অবশেষে চট্টগ্রামে আধুনিক কসাইখানা নির্মিত হতে যাচ্ছে ্

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর নগরে আধুনিক কসাইখানা নির্মাণে প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সাগরিকা পশুর হাটের পশ্চিম পাশে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) এক একর জায়গায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক কসাইখানা নির্মাণের বিষয়ে চসিক ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর উপস্থিতিতে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ হালালভাবে পশু জবাই হবে এ স্মার্ট কসাইখানায়। এ কসাইখানায় জবাই করা পশুর মাংসে রক্ত-পানি জমে থাকবেনা বিধায় ক্রেতারা মাংস কিনে লাভবান হবেন।
মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর জানতে পারি বিভিন্ন জটিলতায় এই প্রকল্পের বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে সমস্যাগুলো নিরসণ করায় এই প্রকল্প আলোর মুখ দেখছে।
জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে আধুনিক এই কসাইখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে নগরের যেখানে-সেখানে পশু জবাই বন্ধ হবে। এতে পরিবেশ দূষণ কমে আসবে। রোগবালাই আছে এমন গরু জবাই করা বন্ধ হবে। বিজ্ঞানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াকৃত মাংস খেতে পারবে চট্টগ্রামবাসী।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন বলেন, মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ার সাথে সাথে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার চান। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সচেতন জনগণ এই কসাইখানা থেকে জবাই করা পশুর মাংসই খেতে চাবেন। কারণ, এ কসাইখানায় সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাংস প্রক্রিয়া যাবে। রোগ-জীবাণু ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাবে এ কসাইখানা।এছাড়া এখানে জবাই করা পশুর চামড়াও থাকবে একদম নিখুঁত।
চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মোবারক আলী, চসিকের ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, আইন কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন উল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, চসিক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রতিনিধিবৃন্দ এবং ক্যাবের নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গৃহীত চার হাজার ২৮০ কোটি ৩৬ লাখ টাকায় ‘প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন’ (দি লাইভস্টক এন্ড ডেইরি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট–এলডিডিপি) শীর্ষক প্রকল্প ২০১৮ সালে ৮ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)’র সভায় অনুমোদন পায়। প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের জন্য চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিনটি সেমি অটো এবং ২০টি জেলায় একটি করে আধুনিক পশু জবাইখানা নির্মাণ অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। এসব কসাইখানার জন্য বরাদ্দ রাখা হয় ৭৩৩ কোটি। তবে বর্তমানে এ ব্যয় আরো বাড়তে পারে বলে প্রকল্প সংশ্লিস্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আধুনিক কসাইখানাটিকে ঘিরে নগরে গবাদী পশু সংক্রান্ত বড় মাপের একটি ইনস্টিটিউশন গড়ে তোলা হবে। এতে থাকবে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, আইসোলেশন, স্মার্ট স্টকিং স্পেস সুবিধা, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, রক্ত ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট শৃঙ্খলা। ছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় ৫ তলা বিশিষ্ট ভবন এবং জবাই এরিয়া করা হবে। পশুর নাড়িভুড়িসহ শিং ফেলে না দিয়ে বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা থাকবে এই কসাইখানার আওতায়। এ কসাইখানায় পশু জবাই করার আগে একজন পশু চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখবেন জবাইয়ের জন্য আনা পশুর। জবাইয়ের পর সেই মাংসও পরীক্ষা করা হবে। পশুর রক্তকে পোলট্রি ফিডে রুপান্তর করা হবে। পশুর অন্যান্য বর্জ্যগুলোও রিসাইক্লিং করা হবে। এই কসাইখানায় একদিনে জবাই করা যাবে ১০০ পশু এবং অপেক্ষায় রাখা যাবে ৩০০ পশু।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ কাজ শেষ হলে নগরের যেখানে-সেখানে পশু জবাই বন্ধ হবে। এতে পরিবেশ দূষণ কমে আসবে। রোগ-বলাই আছে এমন গরু জবাই করা বন্ধ হবে। প্রকল্পের আওতায় যেখানে মাংস বিক্রি করা হবে সেখানে পৌঁছে দেয়ার জন্য কুলভ্যান ক্রয় করা হবে। এই ভ্যানে করেই মাংসগুলো পৌঁছে দেয়া হবে।
জানা গেছে, একনেকে (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) অনুমোদনের এরপর দ্রুততম সময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর আগে এ কসাইখানা নির্মাণে চান্দগাঁও পুরাতন থানা এলাকায় ৮৮ শতক জায়গার প্রস্তাব করে চসিক। তবে ওই ভূমির পাশে থাকা একটি স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিবেশ দূষণের সম্ভাবনা থেকে এতে আপত্তি জানায়। এতে জটিলতা তৈরি হয়। তখন সাথে সাথে চসিকও বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করতে পারেনি। ফলে আটকে যায় প্রকল্পের কাজ। পরবর্তীতে সাগরিকা পশুর হাট সংলগ্ন জায়গাটি বাছাই করে চসিক। এটি পছন্দ হয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরেরও। এ বিষয়ে চসিকের স্টেট অফিসার মো. রেজাউল করিম বলেন, সাগরিকা গরুর বাজারের পশ্চিম পাশে এক একর জায়গায় কসাইখানা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জেলখানায় মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ করার ইচ্ছে চিন্ময়ের, অনুমতি চেয়ে আবেদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্যারোলে মুক্তির পর এবার চট্টগ্রাম কারাগারে মৃত মায়ের ‘আদ্যশ্রাদ্ধ’ অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চান রাষ্ট্রদ্রোহ ও আইনজীবী হত্যার মামলায় কারাবন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। এজন্য চিন্ময়ের বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর ধর্মীয় উপকরণ নিয়ে একজন পুরোহিতের কারাগারে প্রবেশ ও শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের অনুমতি চেয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেছেন।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক বললেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। সেটা দেওয়া হয়েছে। এখন যে আবেদন সেটার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন নেই। এটা কারাবিধি অনুযায়ী জেলা সুপার সিদ্ধান্ত নেবেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন্স) মোহাম্মদ ছগির মিয়া বললেন, এ ধরনের আবেদন খুবই রেয়ার। কারাবিধিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। যেহেতু ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার বিষয় আছে এবং বন্দিও একজন বিশেষ বন্দি, তাই সিদ্ধান্ত হতে পারে বিশেষ বিবেচনায়। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের। জেল কর্তৃপক্ষ কারাবিধির বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর চিন্ময়ের মা সন্ধ্যা রাণী ধর মারা যান। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে পাঁচ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দিয়েছিলেন। এরপর রঞ্জন কুমার ধর আরেকটি আবেদন করেন। এতে সনাতন ধর্মীয় অনুশাসন ও শাস্ত্রীয় আচারের কথা উল্লেখ করে চিন্ময়কে কারাগারের ভেতরে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। এজন্য শ্রাদ্ধের সরঞ্জাম নিয়ে হারাধন রুদ্র নামে একজন পুরোহিতকে কারাগারে ভেতরে প্রবেশের অনুমতির আবেদন করা হয়।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ইসকনের সাবেক সংগঠক। সম্মিলিত সনাতনি জাগরণ জোট নামে একটি সংগঠনের মুখপাত্রও। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারে আছেন তিনি। আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাসহ তার বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা আছে।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।


মানববন্ধন থেকে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম কে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। না হলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোডে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, ডিবি কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা সংবলিত স্থানে একজন নারীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাবনা প্রেসক্লারেবর সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাজানো ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ন্যাক্কারজনক। যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও সাজানো তথ্য প্রচার স্বাধীন সাংবাদিকতার হুমকিস্বরূপ। তাই আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাবনা ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ তিনি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।
না হলে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি করেন বক্তারা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক পাভেল মৃধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সম্পাদক আব্দুল মতীন খান, সাবেক সভাপতি ও এনটিভি-সমকালের স্টাফ রিপোর্টার এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চীফ উৎপল মির্জা, একুশে টিভি মানব জমিনের সটাফ রিপোর্টার রাজিউর রহমান রুমী, বাংলাদেশ টুডে প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান, জিকে সাদী, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, প্রথম আলো প্রতিনিধি সরোয়ার মোর্শেদ উল্লাস, আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী বাবলা, এটিএন নিউজ ও আগামীর সময় প্রতিনিধি রিজভী জয়, ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি জিয়াউল হক রিপন, বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা সমিতি পাবনার সভাপতি আব্দুল মজিদ প্রমুখ। এ সময় প্রায় শতাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক নামধারী একটি কুচক্রী মহল পাবনা প্রেসক্লাবের বিপরীতে প্রায় একই নামে সংগঠন খুলে মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। মূলধারার সংবাদকর্মীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি কতিপয় অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় এক তরুণী কে ব্যবহার করে পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সাজানো নাটকের আশ্রয় নেয়।

মানববন্ধন শেষে ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পাবনা পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিক নেতারা। আর তার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি রাজশাহী ও পাবনার জেলা প্রশাসক কে।

এদিকে এর আগে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নাফিসা তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেন যে, সুবর্ণা হালিম নামের এক নারী নেত্রী তাকে জিম্মি করে প্রেসক্লাব সম্পাদত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মা-বাবার উপস্থিতিতে সোহেল রানা বিপ্লব নামে এক কথিত সাংবাদিক এই সাজানো বক্তব্য ভিডিও ধারণ করেন। নাফিসা ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে থানায় দেওয়া মিথ্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিম পরিবার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে এনেছিলাম আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে কেউ হয়তো ভিডিও করেছে।পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ