আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস)’র সাধারণ সভা ও আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

ডেস্ক নিউজ

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম ফ্যাসিস্ট মুক্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) এর সাধারণ সভার মধ্যে দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে প্রকৌশলী মোঃ সোহরাব হোসেন আহ্বায়ক ও প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি আজ ৫ মে, মঙ্গলবার বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত আগ্রাবাদস্থ বিদ্যুৎ ভবন চট্টগ্রাম কার্যালয়ে গঠিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মোঃ সিহাব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ সোরহাব হোসেন, প্রকৌশলী মোঃ সাজিদ, প্রকৌশলী মোঃ রায়হানুর রহমান রুহেল, প্রকৌশলী মোঃ সজীব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ ওলিউল ইসলাম, প্রকৌশলী মোঃ নূর ইসলাম, প্রকৌশলী আলাউদ্দীন সোহাগ, প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান সহ অসংখ্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতিকে আওয়ামী লীগের লেজুড়বৃত্তি সংগঠনে পরিণত করেছিল ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নামধারী কিছু চিহ্নিত সুবিধাভোগী।

১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনের সকল সেক্টরকে ফ্যাসিস্টমুক্ত-স্বতন্ত্র পেশাজীবী এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ গঠনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ। সাধারণ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি দাওয়া আদায়ে স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ সাধারণ প্রকৌশলীদের পাশে থাকতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। নতুন কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) ফ্যাসিস্ট মুক্ত হইল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট এবং জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় ও যুব ইউনিটের পরিচালনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হয়।বৃহস্পতিবার দিবসের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোতাহার হোসেন।

একই সময়ে রেড ক্রিসেন্ট পতাকা উত্তোলন করেন জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ আসিফ চৌধুরী। পতাকা উত্তোলন শেষে বর্ণিল ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব সংগীত সহযোগে আন্দরকিল্লা চত্ত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ আছিফ চৌধুরী।

ইউনিট লেভেল অফিসার মো. জিয়াউল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ইউনিট চেয়ারম্যান মো. মোতাহার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও ইউনিটের সাবেক সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।বক্তারা আর্তমানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্টের আন্দোলনকে আরও বেগবান করার শপথ নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মোতাহার হোসেন বলেন, মানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্ট সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করাই এই দিবসের মূল চেতনা। চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট ও জেমিসন হাসপাতাল সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আছিফ চৌধুরী বলেন, জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল চট্টগ্রামে চিকিৎসাসেবায় আস্থার প্রতীক। রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবসের এই চেতনা আমাদের সেবার মানকে আরও উন্নত করতে উৎসাহিত করে। যুব স্বেচ্ছাসেবকদের ত্যাগ ও পরিশ্রমই আমাদের এই আন্দোলনকে বেগবান রাখছে।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, হেনরি ডুনান্টের যে আদর্শ নিয়ে এই আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়েছিল, আমরা চট্টগ্রামে সেই আদর্শ বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছি। এই আয়োজন আমাদের ভ্রাতৃত্ব ও সেবার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য রায়হানুল আনোয়ার রাহী, জাহাঙ্গীর আলম বাবর, ভারপ্রাপ্ত সিএমও ডা. মাহফুজা বেগম, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দৌলা সুজন, ডা. মিসবাহ উদ্দিন, চেয়ারম্যানের সহকারী একান্ত সচিব মুহাম্মদ রিয়াজুর রহমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ মর্জিনা বেগম, প্রশিক্ষণার্থীসহ সাবেক যুব প্রধান ফয়সাল হোসেন। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুব সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

নিষিদ্ধ আ.লীগ ও বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের উত্তেজনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।সোমবার বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম আদালত ভবনের আইনজীবী সমিতি ভবনের বার লাইব্রেরির প্রবেশমুখে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীদের অভিযোগ, বিএনপি-সমর্থিত আইনজীবীরা তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহে বাধা দেন। তবে বিএনপি-সমর্থিত আইনজীবীরা এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, দেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দল-সমর্থিত আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৩টার দিকে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদের নেতৃত্বে একদল আইনজীবী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে বার লাইব্রেরিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে প্রবেশমুখে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা বার লাইব্রেরির দরজা বন্ধ করে দেন।পরে আওয়ামী লীগ-সমর্থক বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতাকর্মীরা বার লাইব্রেরির সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

সভাপতি প্রার্থী আবদুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, তারা সাধারণ আইনজীবী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গেলে তাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা ফরম সংগ্রহ করতে পারেননি।
অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রামের সদস্যসচিব কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।

ঘটনার বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন বলেন, মনোনয়নপত্র সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার রওশন আরা জানান, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় নির্ধারিত রয়েছে এবং যেকোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। বাধার বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, তপশীল অনুযায়ী, ৫ মে মনোনয়নপত্র বাছাই, ৬ মে আপত্তি শুনানি, ৮ মে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ৯ মে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। আর ২১ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আলোচিত খবর

দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। শুক্রবার সকাল ৮ থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারটিতে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রিফাইনারিতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। এর পরপরই চালু করা হয় শোধনাগারটি।ইআরএল সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে পৌঁছায়নি। ফলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্যে বুধবার দুপুরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি কুতুবদিয়া চ্যানেলে এসে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশে আসা প্রথম ক্রুড অয়েলের চালান। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। ২৪৯ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়তে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকারে তেল খালাস করে পতেঙ্গার ইআরএলে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে লাইটারিং বলা হয়।এদিকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে থাকা বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। দেশের বাকি জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমানে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ