স্মাট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবক্ষেত্রে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন কাস্টমস আইন সচেতনতামূলক কর্মশালা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি ও কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, চট্টগ্রাম এর যৌথ আয়োজনে নতুন কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর পরিচিতি শীর্ষক কর্মশালা গতকাল মঙ্গলবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি হিসেবে চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট’র কমিশনার সৈয়দ মুসফিকুর রহমান’র সভাপতিত্বে আইনের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুগ্ম-কমিশনার কামরুল হাসান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ ও মাহফুজুল হক শাহ, রিলায়েন্স শিপিং এন্ড লজিস্টিক লিঃ’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রাশেদ, লুব-রেফ’র এমডি মোহাম্মদ ইউসুফ, নাহার গ্রুপের পরিচালক ডঃ আবদুল হাই, সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন’র কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল হক খান স্বপন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি সালামত আলী, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি সালেহ আহমেদ সুলেমান ও বিএসআরএম’র সিনিয়র ম্যানেজার মীর আলী মাহবুব হোসেন বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, উপ-কমিশনার রোখসানা খাতুন, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মাহবুবুল হক মিয়া ও ওমর মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মাট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবক্ষেত্রে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশহিসেবে সরকার আমদানি-রপ্তানি, ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, নতুন নতুন শিল্পায়ন ও রাজস্ব আহরণ পদ্ধতি যুগোপযোগী এবং বহির্বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাস্টমস আইন ২০২৩ প্রণয়ন করে। আইনটি কার্যকর করার পূর্বে ব্যবসায়ীদের মতামত গ্রহণ ও অবহিত করার জন্য এই ধরণের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তিনি বলেন- নতুন এই আইনটির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে ব্যবসায়ীদের কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমানো এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ও রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনা। তিনি আইনের মাধ্যমে সরকারেক রাজস্ব প্রদানকারী ব্যবসায়ীরা যাতে কোন ধরণের ক্ষতিগ্রস্ত ও হেনস্তা শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট’র কমিশনার সৈয়দ মুসফিকুর রহমান বলেন-আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে কাস্টমস আইন, ২০২৩। আইন সম্পর্কে ব্যবসায়ী সমাজকে জানাতে এ ধরণের কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাস্টমস আইন এবং আন্তর্জাতিক কাস্টমস অর্গানাইজেশন এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালার আলাকে এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আইনের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বাণিজ্য সহজীকরণ ও কর আদায়ে শৃঙ্খলা আনয়ন করা। তিনি বলেন-এই আইনের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্পের সুরক্ষার বিষয়টি আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে আরো শক্তিশালী হবে দেশীয় উৎপাদন ব্যবস্থা। আইনে ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তাই স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন এর বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে আইনে। তিনি বলেন-এই আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরী হলে তা সময়ে সময়ে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তাই আইনের যে বিষয়কগুলো অস্পষ্ট মনে হচ্ছে তা তুলে ধরার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে যুগ্ম-কমিশনার কামরুল হাসান বলেন-নতুন আইনে ২৬৯টি ধারা রয়েছে, যা কিছু কিছু পূর্বের আইনে ছিল। আবার কিছু কিছু ধারা সংযোজন করা হয়েছে। সংযোজিত নতুন ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে পণ্য ঘোষণা প্রতিস্থাপন, পণ্য ঘোষণার সংশোধন ও প্রত্যাহার, সেল্ফ ক্লিয়ারেন্স, কনসালটেশন, ট্রান্সপেরেন্সি ইস্যু, আমদানি-রপ্তানিকারকের দায়িত্ব, কতিপয় যানবাহনের ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ, বিলম্বে শুল্ক কর পরিশোধের ক্ষেত্রে সুদ আরোপ, বিলম্বিত পরিশোধ ইত্যাদি নতুন আইনে সংযোজিত করা হয়েছে। এছাড়া আইনে অপরাধের সংখ্যা ১০৩ থেকে কমিয়ে ৪৫ করা হয়েছে।
অন্যান্য বক্তারা বলেন-আইনে জরিমানার বিধান, পণ্য আমদানির জটিলতার ক্ষেত্রে গ্যারান্টি, এইচএস কোড জটিলতার বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়নি। আমদানিকৃত কোন পণ্যের বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং আমদানিকারকদের মধ্যে মতদ্বৈততা তৈরী হলে তা ৭ দিনের মধ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে নিরসন করা ও পঁচনশীল দ্রব্যগুলোর পরীক্ষণসহ দ্রুত খালাসকরণের ক্ষমতা কমিশনারের হাতে ন্যস্ত থাকার বিষয়ে নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন মনে করেন বক্তারা। তাই যারা আইন প্রয়োগ করবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণসহ হয়রানীমুক্ত আইন সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য আহবান জানান তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পদ্মার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ দুর্যোগের সময়ে বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলা বাজার-উদয়নগর এলাকায় বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) উদ্যোগে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী (চাল, ডাল, তেল, আটা ও লবণ) বিতরণ করা হয়।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

দুর্যোগের এই সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদয়নগর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চারদিকে পানি উঠায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি। না ছিল খাওয়ার ব্যবস্থা, না ছিল চলাচলের উপায়। এই কঠিন সময়ে বিজিবির কর্মকর্তারা নিজ হাতে আমাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকেই ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর রাখছে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বানভাসি মানুষদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে আমাদের এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। দুর্গম ও প্লাবিত এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল ও পর্যবেক্ষণ জোরদার রয়েছে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেষে বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অর্পিত দায়িত্বের অংশ। পদ্মার পানি বাড়ায় এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমরা সাধ্যমতো খাদ্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি এবং বন্যাকবলিত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশির রিমান্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় ‘অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহিদুল ইসলাম এ আদেশ দেন।একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ৬৩ বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতারের ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থা সিটিইউকে ২০ দিনের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে, গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানির সময় তারাও এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। পরে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় রিমান্ডের আবেদন করে। মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর মহানগরের একটি কুরিয়ার থেকে ১১৮ গ্রাম কোকেন উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার মোহাম্মদ মহসিনকে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে করা মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানান, গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে মহসিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের থাকার জন্য তিনি একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন। ওসি আরও জানান, কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে কোকেনের চালানটি ফেরত আসে। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।

কোকেনের মামলায় সেই মহসিনেরী রিমান্ড : ১১৮ গ্রাম কোকেনের সূত্র ধরে নগরের খুলশী থানার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় ৬৩ বিদেশি নাগরিকের ‘আস্তানা’র তথ্য বেরিয়ে আসার ঘটনায় গ্রেপ্তার মোহাম্মদ মহসিনকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে খুলশী থানার সাইবার অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর নগরের খুলশী এলাকা থেকে মহসিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। তিনি নগরের কর্ণফুলী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিসি (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোকেনের মামলায় মহসিনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।একইসঙ্গে তাকে আইসিটি আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মহসিনের পাঠানো ১১৮ গ্রাম কোকেনের সূত্র ধরেই খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবনে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়।

পুলিশ জানায়, কয়েক দিন আগে কুরিয়ারের মাধ্যমে ঢাকায় এক ব্যক্তির কাছে কোকেন পাঠিয়েছিলেন মহসিন। পরে কোকেনগুলো ফেরত এলে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে খুলশীর ওই ভবনে বিদেশি নাগরিকদের অবস্থানের তথ্য সামনে আসে। ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে মহসিনের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তার মাধ্যমেই তাদের জন্য আটতলা ভবনটি ভাড়া নেওয়া হয়। এমনকি বিদেশিদের পাসপোর্টও তার কাছে জমা ছিল বলে দাবি পুলিশের।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ