পদত্যাগ না করলে রাজপথেই ‘সরকারের পতনের ফয়সালার হুঁশিয়ারি,ফখরুল।

নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামের পথে রোড মার্চ শুরুর আগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, “এই রোড মার্চের মধ্য দিয়ে আমরা সরকারকে সাফ জানিয়ে দিচ্ছি, এখনো সময় আছে, পদত্যাগ করেন, সংসদ বিলুপ্ত করে দেন এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা দেন, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নতুন নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন।

“অন্যথায় জনগণ জানে কী করে স্বৈরাচার, বিনাভোটের ক্ষমতা দখলকারী সরকারকে সরাতে হয়। সেজন্য জনগণ আজকে রাস্তায় নেমেছে।”

বিএনপি মহাসচিব সমাবেশে শ্লোগান তুলে বলেন– ‘ফয়সালা হবে কোথায়’। সমবেত নেতাকর্মীরা এ সময় জবাব দেন- ‘রাস্তায়, রাজপথে’।

মির্জা ফখরুল বলেন, “রাজপথ দখল করে রাখতে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে দখলে রাখতে হবে… বুঝেছেন।

“ভবিষ্যতে যদি বাঁচতে চান, দেশকে যদি রক্ষা করতে চান, দেশকে যদি মুক্ত করতে চান, আমাদের কোনো বিকল্প নাই এই জগদ্দলকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। আর কাল-বিলম্ব নয়, আমাদেরকে জেগে উঠতে হবে, মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে এবং রাজপথ দখল করতে হবে। আসুন সরকার পতনের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ি।”

সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল, নির্দলীয নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও খালেদা জিয়ার মুক্তির এক দফার দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কুমিল্লার কালা খন্দকার ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে এই রোড মার্চ শুরু হয়। রোডমার্চটি ফেনী হয়ে চট্টগ্রামে গিয়ে শেষ হবে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর সিলেট বিভাগ থেকে বিএনপি রোড মার্চ শুরু করে। এরপর ২৩ মার্চ বরিশাল বিভাগ, ২৬ সেপ্টেম্বর খুলনা বিভাগ, ২৯ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ বিভাগ ও ৩ অক্টোবর ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগে রোড মার্চ হয়। কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে রোড মার্চের মধ্য দিয়ে ছয়টি রোড মার্চের কর্মসূচি শেষ করতে যাচ্ছে বিএনপি।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক আমিনুর রশিদ ইয়াসিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, যুব দলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন বক্তব্য দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), র পদযাত্রায় দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিযোগ করেন।

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে এনসিপি,র পক্ষ থেকে। এছাড়া এতে সাংবাদিক ও এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।
এছাড়া, হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার পদত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেঘমল্লার বসু বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।ছাত্র ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করার পর নতুন রাজনৈতিক সংগঠন নেটওয়ার্ক ফর পিপল অ্যাকশন (এনপিএ)-এ যোগ দিয়েছে মেঘমল্লার।

শনিবার ২৫ জুলাই ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগের নিশ্চিত করা হয়েছে। এ সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদের পদত্যাগের বিষয়টিও জানানো হয়েছে। মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের জমা দেওয়া পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ