পুরানবাজার স্ত্রীর সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে স্বামীর আত্বহত্ব্যা

এস আর শাহ আলম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার নিতাইগঞ্জ রোড, কুলিবাগান এলাকায় ভাড়া বাড়িতে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক যুবক। আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার বিকেলে, সরজমিন গিয়ে জানা যায়,পুরানবাজার নতুন রাস্তার বৌবাজার এলাকার হোটেল ব্যবসায়ি মোঃ ছলেমান ঢালির ছেলে মোঃ শাহিন ঢালি ১৮, কে বিগত ৬-৭ মাস পূর্বে পারিবারিক ভাবে অনুষ্ঠান করে কানুদী এলাকায় বিয়ে করান, বিয়ের কয়েক দিন স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালো সম্পর্ক কাটলেও, বিয়ের ২-৩ মাস পরে শাহীন কে পৃথক সংসার করার চাপ দেন স্ত্রী , অথচ শাহীন তার বাবার সাথে একই হোটেলে কাজ করে যোথ সংসারে বাবা মা ভাই নিয়ে থাকার ইচ্ছে করলে, দুই জনের মাঝে বহু কথা কাটাকাটি হয়, এক পর্যায়, গত দেরমাস আগে স্ত্রী শাহীন কে নিয়ে কানুদী বাবার বাড়ি গেলে আর স্বামীর সাথে তার বাড়ি না এসে, তাকে একা পাঠিয়ে দেয়, এতে করে শাহীন সহ তার বাবা মা বৌকে আনার চেষ্টা করলে সে সাপ বলে যে শাহীনের সংসার করবে না, এমন পরিস্থিতিতে শাহীন বহু বার তার শশুর বাড়ি গিয়ে অপমানিত হয়, স্ত্রী কে আনতে গেলে, শশুর ও শাশুড়ীর নানাহ কথা মুখ বুঝে শুনে তাহা হজম করে বাড়ি চলে আসতেন, কিন্তু সে পরিবারের কাহকে বিষয়টি বলতেন না, শুধু বলতেন শশুর শাশুড়ী ও চায় না তার মেয়ে আমার সাথে সংসার করুক। চলমান দুইজনের অসান্তির মাঝে শুক্রবার শাহীনের বাবা মা সকলে বড় ভাইয়ের শশুর বাড়ি চরে বিয়ের অনুষ্ঠানে গেলে, সে সুযোগে শাহীন শুক্রবার স্ত্রী কে আনতে তার শশুর বাড়ি কানুদী যায়, কিন্তু সেখানে সকলেরে সাথে ঝগরা বিবাদ করে, শনিবার দুপুরে পুরানবাজার চলে আসে, আর আসার সময় শাহীন স্ত্রী কে বলে তুমি না গেলে আমি মরে যাবো, ঠিক নিজের বাড়ি এসে শাহীন স্ত্রী কে ফোন করে বলে তুমি এলে না আমি মরে যাবো এখনি, ঠিক তখনি, স্ত্রী , তার জেঠা শশুর আবুল ঢালিকে ফোন করে বলে, চাচা আপনি শাহিনদের বাড়ি যান গিয়ে দেখেন সে কি করে, আমাকে ফোন করে বলেছে সে মরে যাবে, তৎক্ষণে শাহিন নিজের রুমের সিলিং ফ্যানের সাথে গালায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে,আর আবুল হোসেন এসে দেখে শাহীন রশিতে ঝুলে আছে, এই দৃশ্য দেখে আবুল চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটে পরে, এমনটাই জানান পরিবার বর্গের আরেক চাচা মান্নান ঢালি, আর ততক্ষণে বাবা ছলেমান ও তার স্ত্রী সহ অনন্যরা চর থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন শাহীন নেই।

আবুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন দৌরে এসে ঝুলন্ত শাহীন কে সদর হাসপালে নিয়ে যাওয়ার পূর্বের শাহীন দুনিয়ার মায়া ছেরে পরপারে চলে যান। তবে বিষয়টি এলাকায় ছরিয়ে পড়লে, ওই বাড়িতে মানুষের ঢল নামে,উপস্থিত সকলেই বলেন শাহিন ভালো ছেলে স্ত্রী কে অনেক ভালোবাসত, কিন্তু স্ত্রী তেমন ভালো বাসত না, আর শশুর বাড়ির লোকজন ও শাহিনকে অনেক অপমান করেছে, আজ স্ত্রীর কারনে ছেলেটি আত্মহত্যা করলো, এদিকে মৃত শাহিনের মা বার বার ঞ্জান হারিয়ে ফেলেন ছেলেকে হারিয়ে মা যেনো পাগলের মত, আর বাবা ছেলের মৃত দেহ বাড়ি আনতে হাসপালের মর্গে, এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আইনের ব্যব্স্হা গ্রহনের কোন খবর পাওয়া যায় নি, তবে খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ হাসপাতালে ছুটে যান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বোয়ালখালী থানা পুলিশের অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ নুরুল আলমসহ পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— বোয়ালখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁন্দারপাড়ার বাসিন্দা মো. হোসেন (২৪), পোপাদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইমন (১৯) এবং একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান ওরফে ফোরকান (৫৫)।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মো. হোসেন বোয়ালখালী পৌর যুবলীগের নেতা, ইমন পোপাদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সেক্রেটারি এবং আব্দুস সোবহান ওরফে ফোরকান বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত।

তাঁদের মধ্যে মো. হোসেন বোয়ালখালী থানার মামলা নম্বর ০৭-এর এজাহারনামীয় আসামি। মামলাটি ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬(১), ৬(২), ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। অপর দুজনকে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।আইনগত ব্যবস্থা: গ্রেপ্তার তিন আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন।

চট্টগ্রামের রেল স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ : ট্রেন ছাড়তে দেরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে ট্রেন ছাড়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে বিক্ষোভ করেছেন অপেক্ষমাণ যাত্রীরা। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশন মাস্টারের কক্ষে ঢুকে অবস্থান নেন এবং রেলকর্মীদের কাছে জবাবদিহি দাবি করেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীরা এই বিক্ষোভ করেন।

রেলওয়ে সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে না আসায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বেলা সাড়ে ১০টার দিকে একদল যাত্রী প্ল্যাটফর্মে জড়ো হয়ে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তাদের ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘রেল যাত্রীদের হয়রানি, চলবে না চলবে না’, ‘রেলওয়ের দুর্নীতি, চলবে না চলবে না’ এবং ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে যাত্রীরা সংঘবদ্ধ হয়ে স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ের দিকে এগিয়ে যান। তারা কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে সেখানে উপস্থিত রেলওয়ের কর্মীদের কাছে ট্রেন দেরিতে ছাড়ার কারণ জানতে চান এবং স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে কথা বলার দাবি জানান। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রেলওয়ের কর্মীরা যাত্রীদের বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক জানান, সিগন্যালিং সমস্যার কারণে বুধবার সকাল থেকে কয়েকটি ট্রেন স্টেশনে পৌঁছাতে এবং ছেড়ে যেতে বিলম্ব হয়েছে। পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটিও দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায়। কানেকটিং ট্রেনের যাত্রীরা এতে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন, যার কারণে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।পরিস্থিতি পরে স্বাভাবিক হয় এবং বেলা ১০টা ৫৭ মিনিটে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে যায়। স্টেশনে যাত্রীদের ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ