লালমনিরহাট জেলায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে শিবরাম স্কুল।

সাহিদ বাদশা বাবু লালমনিরহাট:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লালমনিরহাট জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্র মিশন মোড়ে শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষা ক্ষেত্রে আদর্শ বিদ্যালয়ের এক প্রতিচ্ছবি। অন্যান্য বিদ্যালয় থেকে ব্যতিক্রমী এ বিদ্যালয় লালমনিরহাটে পদার্পণ করে ২০১৫ সালে। ক্যাডেট কলেজের আদলে পরিচালনা হচ্ছে বিদ্যালয়টি। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শিশুদের ক্যাডেট কলেজে ভর্তির উপযোগী করে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছেন বলে জানান বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এ বিদ্যালয়ের শিক্ষা পদ্ধতি,নিয়মনিতী এবং সব কিছুতেই রয়েছে ব্যতিক্রমের ছোঁয়া। এর পিছনে আছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। শুধু মাত্র লালমনিরহাট জেলার নয়,জেলার বাহিরে থেকেও এখানে পড়তে আসে অনেক শিক্ষার্থী। তাদের জন্য রয়েছে এখানে শিশু বান্ধব আবাসিক ব্যসবস্থা। স্থানীয় শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনের নিয়মিত পাঠদান শেষে বাসায় যায় ঠিকই;কিন্তু আবারও তারা পড়তে আসে বিকেল কিংবা সন্ধ্যা বেলায়৷ শিক্ষার্থীরা তাদের বাসায় নয়; আনন্দ আড্ডায় দিনভর পড়াশোনা করে এ স্কুলে।

এ বিদ্যালয়ে দূরের ছাত্রদের জন্য রয়েছে শিশুবান্ধব পরিবেশে আবাসিক ব্যবস্থা। মাতৃ ছায়ার পরশে থাকা খাওয়া সহ লেখাপড়ার গুরুভার দায়িত্ব নিয়ে থাকে এ বিদ্যালয়। বিগত বছর গুলোর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে গড়ে ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ সহ বৃত্তি প্রাপ্ত হয়ে সাফল্যের শীর্ষ স্থান দখল করেছে। এছাড়াও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ছিনিয়ে এনেছে প্রথম কিংবা দ্বিতীয় পুরষ্কার।

ইতোমধ্যে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়রসহ জেলার অনেকেই পরিদর্শন করেছেন বিদ্যালয়টি৷ বিদ্যালয়টির পরিচালককে শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী আবদান রাখায় করেছেন বিশেষ সম্মানে ভূষিত।

তাই খুব অল্প সময়ের মধ্যে এ বিদ্যাপীঠটির সুনাম ছড়িয়ে পরেছে পুরো জেলাজুড়ে। এ বিদ্যালয়ের ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতের লেখার ধরণ একই রকম। সবার হাতের লেখায় আছে জাদুর ছোঁয়া। দিন দিন হাতের লেখাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে এ স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যাপীঠটির অধ্যক্ষ আঞ্জুমানারা লতা জানান, প্রতিটি শিশু জ্ঞান-শৃঙ্খলা, আচার- আচরণ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় এবং মানবীয় গুণাবলীতে বেড়ে উঠে শুধু দেশে নয় ; বিশ্ব সভ্যতায় যাতে অবদান রাখতে পারে সেই লক্ষ্যে এই বিদ্যালয়টি পরিচালনা হয়ে আসছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ