আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত স্মার্ট মিরসরাই গড়ে তুলবো-গিয়াস উদ্দিন।

কামরুল হাসান মিরসরাই প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রতীক পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় বড় দারোগারহাট বাজার থেকে প্রচারনা শুরু হয়ে দুপুর ২ টায় শেষ হয় মিরসরাই পৌরসদরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে। এসময় ঈগল প্রতীক নিয়ে লড়া গিয়াস উদ্দিন ১২ টি বাজারে গনসংযোগ করেন এবং দুইটি স্থানে পথসভা করেন।

পথসভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত স্মার্ট মিরসরাই গড়ে তুলবো। আমি আশাবাদী নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠ হবে। মানুষ যদি সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারে আমি ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবো। সুষ্ঠ পরিবেশে আগামী ৭ জানুয়ারি আমার প্রিয় মিরসরাইবাসী যে রায় দিবেন তা আমি মাথা পেতে নেবো। দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়েছেন উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। আজ সেটাই প্রমান হয়েছে।
আমি যখন নির্বাচনী প্রচারণায় বের হয়েছি জনগনের স্বতস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ‘মিরসরাইয়ে দক্ষিণ এশিয়ার স্মার্ট সিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর হচ্ছে। এই শিল্পশহরের পরিবেশ যদি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত না হয় তাহলে বিনিয়োগকারীরা এখানে আসবে না। আমি শিল্পশহরে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবো। আমি অতীতেও আপনাদের সাথে ছিলাম। যতদিন বেঁচে থাকবো আপনাদের সাথে থাকবো। আমি আপনাদেরই লোক।

ঈগল প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন মঙ্গলবার সকাল থেকে গনসংযোগ করেন বড় দারোগারহাট, নিজামপুর সরকারি কলেজ বাজার, হাদিফকিরহাট, বড়তাকিয়া, মিরসরাই সদর, মিঠাছরা, ঠাকুরদিঘী, মস্তাননগর বিশ^রোড়, জোরারগঞ্জ, বারইয়ারহাট, করেরহাট ও ছদরমাদিঘী এলাকায়।

এসময় বারইয়ারহাট পৌরবাজার ও করেরহাট বাজারে পথসভা করেন। পথসভা ও গনসংযোগে স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন নেন।
এসময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গিয়াস উদ্দিনের প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও নির্বাচন সমন্বয়ক নুরুল হুদা, নির্বাচন সমন্বয়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান শাহীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম, বারইয়ারহাট পৌরসভার সাবেক কমিশনার ইমাম হোসেন, ওচমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, খৈয়াছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহেদ ইকবাল চৌধুরী, মিরসরাই সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বরিউল হোসেন রবি, মায়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এসএম গোলাম সরওয়ার, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ উদ্দিন বাদল।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলা উদ্দিন, নিজামপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমাম উদ্দিন, মিঠানালা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাসান রেজা রুমি, মিরসরাই উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুল আউয়াল তুহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মাইনুল ইসলাম মিল্টন, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার দপ্তর সম্পাদক আছিফুর রহমান শাহীন, সাবেক ছাত্রনেতা হাসান হাবিব রনি প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অবৈধ স্থাপনা, খাল দখলের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিলেন চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকির পাশাপাশি অবৈধ দখল ও নাগরিক অসচেতনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। সোমবার সকালে মেয়র প্রথমে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সংলগ্ন সড়ক পরিদর্শন করেন।

এ সময় সড়কের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশ দেন মেয়র। পরে বহদ্দারহাট এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান খাল সংস্কার কাজ ঘুরে দেখেন এবং পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বাঁধগুলো অপসারণের নির্দেশনা দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার্থে সেখানে একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণেরও নির্দেশ দেন মেয়র।এরপর তিনি ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের ফরিদার পাড়া এলাকায় পরিচালিত নালা ও খাল পরিষ্কার অভিযান পরিদর্শন করেন। পরে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাজা রোড এলাকায় নালা-খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।

চসিক সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা ও খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা কমাতে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে সচল রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ যত্রতত্র ময়লা ফেললে খাল-নালা আবারও ভরাট হবে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

মাত্র এক ঘণ্টায় পানি নেমে গেছে, এটি ইতিবাচক দিক—সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর চলমান খাল সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের কারণে সাময়িকভাবে কিছু এলাকায় পানি জমলেও পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, “এবার পানি দীর্ঘসময় স্থায়ী হয়নি। মাত্র ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে গেছে, যা আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা।


শনিবার রাতে প্রবর্তক মোড় এলাকায় পরিদর্শনে এসে মেয়র বলেন, খাল সংস্কার ও বাঁধ অপসারণের কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। তবে নগরবাসী ও গণমাধ্যমকে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ও সিডিএ’কে অন্তত পাঁচ থেকে সাত দিন সময় দিতে হবে।তিনি জানান, হিজড়া খাল, জামালখান খাল, মুরাদপুর খাল ও রামপুর খালসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় ৩০টি বাঁধ অপসারণের কাজ চলছে। এসব কাজ সম্পন্ন করতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঁচ দিন সময় চাওয়া হলেও শনিবার আবারও বৃষ্টি হওয়ায় কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে তাই তিনি অতিরিক্ত আরও দুই দিন সময় লাগতে পারে। প্রয়োজনে আরও কয়েকদিন সময় বাড়ানো হতে পারে।

মেয়র বলেন, “যেকোনো ভারী বৃষ্টিতে কিছু সময়ের জন্য পানি জমতেই পারে। কিন্তু সেটি দীর্ঘসময় স্থায়ী হলেই কেবল তাকে জলাবদ্ধতা বলা যায়। আগে অনেক এলাকায় দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত পানি থাকত, এখন এক ঘণ্টার মধ্যেই নেমে যাচ্ছে। এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখতে হবে।তিনি আরও বলেন, চলমান বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চসিক ইতোমধ্যে ১৫ এপ্রিল থেকে নালা-নর্দমা ও খাল পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আগামী ছয় মাস অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নগরীর ২১টি খাল খননের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, সিডিএর অধীনে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড বিভিন্ন খাল ও সেতু সংলগ্ন এলাকায় কাজ করছে। তবে নগরবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় কিছু স্থানে সাময়িকভাবে কাজ স্থগিত রেখে বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে, যাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।তিনি বলেন, “রিটেইনিং ওয়াল ও শিটপাইলের কিছু কাজ এখনই শেষ করা সম্ভব হবে না। কারণ এগুলো সরিয়ে ফেললে রাস্তা ও খালের ক্ষতি হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে কাজ সম্পন্ন করা হবে।

মেয়র আরও জানান, আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২৫ মে থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হতে পারে। তাই এর আগেই ২০ মে’র মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে।
জলাবদ্ধতায় সাময়িক ভোগান্তির জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে মেয়র বলেন, “আমরা সবাই মিলে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাই চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে দেখা এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া জরুরি।”

তিনি দাবি করেন, আগে যেসব এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ছিল, তার অনেকগুলোতেই এবার পানি জমেনি। তবে হিজড়া খাল, কাট্টলী, গেইটস মোড়, চকবাজার ও জামালখান এলাকার কিছু অংশে পানি জমার বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ