খালেদাকে বিদেশে পাঠানোর দাবি, আওয়ামী লীগ নেতাকে ‘শোকজ

নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবি জানিয়ে ‘কারণ দর্শাও’ নোটিসের মুখে পড়েছেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার।

 

সোমবার সকালে তাকে ‘শোকজ’ নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন।

বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতালেব গত শনিবার রাতে তার ফেইসবুক পেইজে লেখেন, ‘রাজনৈতিক কারণে আইন পরিবর্তন করে হলেও বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়া হউক’।

তার সেই পোস্ট মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশংসা করেন। বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হলে অস্বস্তিতে পড়ে যায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মান্নান বলেন, “আবদুল মোতালেব দলের দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের মন্তব‌্য করতে পারেন না। তাই তাকে শোকজ করা হয়েছে।

মোতালেবের এমন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে তাকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ, উপজেলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খলিল ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুল কবির নিশাতসহ অনেকে মোতালেবের ওই বক্তব্যকে ‘সংগঠনবিরোধী’ আখ্যা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে মোতালেব বলেন, “শেখ হাসিনা মানবতার মা, তিনি খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে বাসায় থাকার সুযোগ দিয়েছেন। শেখ হাসিনা যে মানবতার মা, চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠালে তা আরও একবার প্রমাণিত হবে।

“আমি রাজনৈতিক কারণে লিখেছি, এখানে দোষের কিছু দেখছি না।

দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্ত আছেন। হাসপাতালে ভর্তি এই রাজনীতিবিদকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর আবেদন করেছিল তার পরিবার, ততে তাতে সরকারের সায় মেলেনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত আবুল কালাম আজাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল-২০২৬ উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে সভাপতি পদে সরাসরি ভোটগ্রহণের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে নেতাকর্মী ও কাউন্সিলরদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়।

নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ছাতা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোঃ আবুল কালাম আজাদ ২৫৫ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ পান ১৯২ ভোট।
ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করা মোঃ আতাউর রহমান খোকন ৩১৪ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাছ প্রতীকের মোঃ আতাউর রহমান আতা পান ১০৮ ভোট।দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করা মোঃ আবু তাহের ১০৮ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীকের মোহাম্মদ আলী খাঁন পান ৯৭ ভোট।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৪৫৯ জন ভোটারের মধ্যে ৪৫৩ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৬ জন ভোটার এবং বাতিল হয় ৩টি ভোট। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোট পাওয়ায় মোঃ আবুল কালাম আজাদ কে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

ফলাফল ঘোষণার পরপরই নব-নির্বাচিত সভাপতি কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত করেন দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং শুভানুধ্যায়ীরা। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

নব-নির্বাচিত সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ সকল কাউন্সিলর, নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দলকে আরও সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করতে তিনি সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবেন।

নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের কার্যক্রম নতুন গতি লাভ করবে।

হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), র পদযাত্রায় দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিযোগ করেন।

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে এনসিপি,র পক্ষ থেকে। এছাড়া এতে সাংবাদিক ও এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।
এছাড়া, হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ