আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

তিনদিনের অবকাশ যাপন শেষে সাজেক ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

ঢাকা অফিস:

জাতীয়:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা তিনদিনের অবকাশ যাপন শেষে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ও “মেঘের রাজ্য” সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে ছেড়ে চলে গেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে হেলিকপ্টার করে রাষ্ট্রপতি সাজেক ছেড়ে চলে যান বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো. শামীম হোসেন। গত শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার সাজেক পর্যটন এলাকায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সফর সঙ্গীদের নিয়ে ২৭ বিজিবি হেলিপ্যাডে ১.২০ মিঃ এ অবতরণ করেন। রাষ্ট্রপতি সাজেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করেন। মেঘ পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালি আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত। তিনি সফর সঙ্গীদের নিয়ে হেলিকপ্টার: ২ (নরমাল ভার্সন) যোগে ঢাকা তেজগাঁও বিমান বন্দর হতে মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন।

এসময় সফর সঙ্গীদের মধ্যে মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সচিব (সংযুক্ত) জন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, মিসেস শেখ নাসরিন আহমেদ, মহামান্য রাষ্ট্রপতি সামরিক সচিবের পতœী, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান, এসপিপি, পিবিজিএম, এনডব্লিউসি, পিএসসি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সহকারী সামরিক সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, আপন বিভাগ ও মোঃ দিদারুল আলম মহামান্য রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব, জন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এবং স্বজনরাসহ অন্যান্য সফর সঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
৩দিনের সাজেক সফরকালীন সময়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সাজেকের কংলাক পাহাড় এলাকার খা¯্রাং রিসোর্টে অবস্থান করেন। ভ্রমনকালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সফর সঙ্গীদের নিয়ে সাজেকের গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন।
তবে রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে কটেজ, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত ছিলো। ভ্রমণকারী অন্য পর্যটকদের সঙ্গেই সাজেকের প্রকৃতি উপভোগ করবেন রাষ্ট্রপতি ও সফর সঙ্গীরা। তবে রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে, গত বছরের ২০-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনদিন রাষ্ট্রপতির সাজেক সফরের শিডিউল থাকলেও পরে ‘অনিবার্য কারণবশত’ সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে।সোমবার (১৬ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পাচ্ছেন অধ্যাপক রইস উদ্দিন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম এবং খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ।এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মো. আল ফোরকান, এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।

 

যতই শক্তিশালী হোক, খাল দখলদারদের ছাড় দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


খাল দখলদারদের ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বামনসুন্দর এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। এসব প্রকল্পে দুর্নীতির স্থান নেই। যতই শক্তিশালী হোক, খাল দখলদারদের ছাড় দেওয়া হবে না। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়, মধ্যপ্রাচ্যেও যুদ্ধ চলছে। এর মধ্যেও সরকার সব কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি এনার্জি ক্রাইসিসের মধ্যেও সরকার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক মানুষকে সুফল দিতে খাল খনন কর্মসূচি কৃষি ও মৎস্যসহ নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তনের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে।দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল জলাধরা খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের উদ্যোগে বামনসুন্দর এলাকার আলিরপোল এলাকা থেকে বানাতলী পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকা পুনঃখনন করা হবে। এতে করে সরাসরি উপকারভোগী হবেন সাধারণ কৃষক। কৃষিতে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ নিশ্চিত করা যাবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ