আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

স্মাট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবক্ষেত্রে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন কাস্টমস আইন সচেতনতামূলক কর্মশালা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি ও কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, চট্টগ্রাম এর যৌথ আয়োজনে নতুন কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর পরিচিতি শীর্ষক কর্মশালা গতকাল মঙ্গলবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি হিসেবে চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট’র কমিশনার সৈয়দ মুসফিকুর রহমান’র সভাপতিত্বে আইনের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুগ্ম-কমিশনার কামরুল হাসান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ ও মাহফুজুল হক শাহ, রিলায়েন্স শিপিং এন্ড লজিস্টিক লিঃ’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রাশেদ, লুব-রেফ’র এমডি মোহাম্মদ ইউসুফ, নাহার গ্রুপের পরিচালক ডঃ আবদুল হাই, সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন’র কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল হক খান স্বপন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি সালামত আলী, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি সালেহ আহমেদ সুলেমান ও বিএসআরএম’র সিনিয়র ম্যানেজার মীর আলী মাহবুব হোসেন বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, উপ-কমিশনার রোখসানা খাতুন, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মাহবুবুল হক মিয়া ও ওমর মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মাট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবক্ষেত্রে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশহিসেবে সরকার আমদানি-রপ্তানি, ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, নতুন নতুন শিল্পায়ন ও রাজস্ব আহরণ পদ্ধতি যুগোপযোগী এবং বহির্বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাস্টমস আইন ২০২৩ প্রণয়ন করে। আইনটি কার্যকর করার পূর্বে ব্যবসায়ীদের মতামত গ্রহণ ও অবহিত করার জন্য এই ধরণের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তিনি বলেন- নতুন এই আইনটির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে ব্যবসায়ীদের কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমানো এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ও রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনা। তিনি আইনের মাধ্যমে সরকারেক রাজস্ব প্রদানকারী ব্যবসায়ীরা যাতে কোন ধরণের ক্ষতিগ্রস্ত ও হেনস্তা শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট’র কমিশনার সৈয়দ মুসফিকুর রহমান বলেন-আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে কাস্টমস আইন, ২০২৩। আইন সম্পর্কে ব্যবসায়ী সমাজকে জানাতে এ ধরণের কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাস্টমস আইন এবং আন্তর্জাতিক কাস্টমস অর্গানাইজেশন এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালার আলাকে এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আইনের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বাণিজ্য সহজীকরণ ও কর আদায়ে শৃঙ্খলা আনয়ন করা। তিনি বলেন-এই আইনের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্পের সুরক্ষার বিষয়টি আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে আরো শক্তিশালী হবে দেশীয় উৎপাদন ব্যবস্থা। আইনে ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তাই স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন এর বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে আইনে। তিনি বলেন-এই আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরী হলে তা সময়ে সময়ে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তাই আইনের যে বিষয়কগুলো অস্পষ্ট মনে হচ্ছে তা তুলে ধরার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে যুগ্ম-কমিশনার কামরুল হাসান বলেন-নতুন আইনে ২৬৯টি ধারা রয়েছে, যা কিছু কিছু পূর্বের আইনে ছিল। আবার কিছু কিছু ধারা সংযোজন করা হয়েছে। সংযোজিত নতুন ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে পণ্য ঘোষণা প্রতিস্থাপন, পণ্য ঘোষণার সংশোধন ও প্রত্যাহার, সেল্ফ ক্লিয়ারেন্স, কনসালটেশন, ট্রান্সপেরেন্সি ইস্যু, আমদানি-রপ্তানিকারকের দায়িত্ব, কতিপয় যানবাহনের ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ, বিলম্বে শুল্ক কর পরিশোধের ক্ষেত্রে সুদ আরোপ, বিলম্বিত পরিশোধ ইত্যাদি নতুন আইনে সংযোজিত করা হয়েছে। এছাড়া আইনে অপরাধের সংখ্যা ১০৩ থেকে কমিয়ে ৪৫ করা হয়েছে।
অন্যান্য বক্তারা বলেন-আইনে জরিমানার বিধান, পণ্য আমদানির জটিলতার ক্ষেত্রে গ্যারান্টি, এইচএস কোড জটিলতার বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়নি। আমদানিকৃত কোন পণ্যের বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং আমদানিকারকদের মধ্যে মতদ্বৈততা তৈরী হলে তা ৭ দিনের মধ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে নিরসন করা ও পঁচনশীল দ্রব্যগুলোর পরীক্ষণসহ দ্রুত খালাসকরণের ক্ষমতা কমিশনারের হাতে ন্যস্ত থাকার বিষয়ে নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন মনে করেন বক্তারা। তাই যারা আইন প্রয়োগ করবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণসহ হয়রানীমুক্ত আইন সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য আহবান জানান তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ