প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

নির্বাচন যদি সঠিকভাবে হয় তবেই আমরা নির্বাচনে অংশ নেবো-জিএম কাদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথেই আছি। কি হবে তা এখনো কেউ জানে না, যদি নির্বাচন হয় তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। যতক্ষন পর্যন্ত আমরা ঘোষণা না দিয়ে চলে যাবো ততক্ষন পর্যন্ত আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে আছি আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।

নির্বাচন যদি সঠিকভাবে হয় তবেই আমরা নির্বাচনে অংশ নেবো। যদি আমরা মনে করি সঠিকভাবে নির্বাচন হচ্ছে না তখন আমরা ঘোষণা দিয়েই নির্বাচন বর্জন করবো। ঘোষণাটা আমাদের তরফ থেকেই আসতে হবে। দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথেই আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। নির্বাচন নিয়ে কোন একক সিদ্ধান্ত হবে না, প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়া হবে। গণমাধ্যমের সামনে ঘোষণা দেয়া হবে, এই কারনে আমরা নির্বাচন করছি বা করছি না।

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে নিজের লেখা “বাংলাদেশে গণতন্ত্র সোনার পাথরবাটি” দ্বিতীয় খন্ড ও “MISERIES OF MISCONCEIVED DEMOCRACY Volume-2 বই দুটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এ কথা বলেন।

জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রকাশনা উৎসবে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী তো আমাদের লোক, আমরাই বানিয়েছি। তারা কোন ভুল করলে অবশ্যই আমরা বলবো। কথা বললেই শাস্তি পেতে হবে? সেজন্য আইন করা হবে? আমি ভুল বলতে পারি কিন্তু আমার বলার অধিকার তো আছে। আমরা যেনো কথা বলতে না পারি সেজন্য আইন করা হচ্ছে। সরকার হচ্ছে কেয়ারটেকারের মত, ভুল করলে পরিবর্তন করতে চাইবো না? বাংলাদেশের মানুষের এই অধিকার এখন আর নেই। গণতন্ত্র না থাকলে কোন প্রকল্প গণমুখী হয় না তার প্রমাণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। বিবিসি’র দেয়া তথ্যে জানা গেছে, চার হাজার কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্প, বছরে আয় করছে একশো কোটি টাকা। ১৫ বছর হচ্ছে এটার লাইফ। এটা কি বাস্তবসম্মত হলো? তাহলে আবার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ প্রকল্পের জন্য চুক্তি কেন? আসলে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নামে দুর্নীতির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। যেখানে বেশি দুর্ণীতি করা যায় সেই প্রকল্প দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন হয়। আবার, রুপপুর আনবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নিয়েও কথা আছে। ভারতে ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মান হয়েছে ৫ বিলিয়ন ডলারে। অথচ, একই কোম্পানীর ২ হাজার ৪ শো মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্রের স্থাপনে ইতোমধ্যেই খরচ হয়েছে নাকি ১৬ বিলিয়ন ডলার। এটি একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্প। ইউরোপসহ অনেক দেশই এমন প্রকল্প বন্ধ করে দিচ্ছে। এতে একটি দুর্ঘটনা হলে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।

 

আমাদের দেশে ভারতের চেয়ে তিনগুন বেশী খরচে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। আবার বরিশালেও নাকি আরো একটি প্রকল্প তৈরী করা হবে। এমন দুর্নীতির বিষয়ে প্রশ্ন করার অধিকার অবশ্যই আমাদের আছে। তিনি বলেন, যেসব দেশে একনায়কতন্ত্র থাকে সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, স্থিতিশীল সরকার থাকলে অনেক উন্নয়ন হয়। এক সরকার বেশি দিন থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা ঢেকে রাখতে পারে না। সরকার বা সরকার প্রধান পরিবর্তন হলেও সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে যদি অস্থিরতা সৃষ্টি না হয় তাকেই স্থিতিশীলতা বলা যায়। স্বৈরশাসনে কখনোই স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়। একটি সরকার বেশি দিন থাকাও অস্বাভাবিক ব্যাপার। একটি সরকার বেশি দিন থাকলে অস্থিতিশীলতার বীজ বড় হতেই থাকে। সরকার পরিবর্তন হলে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয়, এসব কারনেই বিদেশী বিনিয়োগ আসে না। স্বাভাবিক নিয়মে সরকার পরিবর্তন হবে কিন্তু সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কোন প্রভাব পড়বে না, এটাই হচ্ছে স্থিতিশীলতা।

বইয়ের বিষয় নিয়ে বিষদ আলোচনায় জিএম কাদের বলেন, শাসন পদ্ধতি থেকে মানুষ সুশাসন আশা করে। আইনে শাসন, আইন সবার জন্য সমান হবে। ন্যায় বিচার ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা। সবাই যেনো মনে করে, আমরা ন্যায় বিচার পাচ্ছি। কেউ যেনো বঞ্চনা বা অত্যাচারের শিকার না হয়। রাজতন্ত্রে সকল ক্ষমতা রাজার হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। রাজা ও তাঁর পরিবার থাকে আইনের উর্ধে। তাই রাজতন্ত্রে আইনের শাসন থাকে না। তাতে ন্যায় বিচার ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা তৈরী সম্ভব নয়। ডিক্টেটরদের শাসনে ন্যায় বিচার ভিত্তিক শাসন পদ্ধতিতে কিছুটা সুশাসন হতে পারে কিন্তু আইনের শাসন সম্ভব নয়। এক নায়কতন্ত্র স্বৈরতন্ত্রে রুপ নেয়, এই শাসন ব্যবস্থা জনগনের জন্য ক্ষতিকর। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে ক্ষমতার মালিক হচ্ছেন জনগণ। ক্ষমতার মালিক যদি জনগণ হয়, সেখানে আইনের শাসন নিশ্চিত করা সম্ভব। গণতন্ত্রে সবাইকে এক আইনের কাঠামোতে আনা যায়। গণতন্ত্রেই সুশাসন দেয়া সম্ভব হয় এবং ন্যায় বিচার ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা হচ্ছে গণতন্ত্রের পরিপন্থি। গণতন্ত্রে জবাবদিহিতা থাকে, তাই ন্যায় বিচার ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। সকল ক্ষমতা গ্রহণ করে দেশকে দেয়া উন্নয়ন কখনোই গণমুখি হতে পারে না। সকল ক্ষমতা একজনের হাতে থাকলেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বৈরতন্ত্র কখনোই সুশাসন দিতে পারে না। গণতন্ত্র হচ্ছে জনগনের শাসন। যেখানে একজনের হাতে সকল ক্ষমতা থাকবে না। জবাবদিহিতা থাকতে হবে, আবার সুশাসন নিশ্চিত না হলে ভোটের মাধ্যমে জনগণ তার প্রতিনিধি পরিবর্তন করতে পারবে। শাসক যদি সকল ক্ষমতা নিয়ে চিরদিন ক্ষমতায় থাকতে চায়, সেখানে কথনোই গণতন্ত্র থাকতে পারে না।

প্রকাশিত বইয়ের বিষয়াবলী উল্লেখ করে গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা কখনোই এক নয়। বৈষম্যের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিলো। পশ্চিম পাকিস্তানীরা আমাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য করতো তা থেকে মুক্তি পেতেই ছয় দফা ঘোষণা করা হয় মুক্তির জন্য। পশ্চিম পাকিস্তানীরা যখন আমাদের ছয় দফা মেনে না নিয়ে আমাদের ওপর ঝাপিয়ে পড়লো তার প্রতিরোধেই আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ। স্বাধীনতা যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়ে একটি স্বাধীন স্বার্বভৌম দেশ পেলাম। ভাষা আনেদালনও এক ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে হয়েছিলো। সেই ভাষা আন্দোলনই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা হয়ে উঠেছিলো। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিলো বৃটিশ ও পশ্চিম পাকিস্তানীদের বৈষম্যের বিরুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হচ্ছে বৈষম্যহীন সমাজ।

 

বর্তমান সরকার দেশে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। কিছু সুবিধাভোগী গোষ্ঠী সৃষ্টি করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালুর যে চেষ্টা করা হচ্ছে তা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি। স্বাধীনতাযুদ্ধের চেতনা হচ্ছে আমাদের একটা দেশ থাকবে যেখানে বৈষম্য থাকবে না। একটি ভূখন্ডের জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়নি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, যে দেশের মালিক হচ্ছেন জনগণ। জনগণ কেয়ারটেকারের মত শাসক তৈরী করবে। কাজ ভালো না করলে কেয়ারটেকারকে পরিবর্তন করতে পারবে দেশের জনগণ। মানুষের ভোটাধিকার থাকবে এবং শাসকের সমালোচনা করার অধিকার থাকবে। স্বাধীনতা যদ্ধের অর্জন বর্তমানে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। সাংবিধানিকভাবেই এখন সরকার প্রধান যা বলবেন তাই সংসদে পাশ হবে। এতে জবাবদিহিতা থাকে না। এখনো সংবিধানে আছে দেশের জনগণ ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি পরিবর্তন করতে পারবে। যদিও তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ভূলুণ্ঠিত করেছে বর্তমান সরকার। নিজের লেখা বই সম্বন্ধে তিনি বলেন, এটি কোন গবেষণালব্দ বই নয়, আমার চিন্তায় যেটা মনে হয়েছে তাই লেখা হয়েছিলো। আমি যখন যে পেশায় ছিলাম, সব সময় দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য কাজ করেছি।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও কলামিষ্ট মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপির বইয়ের প্রতিটি লেখা দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার নিরিখে। এই ধরনের লেখা কালের স্বাক্ষী হয়ে বেঁচে থাকে। একশো বছর পরও পরবর্তী প্রজন্ম জানতে পারবে দেশের বাস্তবতা কেমন ছিলো। তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে গোলাম মোহাম্মদ কাদের একটি সুবাতাস নিয়ে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি যেনো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকেন রাজনীতির মাঠে। পরবর্তী প্রজন্ম যেনো জানতে পারে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন ভদ্রলোকের অবির্ভাব হয়েছিলো।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রফেসর ডক্টর মোকাম্মেল এইচ ভূইয়া বলেন, গোলাম মোহাম্মদ কাদের এর বইগুলো ইতিহাসের পাতায় অক্ষয় হয়ে থাকবে। পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষার জন্য এই বইগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। একটি নতুন প্রজন্ম সৃষ্টিতে অসামান্য অবদান রাখবে গোলাম মোহাম্মদ কাদের এর লেখা।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি রচিত দু’টি গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি শেরীফা কাদের এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জনাব মহিউদ্দিন আহমদ।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, গ্রন্থ দু’টির উপর মূল আলোচনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোকাম্মেল এইচ ভূঁইয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সিনিয়র সাংবাদিক সফিকুল করিম সাবু, শাহজালাল ফিরোজ, বইয়ের প্রকাশক আবুল বাশার।

উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টি প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, এসএম আব্দুল মান্নান, এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, সুনীল শুভ রায়, এসএম ফয়সল চিশতী, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এটিইউ তাজ রহমান, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, সোলায়মান আলম শেঠ, এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আখতার এমপি, মোস্তফা আল মাহমুদ, জহিরুল আলম রুবেল, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. নুরুল আজহার শামীম, এমএম নিয়াজ উদ্দিন, আমানত হোসেন, নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মমতাজ উদ্দিন, ইকবাল হোসেন তাপস, ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, মোঃ খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান এমপি, নুরুন্নাহার বেগম, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, মোবারক হোসেন আজাদ, মোঃ জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আমির হোসেন ভূঁইয়া, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোঃ হেলাল উদ্দিন, মোঃ হুমায়ুন খান, এডভোকেট ইউসুফ আজগর, কাজী আবুল খায়ের, সুমন আশরাফ, সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, এসএম আল জুবায়ের, গোলাম মোস্তফা, মিজানুর রহমান মিরু, ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সাত্তার গালিব, আজহারুল ইসলাম সরকার, আক্তার হোসেন দেওয়ান, এসএম সুবহান, দেলোয়ার হোসেন মিলন, বাহাদুর ইমতিয়াজ, এসএম পারভেজ রহমান, এডভোকেট আবু তৈয়ব, মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, ইব্রাহিম আজাদ, শামসুল আলম লিপটন, হাফেজ ক্বারী ইসারুহুল্লাহ আসিফ, কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলাম দুলাল, আব্দুস সাত্তার, ফায়েজ উল্লাহ শিপন, রেজাউল করিম, মখলেছুর রহমান বস্তু, জাকির হোসেন খান, শাহীন আরা সুলতানা রীমা, সোহেল রহমান, মোতাহার হোসেন শাহীন, আনোয়ার হোসেন খান, মাইনুর রাব্বী চৌধুরী রুম্মন, আনোয়ার হোসেন শান্ত, জিয়াউর রহমান বিপুল, জাহিদ হাসান, নুরুজ্জামান খান, আল আমিন সরকার, ওলামা পার্টির আহ্বায়ক ড. ইরফান বীন তোরাব আলী, জাতীয় ছাত্র সমাজ সভাপতি আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম খান।

খন্দকার দেলোয়ার জালালী
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর
প্রেস সেক্রেটারি -০২

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী,উপলক্ষ্য উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের উদ্যোগে আয়জন করা হয় আলোচনা সভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আবৃত্তি এবং এস এস সি উত্তীর্ণ সম্মাননা। আজ ৩১ অক্টোবর সন্ধ্য ছয়টায় মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমী প্রাঙ্গনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি বিশিষ্টা প্রাবন্ধিক জসীম চৌধুরী সবুজ।উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশের সঞ্চালনায় কথা মালায় অংশ নেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম,চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী,

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার আয়াজ মাবুদ,এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহসভাপতি সুনীল ধর,প্রমুখ। কথামালায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, ১৯৬৮ সালের এই দিনে মেহনতি মানুষের সার্বিক মুক্তির স্বপ্ন বুকে নিয়ে শিল্পী-সাহিত্যিক-সংগ্রামী সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছিল উদীচী। প্রতিষ্ঠার প্রায় ছয় দশক ধরে উদীচী কেবল একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে নয়; বরং রাজনৈতিক গণ-আন্দোলনের এক নিরন্তর ধারায় শোষিত-নির্যাতিত মানুষের দ্রোহের মশাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সত্যেন সেন খুব সচেতনভাবেই শিল্পী-জনতার এই সংগঠনটির নাম রেখেছিলেন ‘উদীচী’—যার অর্থ ধ্রুবতারা বা উত্তর দিক। দিগ্‌ভ্রান্ত নাবিক যেমন দূর দিগন্তের ধ্রুবতারা দেখে লক্ষ্য স্থির করেন, তেমনি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও গণমানুষের অধিকারের সংগ্রামকে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদের চেতনায় সঠিক পথ দেখাতে উদীচী ধ্রুবতারার মতোই আলোকবর্তিকা হয়ে পথ চলছে ৫৭ বছর ধরে। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই সময়ে বিকারগ্রস্তের রাজত্বে উদীচী তার ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্লোগান ঠিক করেচে “ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,এবার আমি গোলাপ নিব,” এই দ্ব্যর্থহীন স্লোগানই আজকের সংক্ষুব্ধ সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা।

প্রধান অতিথির বক্তব্য হাবিবুল আলম বলেন,সারা পৃথিবী আজ এক নজিরবিহীন যুদ্ধোন্মাদনা ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট। সাম্রাজ্যবাদ আর সাম্প্রদায়িকতার প্রত্যক্ষ মদদে নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরছে দেশে দেশে, আধিপত্য আর মুনাফার লোভে চলছে মানবতাবিনাশী ধ্বংসযজ্ঞ। প্রিয় স্বদেশও আজ এই আগ্রাসী থাবার নির্মম শিকার। নানা ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ আজ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর দাবার ঘুঁটিতে পরিণত হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তথাকথিত কৌশলগত অংশীদারত্বের আড়ালে যে জনবিরোধী দাসত্বমূলক চুক্তি হয়েছে, তা আমাদের রক্তস্নাত সার্বভৌমত্বকে ঠেলে দিয়েছে চরম সংকটের মুখে। আমাদের জাতীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার রাষ্ট্রঘাতী অপতৎপরতা আমাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। উদীচী তার জন্মলগ্ন থেকেই সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন। দেশের সম্পদে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গণ-প্রতিরোধের মাধ্যমে উদীচীর লড়াই অব্যাহত থাকবে আজ ও আগামীতে।

এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,,সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ সমাজ ও রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আজ সুপরিকল্পিতভাবে পদদলিত করার অপচেষ্টা চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে বিজ্ঞানমনস্ক, সাংস্কৃতিক ও মুক্তচিন্তার ধারাকে রুদ্ধ করে বিভাজনের কূপমণ্ডূকতা চাপিয়ে দেওয়ার এই বিনাশকালে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আজ আক্রমণ করছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। আমাদের অস্তিত্ব, ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার লড়াই ও মননচর্চার প্রধান বাতিঘর রবীন্দ্রনাথের ওপর আজ বারবার আঘাত হানা হচ্ছে। অথচ ১৯৬১ সালে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই বাংলার মানুষ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে নিজের করে নিয়েছিল। একষট্টির সেই লড়াই ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম সাংস্কৃতিক ভিত্তি।

পাকিস্তান সরকারের রবীন্দ্রসংগীত নিষেধাজ্ঞার অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে বাংলার মানুষ সেদিন প্রমাণ করেছিল রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেবলই সাংস্কৃতিক নয়, রাজনৈতিকও বটে। উদীচী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, রবীন্দ্রনাথের রচনা ও দর্শন কেবল সাহিত্য বা শিল্পচর্চাই নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের আত্মমর্যাদা ও ধর্মনিরপেক্ষ জাতিসত্তা টিকিয়ে রাখার মৌলিক সাংস্কৃতিক পরিচয়। এ কারণেই এই সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষার রাজনৈতিক লড়াইয়ে উদীচী একাত্তরের চেতনাকেই একমাত্র আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই যেখানেই রবীন্দ্রবিরোধিতা ও অন্ধকারের আস্ফালন, সেখানেই উদীচীর কর্মীরা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছেন কণ্ঠে প্রতিরোধের গান-কবিতা নিয়ে।

জসীম চৌধুরী সবুজ বলেন,প্রায় ছয় দশক ধরে উদীচীর এই পথচলা সহজ ছিল না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে উদীচীর শিল্পী-কর্মীরা যেমন কাঁধে রাইফেল তুলে নিয়ে লড়াই করেছিলেন, তেমনি স্বাধীন দেশে সামরিক দুঃশাসন, স্বৈরতন্ত্র ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের রাজনৈতিক সত্তাকে গণমানুষের নিজস্ব ভাষায় রূপান্তরের প্রয়াসেই উদীচী আজও কাজ করে যাচ্ছে। এই আপসহীন দ্রোহের কারণেই প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তির নির্মম আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে উদীচীকে। ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোর টাউন হলের দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনে বর্বরোচিত বোমা হামলা এবং ২০০৫ সালের ৪ ডিসেম্বর নেত্রকোনার কার্যালয়ে উগ্র ধর্মান্ধ জঙ্গিদের বোমা হামলায় উদীচী হারিয়েছে তার নিবেদিতপ্রাণ কর্মী-সংগ্রামীদের। কিন্তু রক্তের বিনিময়েও উদীচী মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক এবং সাম্যবাদী রাষ্ট গঠনে রাজপথের লড়াইকে আরও শাণিত করার এক নতুন শপথ। আলোচনা সভা শেষে

সংগীতপরিবেশনকরেন,বিশ্বতান”,আবৃত্তি করেন জয়শ্রী মজুমদার, এবং গণসংগীত পরিবেশন করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের শিল্পীকর্মীরা।সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পরপরই এস এস সি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমির সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

L

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার একটি হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার ক্রীড়া সংস্থা সদস্য সচিব হাজি আবু আকতার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ শওকত আলম। সকল সদস্য সিদ্ধান্ত নিয়ে উপস্থিতি সম্মেলনে প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও একাডেমি উপদেষ্টা মোঃ সিরাজুল ইসলাম কমিটি ঘোষণা করেন

৭১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা সদস্য সচিব হাজী আবু আকতার এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাতীয় ফুটবল খেলোয়াড় তৌহিদুল আলম।

কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা রেফারি ও ক্রীড়া সংগঠক হেলাল উদ্দিন টিপু। সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন আবুল হাশেম মতি, ইয়াসিন আলী, মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, কাজী জসিম উদ্দিন, মো. নাজিম উদ্দিন, মীর মোহাম্মদ হারুন, জাফর ইকবাল, মোঃ ইউনুচ, মো. লোকমান (কান্তরি), হাফিজুর রহমান খোকন, মহসিন খোকন, মো. লোকমান ও কপিল উদ্দিন চৌধুরী ।

সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুজন পৌরহিত দেবু, যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে শামশুল আলম এবং সহযুগ্ম সম্পাদক হিসেবে মো. রিপন দায়িত্ব পালন করবেন। সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুল হক বাপ্পী এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কেলভেন।

এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক হিসেবে মো. নাজিম উদ্দিন (কান্তরি), সহ-অর্থ সম্পাদক মো. সৌরভ জাহেদ, ক্রীড়া সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন হাসান, সহক্রীড়া সম্পাদক মো. জোনায়েদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মারুফ উল হুদা আসিফ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবরার ইমন, সহ-প্রচার সম্পাদক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমনানুল হক জিকু, ক্রীড়া ও বিনোদন সম্পাদক সৈয়দ জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ শফিউল করিম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, প্রকাশনা সম্পাদক মো. মোরশেদ এবং সহ-প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাসেল কমিটিতে রয়েছেন।

কমিটিতে সিনিয়র সদস্য হিসেবে বশির আহমেদ, সৈয়দ মো. নজরুল ইসলাম, ইয়াছিন চৌধুরী, পূজন সেন, তৌহিদুর রহমান, মো. ইউনুচ, মো. জামাল ও মেহেদী হাসান সাগরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া মিনহাজ আলম, জিসান আলম, রাশেদুল ইসলাম ফয়সাল, মো. সাজ্জাদ, কামরুল হাসান, মো. নাসিম, আমিন উল্লাহ সোহান, হোসেন রবিন, তানভীর ইসলাম নয়ন, সাইদুর আরমান, জয়নাল আবেদীন জুবায়ের, রোকন উদ্দিন, মোঃ লিটন, মোঃ সাইদ, মোঃ জাহেদ, মোঃ বাহাদুর, মোঃ খোরশেদ, মোঃ ইমন, মোঃ হামিদ, নয়ন দাস, মোঃ সুমন, মোহরাজ, প্রমুখ।

প্রধান উপদেষ্টা হলেন আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ সহ উপদেষ্টা হলেন আলহাজ্ব আজিজুল হক চেয়ারম্যান, মোঃ শওকত আলম, শহীদুল ইসলাম সহ ৩১জন উপদেষ্টা করা হয়। সহ আরও অনেকে সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমি উপজেলা সদর, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। একাডেমিটির মূল স্লোগান—‘ক্রীড়াই ঐক্য’।নতুন কমিটির মাধ্যমে একাডেমির সাংগঠনিক কার্যক্রম, খেলোয়াড়দের উন্নয়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসারে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ