজের সংঘর্ষে ডুবলো পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী চ্যানেলে অন্য একটি জাহাজের ধাক্কায় এমভি বে হারবার-২ নামের একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে। জাহাজটি পাথর নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিল।মঙ্গলবার ভোররাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কোস্ট গার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, লাইটার জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের দ্রুত তৎপরতায় জাহাজে থাকা ১২ জন নাবিককেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, রাত ৩টায় অন্য একটি জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামক লাইটার জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর আসে।

সংবাদ পাওয়ার পরপরই কোস্ট গার্ডের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তাৎক্ষণিকভাবে আটজনকে এবং পরে আরও চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। জাহাজটিতে থাকা মোট ১২ জন নাবিককে অক্ষত ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান কোস্ট গার্ড। লাইটার জাহাজটি পাথর নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব নাসির উদ্দিন বলেন, ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজটি বে হারবার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। তবে দুর্ঘটনার কারণে বন্দর চ্যানেলে জাহাজ চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের মূল চ্যানেল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সচল রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধের অস্থিরতায় দেশে জরুরি গ্যাসের চাহিদা পূরণে চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়া তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ছয় কার্গো এলএনজি কেনা হবে।

আজ বুধবার(১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করেন।

ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার দরে এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার দরে এসব এলএনজি কেনার সুপারিশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালে পাঁচ কার্গো, ২০২৭ সালে ছয় কার্গো এবং ২০২৮ সালে তিন কার্গো এলএনজি জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক শূন্য ৮৭৫ মার্কিন ডলার যোগ করে কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০২৮ সালে আরও তিন কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির মূল্য নির্ধারণ করা হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে ৫ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বৈঠকে জানানো হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানির নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ব্যবসা সহজ করতে সরকার ডিরেগুলেশন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে যেতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে আয়োজিত বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো গেলে মূল্যস্ফীতিও কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, বন্দরে অতিরিক্ত ব্যয় এবং কাস্টমস প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তাই এসব খরচ কমানো এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যবসা সহজ করতে সরকার ডিরেগুলেশন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্ন, দ্রুত ও সিমলেসভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য সভায় বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রতিটির সমাধান নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন সিদ্ধান্ত কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে, সেটিও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বন্দর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে যৌথভাবে আলোচনা করে দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কম সময়ে পণ্য খালাস ও রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে, যা ব্যবসায়ীদের খরচ কমাবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে।
তিনি আরও বলেন, সাপ্লাই চেইনে বাধা সৃষ্টি হলে খরচ বাড়ে এবং সেই বাড়তি ব্যয় শেষ পর্যন্ত জনগণকেই বহন করতে হয়। বন্দরের খরচ বাড়লে কিংবা কাস্টমস প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ব্যয় হলে তার প্রভাব সরাসরি দ্রব্যমূল্যের ওপর পড়ে। তাই খরচ কমানো গেলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিষয়ে কি পরিকল্পনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটি আলাদা বিষয়। পোর্ট কে পরিচালনা করবে সেটি ভিন্ন সিদ্ধান্তের বিষয় হলেও দেশি বা বিদেশি যে-ই পরিচালনা করুক, জনগণ, ব্যবসা, শিল্প ও দেশের অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করে একই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
গত কয়েক বছরে বহু শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্যই হলো শিল্পকারখানাগুলো যাতে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে, ব্যবসায়িক খরচ কমে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।

কাস্টমসে অবৈধ পণ্য খালাসে প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা চলবে না। কেউ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের ক্ষেত্রে তার জন্য কোনো বিশেষ সুযোগ থাকবে না।
ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্দর ও কাস্টমসের এই যৌথ উদ্যোগ একটি নতুন কার্যকর ধারা সৃষ্টি করবে, যা ব্যবসায়ী, সরকার ও দেশের জনগণ সবাইকে উপকৃত করবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ আরও সুগম করবে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ