তিনদিনের অবকাশ যাপন শেষে সাজেক ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

ঢাকা অফিস:

জাতীয়:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা তিনদিনের অবকাশ যাপন শেষে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ও “মেঘের রাজ্য” সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে ছেড়ে চলে গেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে হেলিকপ্টার করে রাষ্ট্রপতি সাজেক ছেড়ে চলে যান বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো. শামীম হোসেন। গত শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার সাজেক পর্যটন এলাকায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সফর সঙ্গীদের নিয়ে ২৭ বিজিবি হেলিপ্যাডে ১.২০ মিঃ এ অবতরণ করেন। রাষ্ট্রপতি সাজেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করেন। মেঘ পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালি আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত। তিনি সফর সঙ্গীদের নিয়ে হেলিকপ্টার: ২ (নরমাল ভার্সন) যোগে ঢাকা তেজগাঁও বিমান বন্দর হতে মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন।

এসময় সফর সঙ্গীদের মধ্যে মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সচিব (সংযুক্ত) জন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, মিসেস শেখ নাসরিন আহমেদ, মহামান্য রাষ্ট্রপতি সামরিক সচিবের পতœী, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান, এসপিপি, পিবিজিএম, এনডব্লিউসি, পিএসসি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সহকারী সামরিক সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, আপন বিভাগ ও মোঃ দিদারুল আলম মহামান্য রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব, জন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এবং স্বজনরাসহ অন্যান্য সফর সঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
৩দিনের সাজেক সফরকালীন সময়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সাজেকের কংলাক পাহাড় এলাকার খা¯্রাং রিসোর্টে অবস্থান করেন। ভ্রমনকালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সফর সঙ্গীদের নিয়ে সাজেকের গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন।
তবে রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে কটেজ, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। ভ্রমণকারী অন্য পর্যটকদের সঙ্গেই সাজেকের প্রকৃতি উপভোগ করবেন রাষ্ট্রপতি ও সফর সঙ্গীরা। তবে রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে, গত বছরের ২০-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনদিন রাষ্ট্রপতির সাজেক সফরের শিডিউল থাকলেও পরে ‘অনিবার্য কারণবশত’ সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অনুষ্ঠানে শিল্পা শেঠিকে দেখা যায় আশ্চর্যজনক খুঁজছেন!

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনুষ্ঠানে শিল্পা শেঠিকে দেখা যায়
আশ্চর্যজনক খুঁজছেন!

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ