স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল করতে

আইন সংশোধনের নানাবিধ প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগে

ডেস্ক নিউজ

অযোগ্যতায় থাকছে বিল খেলাপিও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল করতে সংশ্লিষ্ট আইনে একাধিক সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোর মধ্যে রয়েছে—এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপি ও বিলখেলাপিদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতার আওতায় আনা। পাশাপাশি সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে।

এসব প্রস্তাব শিগগিরই স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে ইসি।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্য নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসি সচিব বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর ক্ষেত্রে বিষয়টি সব আইনে একইভাবে উল্লেখ নেই। তাই সব বাহিনীর আইনে বিষয়টি যুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে কমিশন মনে করছে।

তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কমিশন মনে করছে, তাদের প্রার্থিতার অযোগ্যতার আওতায় আনা উচিত।
ঋণখেলাপির বিষয়ে তিনি বলেন, শুধু ঋণগ্রহীতা নয়, ব্যক্তিগতভাবে জামিনদার হওয়া ব্যক্তিদেরও ঋণখেলাপি হিসেবে বিবেচনা করে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ, ভূমি কর, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের বিলখেলাপিদের বিষয়েও নতুন বিধান আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি নিজে বা তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিলখেলাপি হলে সেটিও প্রার্থিতার অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আখতার আহমেদ আরও বলেন, লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না—এমন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়েও কমিশন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।আইন সংশোধনের প্রস্তাবগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ক্রমেই বাড়ছে আলোচনা। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ, মতবিনিময় ও জনসংযোগ। এ প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ৬-নং লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সৌদি আরব প্রবাসী কমিনিউটির সর্বজন সু-পরিচিত ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতি ও সমাজের সর্বত্র একটি অংশে ইতিবাচক আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করেছেন তার এলাকাবাসী।।

বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সৌদি আরব প্রবাসী কমিনিউটি সুপরিচিত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ ৬-নং লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের (৮-নং ওয়ার্ড়) মজিদার পাড়ার মরহুম মুহাম্মদ খুলুমিয়ার সুযোগ্য পুত্র।

স্নাতক শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পূর্ণ ও নিবেদিত একজন সমাজকর্মী আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ। তিনি মজিদার পাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটি প্রধান সমন্বয়ক, কর্ণফুলী টাওয়ার-চট্টগ্রামের সভাপতি ও লোহাগাড়া সমিতি-চট্টগ্রাম এর প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক। এছাড়াও লোহাগাড়া ফোর এইচ ক্লাব, একুশে পরিবার লোহাগাড়া সাবেক সভাপতি ছিলেন।
এদিকে প্রবাসে কমিনিউটিদের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মধ্যে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন সৌদি আরব শাখা, মদিনা প্রবাসী ফোরাম, মদিনা বাংলাভিশন দর্শক ফোরাম, সিপ্লাস টিভি দর্শক ফোরাম, চুনতি সিরাতুন্নবী (সঃ) মাহফিল পরিচালনা কমিটি মদিনা মনোয়ারা শাখা সভাপতি ও সাতকানিয়া লোহাগাড়া বিজনেস ফোরামের আহবায়ক এবং সাকানিয়া-লোহাগড়া ঐক্য পরিষদ, লোহাগাড়া প্রবাসী সমিতি-সৌদিআরব উপদেষ্টা ও গারাংগিয়া আলীয়া মাদ্রাসা তোলাবায়ে সাবেকিন প্রবাসী কমিটি সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসীর পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য,দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কমিনিউটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নিজ এলাকার সামাজিক সংগঠন ও সমাজ এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকার কারণে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি অনেকের কাছে পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন।

৬-নং লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সচেতন মহলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রত্যাশা করেন, যিনি নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছর মানুষের পাশে থাকবেন এবং নাগরিক সমস্যার কার্যকর সমাধানে আন্তরিক ভূমিকা পালন করবেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন, আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হতে পারেন।

ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সচেতন মহল বলেন, প্রবাসে কমিনিউটি সংগঠন-সহ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ’র সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ তাকে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তাদের দাবি, মানুষের ভালোবাসা পেলে তিনি নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

অন্যদিকে স্থানীয় এলাকার একাংশের মতে, লোহাগাড়া সদর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনিয়নের নেতৃত্বে এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন, যিনি ব্যবসায়ী সমাজ, নাগরিক সেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি করতে পারবেন। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের নেতৃত্বের প্রত্যাশা থেকেই তারা বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীকে মূল্যায়ন করছেন।

ভোটারদের চূড়ান্ত মতামতই নির্ধারণ করবে আগামী নেতৃত্ব।লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের বেশকয়েকজন ভোটার বলেন, লোহাগাড়া সদরের উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধার সম্প্রসারণ, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ পরিবেশ এবং সেবার মান বৃদ্ধির জন্য মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় শক্তি।”

এ বিষয়ে আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ বলেন, সামাজিক সংগঠন ও প্রবাসী কমিনিউটি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের সেবার একটি মাধ্যম। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এলাকার জনগণ যদি আমার ওপর আস্থা রাখেন এবং দায়িত্ব অর্পণ করেন, তাহলে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নাগরিকবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।

রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনসংযোগ, দলীয় সিদ্ধান্ত, নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটারদের চূড়ান্ত মতামতই নির্ধারণ করবে লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের আগামী নেতৃত্ব। তাই নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের সুযোগও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডাকার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমানের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সারাদেশে চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিরসনে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি বরাবর এই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সচিবালয়েও পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ