আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের বেশির ভাগ কাজ করে থাকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ

নিজস্ব সংবাদদাতা:

এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলী আক্তার হোসেন বলেছেন-
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের বেশির ভাগ
কাজ করে থাকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ।
সরকার শহর -গ্রামের দূরত্ব গোচাতে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের গুরুত্ব দিয়েছে। গত বছরে
আমাদের সফলতা অনেক । এবছর আমাদেরকে আরও বেশি করতে হবে।তিনি আজ চট্টগ্রাম কামরুল ইসলাম সিদ্দিক এলজিইডি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার তত্ত্বাবধয়ক প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী,উপ -পরিচালক, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী,উপজেলা প্রকৌশলী,উপ-সহকারী প্রকৌশলী,উপ-সহকারী (যান্ত্রিক) ল্যাব টেকনিশিয়ানদের উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ধীন প্রকল্প ও কর্মসূচীর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানে
সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা কামনা করেন।

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী অনিল চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দ শফিকুল ইসলাম বিন্দু। বিভাগীয় একর্মশালার সার্বিক তত্ত্বাবধান ও অনুষ্ঠান আয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হাসান আলী মূখ্য ভূমিকা পালন করেন।
প্রধান প্রকৌশলী বলেন – আপনারা হচ্ছেন এদেশের সত্যিকারের উন্নয়নের ধারক। গ্রামীন অর্থনীতির চালিকাশক্তি হচ্ছে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা। আর সেকাজটি করে আপনারা গ্রামূন অর্থনীতির চিত্র পাল্টিয়ে দিয়েছেন। আজকে দেশের এঅগ্রগতিতে আপনাদের ভূমিকা অনেক। স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের একান্ত প্রচেষ্টায় ২০২৩-২৪ চলমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ