বোয়ালখালীতে ফল মেলায় দেশীয় ফলের সমাহার

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বোয়ালখালীতে দেশীয় ফলের প্রদর্শনী জাতীয় ফল মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শাহানুর ইসলাম।এ সময় তিনি বলেন, স্থানীয় দেশীয় ফল কৃষকের শ্রম, আর প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের এক অপূর্ব সাক্ষাৎ। দেশীয় ফল সুস্বাদুই নয়, এগুলো আমাদের অর্গানিক খাদ্য ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি।

মেলায় স্থানীয় দেশীয় ফলের প্রদর্শনীতে রয়েছে- ডেউয়া, আমড়া, কলা, বিলিম্বি, লুকলুকি, কামরাঙা, বরই, হরিতকি, বারি মাল্টা, কাঠাঁল, মাল্টা, চালতা, গাব, থাই পেয়ারা, ডেডিগেড মাল্টা, ডুমুর, আখ, ড্রাগন, লটকন, সফেদা, আম, পেঁপে, ডাব, বেল, করমচা, আমলকী, লেবু, কাগজী লেবু, তরমুজ, কলম্বো লেবু, আমড়া, আনারস, তাল, চায়না সুগন্ধি লেবু, মাধবী পেয়ারা, জারা লেবু, হলুদ মাল্টা ও বারোমাসি কাঠাঁল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাসান মো. মোর্শেদ, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা তপন কান্তি দে, প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র দে, গৌতম চৌধুরী, শিবু কান্তি নাথ, দূর্গাপদ দেব, ফরিদুল আলম, লক্ষ্মণ কুমার কারন, জয়নাল আবেদীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্যবসা সহজ করতে সরকার ডিরেগুলেশন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে যেতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে আয়োজিত বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো গেলে মূল্যস্ফীতিও কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, বন্দরে অতিরিক্ত ব্যয় এবং কাস্টমস প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তাই এসব খরচ কমানো এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যবসা সহজ করতে সরকার ডিরেগুলেশন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্ন, দ্রুত ও সিমলেসভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য সভায় বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রতিটির সমাধান নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন সিদ্ধান্ত কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে, সেটিও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বন্দর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে যৌথভাবে আলোচনা করে দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কম সময়ে পণ্য খালাস ও রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে, যা ব্যবসায়ীদের খরচ কমাবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে।
তিনি আরও বলেন, সাপ্লাই চেইনে বাধা সৃষ্টি হলে খরচ বাড়ে এবং সেই বাড়তি ব্যয় শেষ পর্যন্ত জনগণকেই বহন করতে হয়। বন্দরের খরচ বাড়লে কিংবা কাস্টমস প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ব্যয় হলে তার প্রভাব সরাসরি দ্রব্যমূল্যের ওপর পড়ে। তাই খরচ কমানো গেলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিষয়ে কি পরিকল্পনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটি আলাদা বিষয়। পোর্ট কে পরিচালনা করবে সেটি ভিন্ন সিদ্ধান্তের বিষয় হলেও দেশি বা বিদেশি যে-ই পরিচালনা করুক, জনগণ, ব্যবসা, শিল্প ও দেশের অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করে একই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
গত কয়েক বছরে বহু শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্যই হলো শিল্পকারখানাগুলো যাতে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে, ব্যবসায়িক খরচ কমে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।

কাস্টমসে অবৈধ পণ্য খালাসে প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা চলবে না। কেউ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের ক্ষেত্রে তার জন্য কোনো বিশেষ সুযোগ থাকবে না।
ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্দর ও কাস্টমসের এই যৌথ উদ্যোগ একটি নতুন কার্যকর ধারা সৃষ্টি করবে, যা ব্যবসায়ী, সরকার ও দেশের জনগণ সবাইকে উপকৃত করবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ আরও সুগম করবে।

চট্টগ্রামে এসএসসিতে ফেল করে নিজ বাসায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। তার নাম আদনানুজ্জামান নিহাল (১৯)। তিনি পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বাকলিয়ায় থানাধীন কালামিয়া বাজার এলাকার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আদনানুজ্জামান নিহাল, কালামিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. আনিসুজ্জামানের ছেলে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল কবির বলেন, এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের অগোচরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দেয় নিহাল। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের চাচা শাখাওয়াত বলেন, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল নিহাল। সোমবার ফল প্রকাশের পর পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয় সে। এরপর পরিবারের সদস্যদের অগোচরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দেয় নিহাল।

তিনি আরও বলেন, নিহাল রাতে ঘুমিয়েছিল। সকালে প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরাই তাকে নিচে নামিয়ে আনেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ