আজঃ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশের স্বপ্ন চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উন্মোচিত হলো দেশের প্রথম টানেল, টোল দিয়ে পার হলেন প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল ‘বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৮ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে পতেঙ্গা প্রান্তের ফলক উন্মোচনের মধ্যদিয়ে নদীর তল দেশ থেকে নির্মিত এ টানেলের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহর নিয়ে টোল দিয়ে পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে টানেল দিয়ে আনোয়ারা প্রান্তে পৌঁছান।

 

 

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সেতুর পতেঙ্গা প্রান্তে গেলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তাকে স্বাগত জানান। এ সময়ে নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে বরণ করে নেওয়া হয়।

এ সময় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে। ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাগর উপকূল ঘিরে শিল্পের নতুন দুয়ার খুলেছে।

চট্টগ্রাম থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলার মধ্যে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেলটি ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে। টানেলটি রবিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৩) সকাল ৬টা থেকে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

 

 

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল ‘বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৮ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে পতেঙ্গা প্রান্তের ফলক উন্মোচনের মধ্যদিয়ে নদীর তল দেশ থেকে নির্মিত এ টানেলের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহর নিয়ে টোল দিয়ে পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে টানেল দিয়ে আনোয়ারা প্রান্তে পৌঁছান।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সেতুর পতেঙ্গা প্রান্তে গেলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তাকে স্বাগত জানান। এ সময়ে নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে বরণ করে নেওয়া হয়।

এ সময় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে। ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাগর উপকূল ঘিরে শিল্পের নতুন দুয়ার খুলেছে।

চট্টগ্রাম থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলার মধ্যে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেলটি ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে। টানেলটি রবিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৩) সকাল ৬টা থেকে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-এমপিরা রাষ্ট্রিয় সুবিধা পেয়ে থাকেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-এমপিরা কত টাকা বেতন পান, তা জানতে সাধারণ মানুষের আগ্রহ রয়েছে। বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বেতন পান রাষ্ট্রপতি। তিনি মূল বেতন হিসেবে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, প্রধানমন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এই দুই ব্যক্তির যাবতীয় রাষ্ট্র বহন করে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বেতনের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া হিসেবে ১ লাখ টাকা পেয়ে থাকেন। দৈনিক ভাতা হিসেবে ৩ হাজার টাকা, বিমান ভ্রমণের জন্য বিমা কভারেজ ২৫ লাখ টাকা এবং স্বেচ্ছাধীন তহবিল দেড় কোটি টাকা পেয়ে থাকেন । অবশ্য সরকারি বাসভবনে থাকলে তিনি বাড়ি ভাড়া বাবদ ১ লাখ টাকা পাবেন না। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার বেতন পান ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। প্রধান বিচারপতি বেতন পান ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। মন্ত্রীরা বেতন পান মাসিক ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রীরা বেতন ৯২ হাজার টাকা। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিপ হুইপ এবং বিরোধী দলীয় নেতা ৯২ হাজার টাকা পান। উপমন্ত্রীদের বেতন ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা।  সংসদ সদস্য বেতন পান ৫৫ হাজার টাকা করে। এছাড়া বিভিন্ন ভাতা বাবদ পান আরও কিছু টাকা। এর মধ্যে রয়েছে- আপ্যায়ন, চিকিৎসা, পরিবহন, ভ্রমণ, অফিস পরিচালনা ও টেলিফোন বিল। এছাড়া বিমার আওতায় থাকেন সংসদ সদস্যরা। 

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী সরকারি খরচে একটি করে গাড়ি সুবিধা পান। এই গাড়ি পরিবহন পুল থেকে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া সরকারি প্রয়োজনে ভ্রমণের সময় তারা মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেকোনো সংস্থা বা দপ্তর থেকে একটি জিপ গাড়ি পান। জ্বালানি বাবদ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী দৈনিক ১৮ লিটার জ্বালানি তেলের সমপরিমাণ অর্থ পান। একজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দেশের ভেতরে কোথাও ভ্রমণে গেলে দৈনিক ভাতা পান ২ হাজার টাকা। উপমন্ত্রী পান দেড় হাজার টাকা। 

আইন অনুযায়ী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব (পিএস) পাবেন। এছাড়া একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং সরকারি কর্মকর্তার বাইরে নিজের পছন্দের একজন সহকারী একান্ত সচিব পেয়ে থাকেন। এছাড়া দুইজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, একজন জমাদার, একজন আরদালি, দুইজন অফিস সহায়ক ও একজন পাচক পেয়ে থাকেন। 
এছাড়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা একটি করে মুঠোফোনের সুবিধাও পেয়ে থাকেন।

বাংলা খবর পত্রিকা –
Banglakhaborpatrika @ gmail.con/[email protected]

অন্তর্বর্তী সরকার ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী এবং ৬০০ নির্বাহী আদেশ জারি করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন-চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেয়ালে দেয়ালে তরুণরা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এঁকেছিল— তাছিল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন করেছে এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি করেছে, যার প্রায় ৮৪ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।
‘এই সংস্কারসমূহ নাগরিক অধিকারকে সংহত করেছে, বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে এবং গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সংস্কৃতি যেন আর কখনো ফিরে না আসে সেটা নিশ্চিত করেছে’— যোগ করেন তিনি।

মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভঙ্গুর। থানাগুলো ছিল পুলিশশূন্য, জনগণের মধ্যে আস্থার বদলে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ধাপে ধাপে আমরা সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছি। আজ পুলিশ আর মারণাস্ত্র ব্যবহার করে না, বেআইনিভাবে কাউকে তুলে নিয়ে যায় না, ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে হত্যা করে না, পুলিশ ও গোয়েন্দাবাহিনীর ভয়ে কাউকে ডিলিট বাটন চাপতে হয় না। জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে পৃথক সচিবালয় গঠন, বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছ কাঠামো এবং দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে যুগান্তকারী সংস্কার করা হয়েছে বলেও ভাষণে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। এজন্য সেপারেশন অব জুডিশিয়ারি করতে মাজদার হোসেন মামলার রায় আমরাবাস্তবায়ন করার কথা জানায়।

তিনি আরও বললেন, গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে রায় সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ, বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ এবং অন্তর্বর্তী আপিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ যেন আর কখনো মানবাধিকারহীন রাষ্ট্রে পরিণত না হয়— সে লক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে এবং কমিশন গঠন করা হয়েছে।

বাংলা খবর পত্রিকা –
[email protected]/[email protected]

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ